রাবি অধ্যাপকের বিরুদ্ধে ধর্ষণচেষ্টার মামলা

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) এগ্রোনমি অ্যান্ড অ্যাগ্রিকালচার এক্সটেনশন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো. দুলাল আলী মোল্লার বিরুদ্ধে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মামলা করেছেন এক নারী। গত ৪ জানুয়ারি রাজশাহীর চন্দ্রিমা থানায় মামলাটি করেন ভুক্তভোগী নারী।  মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী নারীর সঙ্গে ২০২১ সাল থেকে ওই শিক্ষকের পরিচয় ও প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সম্পর্কের এক পর্যায়ে উভয় পরিবারের মধ্যে বিয়ের কথাবার্তাও চলে। গত ২৭ ডিসেম্বর রাত আনুমানিক ৮-৯টার দিকে অভিযুক্ত শিক্ষক তার মায়ের অসুস্থতার কথা বলে ওই নারীকে চন্দ্রিমা থানাধীন পদ্মা আবাসিক এলাকায় তার ভাড়া বাসায় নিয়ে যান। ভুক্তভোগীর অভিযোগ, বাসায় কেউ না থাকার সুযোগে তাকে আটকে রেখে বারবার ধর্ষণ করার চেষ্টা করে। পরদিন (২৮ ডিসেম্বর) ভোরে অভিযুক্ত শিক্ষক কৌশলে বাসা থেকে পালিয়ে যান এবং পরে জনৈক এক নারীকে ‘বউ’ সাজিয়ে এবং আরও তিন সহযোগীসহ বাসায় ফিরে আসেন। সেখানে ভুক্তভোগীকে মারধর ও শারীরিক-মানসিকভাবে নির্যাতন করা হয় বলেও এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। এজাহারে আরও বলা হয়েছে, নির্যাতনের একপর্যায়ে ভুক্তভোগী অসুস্থ হয়ে পড়লে অভিযুক্তরা তাকে বাসায় একা ফেলে

রাবি অধ্যাপকের বিরুদ্ধে ধর্ষণচেষ্টার মামলা

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) এগ্রোনমি অ্যান্ড অ্যাগ্রিকালচার এক্সটেনশন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো. দুলাল আলী মোল্লার বিরুদ্ধে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মামলা করেছেন এক নারী। গত ৪ জানুয়ারি রাজশাহীর চন্দ্রিমা থানায় মামলাটি করেন ভুক্তভোগী নারী। 

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী নারীর সঙ্গে ২০২১ সাল থেকে ওই শিক্ষকের পরিচয় ও প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সম্পর্কের এক পর্যায়ে উভয় পরিবারের মধ্যে বিয়ের কথাবার্তাও চলে। গত ২৭ ডিসেম্বর রাত আনুমানিক ৮-৯টার দিকে অভিযুক্ত শিক্ষক তার মায়ের অসুস্থতার কথা বলে ওই নারীকে চন্দ্রিমা থানাধীন পদ্মা আবাসিক এলাকায় তার ভাড়া বাসায় নিয়ে যান।

ভুক্তভোগীর অভিযোগ, বাসায় কেউ না থাকার সুযোগে তাকে আটকে রেখে বারবার ধর্ষণ করার চেষ্টা করে। পরদিন (২৮ ডিসেম্বর) ভোরে অভিযুক্ত শিক্ষক কৌশলে বাসা থেকে পালিয়ে যান এবং পরে জনৈক এক নারীকে ‘বউ’ সাজিয়ে এবং আরও তিন সহযোগীসহ বাসায় ফিরে আসেন। সেখানে ভুক্তভোগীকে মারধর ও শারীরিক-মানসিকভাবে নির্যাতন করা হয় বলেও এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

এজাহারে আরও বলা হয়েছে, নির্যাতনের একপর্যায়ে ভুক্তভোগী অসুস্থ হয়ে পড়লে অভিযুক্তরা তাকে বাসায় একা ফেলে এবং গ্যাস-পানি বন্ধ করে দিয়ে চলে যায়। পরে পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করেন।

এ বিষয়ে ভুক্তভোগী নারী বলেন, আমি থানায় মামলা করেছি। বিশ্ববিদ্যালয়ে বিষয়টি জানানো হয়েছে। তবে সমাধানের জন্য উভয়পক্ষের মধ্যে যোগাযোগ শুরু হয়েছে। আমার মুরুব্বিরা সমাধানের চেষ্টা করছেন। 

অভিযুক্ত অধ্যাপক দুলাল আলী মোল্লার মোবাইলে একাধিকবার কল দিয়েও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। তার মোবাইলটি বন্ধ আছে।

এ বিষয়ে এগ্রোনমি অ্যান্ড অ্যাগ্রিকালচার এক্সটেনশন বিভাগের সভাপতি ড. মো. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, আমরা বিষয়টি মুখে মুখে শুনেছি তবে থানা বা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আমাদের কিছু জানানো হয়নি। উনি অসুস্থতার জন্য ১ মাসের ছুটি নিয়েছেন। বর্তমানে তিনি বিভাগে আসেন না।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মাহবুবর রহমান বলেন, বিষয়টি আমি শুনেছি। ভুক্তভোগী নারী মৌখিকভাবে জানিয়েছেন তবে তিনি লিখিত কোনো অভিযোগ করেনি। যেহেতু তিনি লিখিত অভিযোগ করেনি এজন্য বিশ্বিবদ্যালয় থেকে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। 

এ বিষয়ে চন্দ্রিমা থানার ওসি মো. এমরান হোসেন বলেন, বিষয়টি তদন্তাধীন। অভিযুক্ত এখন পলাতক। আমরা এখনো তাকে ধরতে পারিনি।
 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow