রাতে বিচারকের বাসায় ককটেল হামলা 

গোপালগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদলতের বিচারক মো. শামছুল হকের বাসভবনে ককটেল হামলা করেছে দুর্বৃত্তরা। তবে এ ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।  বুধবার (২৮ জানুয়ারি) রাত পৌনে ১০ টার দিকে শহরের পোস্ট অফিস রোডে অবস্থিত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বাসভবনে এ ঘটনা ঘটে। কে বা কারা ককটেল নিক্ষেপ করেছে, তা এখনো জানা যায়নি। ককটেল বিস্ফোরণে বিকট শব্দে পুরো শহর কেঁপে ওঠে এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার রাতে যখন শহরজুড়ে স্বাভাবিক কার্যক্রম চলছিল, ঠিক তখন হঠাৎ জেলা ও দায়রা জজের বাসভবন লক্ষ্য করে দুর্বৃত্তরা ককটেল নিক্ষেপ করে। বিকট শব্দে ককটেলটি বিস্ফোরিত হলে আশপাশের এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি হয়। তবে এই ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি। ঘটনার পরপরই গোপালগঞ্জের পুলিশ সুপারসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। ঘটনাস্থলে যায় সেনাবাহিনীও। পুলিশ পুরো এলাকা ঘিরে রেখে আলামত সংগ্রহ করেছেন তারা।  গোপালগঞ্জের পুলিশ সুপার মো. হাবীবুল্লাহ কালবেলাকে জানান, সীমানা প্রাচীরের মধ্যে বাসভবনের খানিকটা সামনে থেকে কৌটা সাদৃশ্য বস্তু পাওয়া গেছে। দুর্বৃত্তদের শনা

রাতে বিচারকের বাসায় ককটেল হামলা 

গোপালগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদলতের বিচারক মো. শামছুল হকের বাসভবনে ককটেল হামলা করেছে দুর্বৃত্তরা। তবে এ ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। 

বুধবার (২৮ জানুয়ারি) রাত পৌনে ১০ টার দিকে শহরের পোস্ট অফিস রোডে অবস্থিত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বাসভবনে এ ঘটনা ঘটে। কে বা কারা ককটেল নিক্ষেপ করেছে, তা এখনো জানা যায়নি।

ককটেল বিস্ফোরণে বিকট শব্দে পুরো শহর কেঁপে ওঠে এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার রাতে যখন শহরজুড়ে স্বাভাবিক কার্যক্রম চলছিল, ঠিক তখন হঠাৎ জেলা ও দায়রা জজের বাসভবন লক্ষ্য করে দুর্বৃত্তরা ককটেল নিক্ষেপ করে। বিকট শব্দে ককটেলটি বিস্ফোরিত হলে আশপাশের এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি হয়। তবে এই ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি।

ঘটনার পরপরই গোপালগঞ্জের পুলিশ সুপারসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। ঘটনাস্থলে যায় সেনাবাহিনীও। পুলিশ পুরো এলাকা ঘিরে রেখে আলামত সংগ্রহ করেছেন তারা। 

গোপালগঞ্জের পুলিশ সুপার মো. হাবীবুল্লাহ কালবেলাকে জানান, সীমানা প্রাচীরের মধ্যে বাসভবনের খানিকটা সামনে থেকে কৌটা সাদৃশ্য বস্তু পাওয়া গেছে। দুর্বৃত্তদের শনাক্ত করতে গোয়েন্দা সংস্থা কাজ শুরু করেছে। নির্বাচনকে সামনে রেখে জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি করতে দুর্বৃত্তরা এমন ঘটনা ঘটিয়েছে বলেও জানান তিনি। এতে কারো কোন ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। 

তিনি আরও বলেন, দুর্বৃত্তদের চিহ্নিত করতে পুলিশ, র‍্যাব,ও সেনাবাহিনী একযোগে কাজ করছে। ওই এলাকার বিভিন্ন বাসাবাড়ির সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করা হচ্ছে। 
 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow