রাণীশংকৈলে মাঠে গবাদিপশু আনতে গিয়ে বজ্রপাতে কৃষকের মৃত্যু

ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলায় মাঠ থেকে গবাদিপশু আনতে গিয়ে বজ্রপাতে প্রাণ হারিয়েছেন এক কৃষক। চার সন্তানের জনক একরামুল হকের (৪৭) এমন মৃত্যুতে পরিবার, স্বজন এবং পুরো এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া। বৃহস্পতিবার (০২ জুলাই) বিকেল প্রায় ৫টার দিকে উপজেলার নন্দুয়ার ইউনিয়নের জওগাঁও গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত একরামুল হক ওই গ্রামের মৃত আবু বক্করের ছেলে। তিনি পেশায় একজন পরিশ্রমী কৃষক ছিলেন।  নন্দুয়ার ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান জমিরুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। স্থানীয়রা জানান, বিকেলে বাড়ির পশ্চিম পাশের মাঠে গরু-ছাগল আনতে যান একরামুল হক। এ সময় হঠাৎ আকাশ কালো করে শুরু হয় বজ্রসহ বৃষ্টি। গবাদিপশু নিয়ে বাড়ি ফেরার আগেই একটি শক্তিশালী বজ্রপাত তার ওপর আঘাত হানে। ঘটনাস্থলেই তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। স্থানীয়দের ভাষ্য, বজ্রপাতের সময় তার কোমরে থাকা মোবাইল ফোনটি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং বিস্ফোরণের মতো শব্দ হয়। এতে তার গেঞ্জিসহ পিঠের একাংশ দগ্ধ হয়ে যায়। পরে দ্রুত তাকে উদ্ধার করে রাণীশংকৈল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাকে মৃত ঘোষণ

রাণীশংকৈলে মাঠে গবাদিপশু আনতে গিয়ে বজ্রপাতে কৃষকের মৃত্যু
ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলায় মাঠ থেকে গবাদিপশু আনতে গিয়ে বজ্রপাতে প্রাণ হারিয়েছেন এক কৃষক। চার সন্তানের জনক একরামুল হকের (৪৭) এমন মৃত্যুতে পরিবার, স্বজন এবং পুরো এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া। বৃহস্পতিবার (০২ জুলাই) বিকেল প্রায় ৫টার দিকে উপজেলার নন্দুয়ার ইউনিয়নের জওগাঁও গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত একরামুল হক ওই গ্রামের মৃত আবু বক্করের ছেলে। তিনি পেশায় একজন পরিশ্রমী কৃষক ছিলেন।  নন্দুয়ার ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান জমিরুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। স্থানীয়রা জানান, বিকেলে বাড়ির পশ্চিম পাশের মাঠে গরু-ছাগল আনতে যান একরামুল হক। এ সময় হঠাৎ আকাশ কালো করে শুরু হয় বজ্রসহ বৃষ্টি। গবাদিপশু নিয়ে বাড়ি ফেরার আগেই একটি শক্তিশালী বজ্রপাত তার ওপর আঘাত হানে। ঘটনাস্থলেই তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। স্থানীয়দের ভাষ্য, বজ্রপাতের সময় তার কোমরে থাকা মোবাইল ফোনটি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং বিস্ফোরণের মতো শব্দ হয়। এতে তার গেঞ্জিসহ পিঠের একাংশ দগ্ধ হয়ে যায়। পরে দ্রুত তাকে উদ্ধার করে রাণীশংকৈল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাকে মৃত ঘোষণা করেন একরামুল হকের আকস্মিক মৃত্যুতে স্ত্রী, চার সন্তান ও স্বজনদের আহাজারিতে হাসপাতাল ও গ্রামের পরিবেশ ভারী হয়ে ওঠে। একজন পরিশ্রমী কৃষকের এমন করুণ পরিণতি মেনে নিতে পারছেন না এলাকাবাসীও।  শুক্রবার (০৩) জুলাই সকাল ১০টায় জওগাঁও গোরস্থান সংলগ্ন ঈদগাহ মাঠে মরহুমের জানাজা শেষে ওই কবরস্থানে তার দাফন সম্পন্ন করা হয়। রাণীশংকৈল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমানুল্লাহ আল বারী বলেন, ‘বজ্রপাতে কৃষকের মৃত্যুর বিষয়টি আমরা জেনেছি। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। আইনি প্রক্রিয়াশেষে লাশ দাফনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।’

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow