রাবিতে আবাসিকতা বাতিলের পরেও হলে থাকেন হল সংসদের ২ নেতা

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে নীতিমালা লঙ্ঘনের অভিযোগে হল সংসদের তিন নেতাকে আবাসিকতা বাতিল করেন সংশ্লিষ্ট হলের প্রাধ্যক্ষ। তবে এই আদেশকে তোয়াক্কা না করেই পুরোদস্তুর হলে থাকার অভিযোগ উঠেছে দুই নেতার বিরুদ্ধে। তারা উভয়ই ইসলামী ছাত্রশিবির মনোনীত প্যানেল থেকে নির্বাচন করেছিলেন বলে জানা গেছে। অভিযুক্তরা হলেন— রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ জিয়াউর রহমান হল সংসদের এজিএস ইসরাফিল হোসাইন ও একই হল সংসদের সাংস্কৃতিক সম্পাদক সাকিব জুবায়ের। জানা গেছে, চলতি বছরের এপ্রিলে শহীদ জিয়াউর রহমান হলের একটি কক্ষে ‘নারী থাকার সন্দেহে’ তল্লাশি চালানোর ঘটনা ঘটে। তবে সংশ্লিষ্ট কক্ষে নারী শিক্ষার্থী পাননি তারা।  এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে হল সংসদের এজিএস ইসরাফিল হোসাইন, সাংস্কৃতিক সম্পাদক সাকিব জুবায়ের এবং আবাসিক শিক্ষার্থী ফোরকান হাফিজ জীমের আবাসিকতা বাতিল করেন হল প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মাহবুবার রহমান। তবে, আবাসিকতা বাতিলের পরও এজিএস ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক ওই হলেই অবস্থান করছেন।  আবাসিকতা স্থগিত হওয়ার পরও হলে অবস্থানের বিষয়ে ইসরাফিল হোসাইন বলেন, ‘আপনি হল প্রশাসনকে এ বিষয়ে জিজ্ঞেস করেন। এটি আমার জানার বিষয় নয়।’ এ বিষয়ে জানতে স

রাবিতে আবাসিকতা বাতিলের পরেও হলে থাকেন হল সংসদের ২ নেতা

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে নীতিমালা লঙ্ঘনের অভিযোগে হল সংসদের তিন নেতাকে আবাসিকতা বাতিল করেন সংশ্লিষ্ট হলের প্রাধ্যক্ষ। তবে এই আদেশকে তোয়াক্কা না করেই পুরোদস্তুর হলে থাকার অভিযোগ উঠেছে দুই নেতার বিরুদ্ধে। তারা উভয়ই ইসলামী ছাত্রশিবির মনোনীত প্যানেল থেকে নির্বাচন করেছিলেন বলে জানা গেছে।

অভিযুক্তরা হলেন— রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ জিয়াউর রহমান হল সংসদের এজিএস ইসরাফিল হোসাইন ও একই হল সংসদের সাংস্কৃতিক সম্পাদক সাকিব জুবায়ের।

জানা গেছে, চলতি বছরের এপ্রিলে শহীদ জিয়াউর রহমান হলের একটি কক্ষে ‘নারী থাকার সন্দেহে’ তল্লাশি চালানোর ঘটনা ঘটে। তবে সংশ্লিষ্ট কক্ষে নারী শিক্ষার্থী পাননি তারা। 

এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে হল সংসদের এজিএস ইসরাফিল হোসাইন, সাংস্কৃতিক সম্পাদক সাকিব জুবায়ের এবং আবাসিক শিক্ষার্থী ফোরকান হাফিজ জীমের আবাসিকতা বাতিল করেন হল প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মাহবুবার রহমান। তবে, আবাসিকতা বাতিলের পরও এজিএস ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক ওই হলেই অবস্থান করছেন। 

আবাসিকতা স্থগিত হওয়ার পরও হলে অবস্থানের বিষয়ে ইসরাফিল হোসাইন বলেন, ‘আপনি হল প্রশাসনকে এ বিষয়ে জিজ্ঞেস করেন। এটি আমার জানার বিষয় নয়।’

এ বিষয়ে জানতে সাকিব জুবায়েরকে একাধিকবার কল দিলেও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।  

এ বিষয়ে জিয়াউর রহমান হলের ভিপি মোজাম্মেল হক বলেন, ‘গত (১১ এপ্রিল) জিয়াউর রহমান হলে যে ঘটনাটি ঘটে তার পরিপ্রেক্ষিতে প্রভোস্ট স্যার বারবার মিটিং করার পরও সেখানে একটি মব সৃষ্টি করে। তারপর সেখান থেকে হল প্রশাসনের একটি সিদ্ধান্তে হল সংসদের এজিএস ও সাংস্কৃতিক সম্পাদককে সাময়িকভাবে আবাসিকতা বাতিল করেন। আবাসিকতা বাতিলের পাশাপাশি হল প্রশাসন বলেছিলেন একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে তা মীমাংসা করা হবে। কিন্তু হল প্রশাসন এনোও কোনো তদন্ত কমিটি গঠন করেনি।’

তদন্ত কমিটি নিয়ে জানতে চাইলে তিনি আরও জানান, ‘আমরা হল প্রভোস্টকে এ বিষয়ে বেশ কয়েকবার বলেছি এবং তিনি আমাদেরকে বলেন এটা আমি সমাধান করতে পারব না, ভিসি স্যার এটা সমাধান দিতে পারবেন। কিন্তু বর্তমানে হল সংসদের দুজন হল প্রভোস্টের অনুমতি নিয়েই হলে অবস্থান করছেন।’

রাবির শহীদ জিয়াউর রহমান হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মাহবুবার রহমান বলেন, ‘আবাসিকতা বাতিলের পরেও যদি তারা হলে অবস্থান করে থাকে তাহলে এটা অবৈধ। কিন্তু যদি তারা অন্য কারোর রুমে অবস্থান করে থাকে, তাহলে সেটার বিরুদ্ধে কোনো অ্যাকশন বা ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ নেই। তবে অফিসিয়ালি তাদের পুনরায় অ্যালটমেন্ট বা রুম ফেরত দেওয়া এমনটা করা হয়নি। এ বিষয়ে খোঁজ নেব।’

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow