রাফাহ ক্রসিং পুনরায় খোলার ঘোষণায় সন্দিহান ফিলিস্তিনিরা
গাজার রাফাহ সীমান্ত ক্রসিং পুনরায় খোলার বিষয়ে ইসরায়েলের ঘোষণায় গভীর সন্দেহ প্রকাশ করেছেন ফিলিস্তিনিরা। যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় হওয়া যুদ্ধবিরতির আওতায় ইসরায়েলে ফেরত দেওয়ার কথা থাকা সর্বশেষ এক বন্দির মরদেহ উদ্ধারের অভিযান শেষ হলেই সীমিত পরিসরে রাফাহ ক্রসিং খুলে দেওয়ার কথা জানিয়েছে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ। ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় জানায়, অভিযান সম্পন্ন হলে “শুধুমাত্র মানুষের চলাচলের জন্য সীমিত ভিত্তিতে” রাফাহ ক্রসিং চালু করা হবে। তবে পণ্য ও মানবিক সহায়তা প্রবেশের বিষয়ে কোনো স্পষ্ট ঘোষণা দেওয়া হয়নি। এর আগে হামাসের সামরিক শাখা জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র-সমর্থিত যুদ্ধবিরতির মধ্যস্থতাকারীদের কাছে তারা সর্বশেষ বন্দির মরদেহের সম্ভাব্য অবস্থান সংক্রান্ত “সব তথ্য” সরবরাহ করেছে। এদিকে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী দাবি করেছে, তারা উত্তর গাজায় একটি “লক্ষ্যভিত্তিক অভিযান” চালাচ্ছে, যার উদ্দেশ্য পুলিশ কর্মকর্তা রান গভিলির দেহাবশেষ উদ্ধার করতে “সমস্ত গোয়েন্দা তথ্য যাচাই” করা। অন্যদিকে অধিকৃত পশ্চিম তীরের কাফর আকাব এলাকায় বড় ধরনের সামরিক অভিযানের অংশ হিসেবে স্কুল ও কিন্ডারগার্টেনসহ একাধিক ভবন খালি করার নির্
গাজার রাফাহ সীমান্ত ক্রসিং পুনরায় খোলার বিষয়ে ইসরায়েলের ঘোষণায় গভীর সন্দেহ প্রকাশ করেছেন ফিলিস্তিনিরা। যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় হওয়া যুদ্ধবিরতির আওতায় ইসরায়েলে ফেরত দেওয়ার কথা থাকা সর্বশেষ এক বন্দির মরদেহ উদ্ধারের অভিযান শেষ হলেই সীমিত পরিসরে রাফাহ ক্রসিং খুলে দেওয়ার কথা জানিয়েছে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ।
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় জানায়, অভিযান সম্পন্ন হলে “শুধুমাত্র মানুষের চলাচলের জন্য সীমিত ভিত্তিতে” রাফাহ ক্রসিং চালু করা হবে। তবে পণ্য ও মানবিক সহায়তা প্রবেশের বিষয়ে কোনো স্পষ্ট ঘোষণা দেওয়া হয়নি।
এর আগে হামাসের সামরিক শাখা জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র-সমর্থিত যুদ্ধবিরতির মধ্যস্থতাকারীদের কাছে তারা সর্বশেষ বন্দির মরদেহের সম্ভাব্য অবস্থান সংক্রান্ত “সব তথ্য” সরবরাহ করেছে।
এদিকে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী দাবি করেছে, তারা উত্তর গাজায় একটি “লক্ষ্যভিত্তিক অভিযান” চালাচ্ছে, যার উদ্দেশ্য পুলিশ কর্মকর্তা রান গভিলির দেহাবশেষ উদ্ধার করতে “সমস্ত গোয়েন্দা তথ্য যাচাই” করা।
অন্যদিকে অধিকৃত পশ্চিম তীরের কাফর আকাব এলাকায় বড় ধরনের সামরিক অভিযানের অংশ হিসেবে স্কুল ও কিন্ডারগার্টেনসহ একাধিক ভবন খালি করার নির্দেশ দিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী।
গাজার বাস্তবতা নিয়ে উদ্বেগ আরও বেড়েছে হতাহতের পরিসংখ্যান ঘিরে। ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া ইসরায়েলের আগ্রাসনে এখন পর্যন্ত গাজায় ৭১ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর ২০২৫ সালের অক্টোবর থেকে এখন পর্যন্ত প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ৪৮০ জন।
এ অবস্থায় রাফাহ ক্রসিং পুনরায় খোলার ঘোষণা মানবিক সংকট লাঘব করবে কি না, তা নিয়ে ফিলিস্তিনিদের মধ্যে ব্যাপক সংশয় রয়ে গেছে।
What's Your Reaction?