রাফিনহার ইনজুরি নিয়ে মুখ খুললেন তার স্ত্রী

হ্যামস্ট্রিং ইনজুরিতে হাইতির বিপক্ষে ম্যাচে মাঠ ছাড়ার পর রাফিনহার বিশ্বকাপ অভিযান অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। তার স্ত্রী নাতালিয়া বেলোলি সেই ঘটনার পর হওয়া আবেগঘন ফোনালাপের কথা প্রকাশ করেছেন। তবে ব্রাজিল এখনও তার পুনরুদ্ধার (রিকভারি) নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। তারা আশা করছে, টুর্নামেন্টের পরবর্তী অংশে তিনি আবারও মাঠে ফিরতে পারেন। বিশ্বকাপে হাইতির বিপক্ষে ৩–০ গোলের জয়ের ম্যাচে হ্যামস্ট্রিং ইনজুরিতে পড়ে মাঠ ছাড়তে হয় রাফিনহাকে। বার্সেলোনার এই ফরোয়ার্ড ব্রাজিলের আক্রমণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছিলেন, কিন্তু এই চোট তার পুরো টুর্নামেন্টই অনিশ্চিত করে দিয়েছে। ইনজুরির পরপরই ২৯ বছর বয়সী এই তারকা এবং তার পরিবার আবেগপ্রবণ হয়ে পড়ে। চোটের মাত্রা নিয়ে উদ্বেগ বাড়তে থাকায় ব্রাজিলের বিশ্বকাপ অভিযানে তার বড় ভূমিকা রাখার আশা হঠাৎ করেই ঝুঁকির মুখে পড়ে। ফিলাডেলফিয়ায় ম্যাচের পর তিনি মেডিকেল পরীক্ষা করান এবং এরপর পুনরুদ্ধার প্রক্রিয়া শুরুর আগে কিছু সময় পরিবারের সঙ্গে কাটানোর সুযোগ পান। ‘ডোমিঙ্গাও কম হুক’ অনুষ্ঠানে বেলোলি জানান, ইনজুরির পর তাদের দুজনের জন্যই পরিস্থিতি কতটা কঠিন ছিল। তিনি আরও জানান, শুরুতে ধাক্কা সাম

রাফিনহার ইনজুরি নিয়ে মুখ খুললেন তার স্ত্রী

হ্যামস্ট্রিং ইনজুরিতে হাইতির বিপক্ষে ম্যাচে মাঠ ছাড়ার পর রাফিনহার বিশ্বকাপ অভিযান অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। তার স্ত্রী নাতালিয়া বেলোলি সেই ঘটনার পর হওয়া আবেগঘন ফোনালাপের কথা প্রকাশ করেছেন। তবে ব্রাজিল এখনও তার পুনরুদ্ধার (রিকভারি) নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। তারা আশা করছে, টুর্নামেন্টের পরবর্তী অংশে তিনি আবারও মাঠে ফিরতে পারেন।

বিশ্বকাপে হাইতির বিপক্ষে ৩–০ গোলের জয়ের ম্যাচে হ্যামস্ট্রিং ইনজুরিতে পড়ে মাঠ ছাড়তে হয় রাফিনহাকে। বার্সেলোনার এই ফরোয়ার্ড ব্রাজিলের আক্রমণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছিলেন, কিন্তু এই চোট তার পুরো টুর্নামেন্টই অনিশ্চিত করে দিয়েছে। ইনজুরির পরপরই ২৯ বছর বয়সী এই তারকা এবং তার পরিবার আবেগপ্রবণ হয়ে পড়ে। চোটের মাত্রা নিয়ে উদ্বেগ বাড়তে থাকায় ব্রাজিলের বিশ্বকাপ অভিযানে তার বড় ভূমিকা রাখার আশা হঠাৎ করেই ঝুঁকির মুখে পড়ে। ফিলাডেলফিয়ায় ম্যাচের পর তিনি মেডিকেল পরীক্ষা করান এবং এরপর পুনরুদ্ধার প্রক্রিয়া শুরুর আগে কিছু সময় পরিবারের সঙ্গে কাটানোর সুযোগ পান।

‘ডোমিঙ্গাও কম হুক’ অনুষ্ঠানে বেলোলি জানান, ইনজুরির পর তাদের দুজনের জন্যই পরিস্থিতি কতটা কঠিন ছিল। তিনি আরও জানান, শুরুতে ধাক্কা সামলানো কঠিন ছিল, তবে পরে তারা সামনে এগোনোর শক্তি খুঁজে পান।

তিনি বলেন, ‘সত্যি বলতে, এই প্রথমবার আমি বাকরুদ্ধ হয়ে গিয়েছিলাম। সে কাঁদছিল, আমিও কাঁদছিলাম। আমরা ফোনে কথা বলেছিলাম। পরদিন সে মেডিকেল পরীক্ষা করায় এবং কিছু সময়ের জন্য বাসায় আসে এবং আমরা পুরো পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলি।'

তিনি আরও বলেন, ‘এখন সে ভালো আছে, শক্ত আছে এবং নিজের লক্ষ্য সম্পর্কে সে পরিষ্কার। সেটাই গুরুত্বপূর্ণ—সঠিক মানসিকতা ধরে রাখা এবং বিশ্বাস রাখা যে সামনে ভালো সময় আসবে।’

ব্রাজিল নিশ্চিত করেছে যে রাফিনহা দেশে ফিরে যাবেন না; বরং জাতীয় দলের সঙ্গেই থাকবেন। ব্রাজিলিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন (সিবিএফ) তার জন্য একটি নিবিড় চিকিৎসা ও পুনরুদ্ধার কর্মসূচি চালাবে, যাতে টুর্নামেন্টের নকআউট পর্বে তিনি দলে ফিরতে পারেন।

বর্তমানে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো রাফিনহার পুনর্বাসন ও সুস্থতা। ব্রাজিলের মেডিকেল টিম তার অগ্রগতি নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করবে, তারপরই পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। অন্যদিকে বার্সেলোনাও তার পরিস্থিতি নজরে রাখছে, যাতে নতুন মৌসুমের আগে ঝুঁকি নিয়ে দ্রুত ফিরে আসার কারণে ইনজুরি আরও না বাড়ে।

আরএএইচইউএল/এসকেডি/এএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow