রাবির কেন্দ্রীয় লাইব্রেরিতে এসি স্থাপনের পর বেড়েছে পাঠক
তীব্র গরমের সময় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি অনেকটাই কমে গিয়েছিল। তবে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ (এসি) ব্যবস্থা চালুর পর বদলে গেছে সেই চিত্র। বেড়েছে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি। বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) উদ্যোগে কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারে ১০ টন ক্ষমতাসম্পন্ন ১০টি এসি স্থাপন করা হয়। এতে গ্রন্থাগারের পরিবেশ অনেকটা আরামদায়ক হওয়ায় শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি বেড়েছে। এসি স্থাপনের আগে যেখানে প্রতিদিন ৩৫০-৪৫০ জন শিক্ষার্থী পড়াশোনা করতে আসতেন, বর্তমানে সেই সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭০০-৮০০ জনে। আরও পড়ুন জাহানারা ইমামকে ‘জাহান্নামের ইমাম’ বললেন রাকসুর সংস্কৃতি সম্পাদক ব্যাংকিং অ্যান্ড ইন্স্যুরেন্স বিভাগের শিক্ষার্থী জিয়াউর রহমান বলেন, ‘প্রতিদিনই লাইব্রেরিতে পড়াশোনা করতে আসি। এসি স্থাপনের আগে ফ্যান না থাকায় অস্বস্তি বোধ করতাম। এখন পরিবেশটা মোটামুটি মানানসই হয়েছে।’ রাকসুর জিএস সালাহউদ্দিন আম্মার বলেন, ‘এটি শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল। দাবিটি পূরণ করতে পেরেছি। আশা করি শিক্ষার্থীরা এখন আরও স্বাচ্ছ
তীব্র গরমের সময় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি অনেকটাই কমে গিয়েছিল। তবে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ (এসি) ব্যবস্থা চালুর পর বদলে গেছে সেই চিত্র। বেড়েছে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) উদ্যোগে কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারে ১০ টন ক্ষমতাসম্পন্ন ১০টি এসি স্থাপন করা হয়। এতে গ্রন্থাগারের পরিবেশ অনেকটা আরামদায়ক হওয়ায় শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি বেড়েছে। এসি স্থাপনের আগে যেখানে প্রতিদিন ৩৫০-৪৫০ জন শিক্ষার্থী পড়াশোনা করতে আসতেন, বর্তমানে সেই সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭০০-৮০০ জনে।
ব্যাংকিং অ্যান্ড ইন্স্যুরেন্স বিভাগের শিক্ষার্থী জিয়াউর রহমান বলেন, ‘প্রতিদিনই লাইব্রেরিতে পড়াশোনা করতে আসি। এসি স্থাপনের আগে ফ্যান না থাকায় অস্বস্তি বোধ করতাম। এখন পরিবেশটা মোটামুটি মানানসই হয়েছে।’
রাকসুর জিএস সালাহউদ্দিন আম্মার বলেন, ‘এটি শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল। দাবিটি পূরণ করতে পেরেছি। আশা করি শিক্ষার্থীরা এখন আরও স্বাচ্ছন্দ্যে লাইব্রেরিতে বসে পড়াশোনা করতে পারবেন।’
এ বিষয়ে লাইব্রেরির প্রশাসক অধ্যাপক মো. হাবিবুল ইসলাম বলেন, ‘আগের তুলনায় পাঠকের সংখ্যাও উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। জায়গা দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। আরও কিছু সংস্কার কার্যক্রম চলমান। পুরোপুরি সংস্কারকাজ শেষ হলে আশা করি শিক্ষার্থীরা আরও সুন্দর পড়াশোনার পরিবেশে পাবেন।’
এসআর
What's Your Reaction?
