রামিসার বাসায় বিএনপির নারী ও শিশু অধিকার ফোরাম
রাজধানীর পল্লবীতে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় নিহত ৮ বছর বয়সী শিশু রামিসা আক্তারের বাসায় গিয়ে পরিবারের সঙ্গে কথা বলেছেন বিএনপির নারী ও শিশু অধিকার ফোরামের নেত্রীরা। শুক্রবার (২২ মে) বেলা ১১টার দিকে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য, নারী ও শিশু অধিকার ফোরামের আহ্বায়ক বেগম সেলিমা রহমান এমপি এবং সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট নিপুন রায় চৌধুরী এমপির নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল বাসায় যায়। এ সময় তারা পরিবারের সবার সঙ্গে কথা বলেন ও ফোরামের পক্ষ থেকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন। আগামী দিনে পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দেন তারা। পরে সেলিমা রহমান সাংবাদিকদের বলেন, বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রামিসা হত্যার বিচারের দায়িত্ব নিয়েছেন। রাষ্ট্র যখন বিচারে দায়িত্ব নিয়েছে, আশা করি খুব দ্রুতই এই হত্যাকাণ্ডের বিচার হবে। জনগণের মধ্যে আস্থা ফিরে আসবে। রামিসার পরিবারকে নিপুণ রায় চৌধুরী বলেন, এই বাংলাদেশে মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা হবে। ন্যায়বিচার ও সুশাসন নিশ্চিত করা হবে। আমরা সবাই যেন এই বাংলাদেশে নিরাপদ থাকতে পারি। এই দায়িত্ব সরকারের, তেমনি এখানে জনগণের দায়িত্ব আছে অনেক। তিনি বলেন, রামিসা হত্যাকাণ্ডের বিচার আপনা
রাজধানীর পল্লবীতে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় নিহত ৮ বছর বয়সী শিশু রামিসা আক্তারের বাসায় গিয়ে পরিবারের সঙ্গে কথা বলেছেন বিএনপির নারী ও শিশু অধিকার ফোরামের নেত্রীরা।
শুক্রবার (২২ মে) বেলা ১১টার দিকে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য, নারী ও শিশু অধিকার ফোরামের আহ্বায়ক বেগম সেলিমা রহমান এমপি এবং সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট নিপুন রায় চৌধুরী এমপির নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল বাসায় যায়।
এ সময় তারা পরিবারের সবার সঙ্গে কথা বলেন ও ফোরামের পক্ষ থেকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন। আগামী দিনে পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দেন তারা।
পরে সেলিমা রহমান সাংবাদিকদের বলেন, বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রামিসা হত্যার বিচারের দায়িত্ব নিয়েছেন। রাষ্ট্র যখন বিচারে দায়িত্ব নিয়েছে, আশা করি খুব দ্রুতই এই হত্যাকাণ্ডের বিচার হবে। জনগণের মধ্যে আস্থা ফিরে আসবে।
রামিসার পরিবারকে নিপুণ রায় চৌধুরী বলেন, এই বাংলাদেশে মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা হবে। ন্যায়বিচার ও সুশাসন নিশ্চিত করা হবে। আমরা সবাই যেন এই বাংলাদেশে নিরাপদ থাকতে পারি। এই দায়িত্ব সরকারের, তেমনি এখানে জনগণের দায়িত্ব আছে অনেক।
তিনি বলেন, রামিসা হত্যাকাণ্ডের বিচার আপনারা দেখবেন। রামিসা হয়তো ফিরে আসবে না। কিন্তু রামিসা হত্যার বিচারকে কেন্দ্র করে ছোট ছোট শিশুদের জীবন রক্ষা পাবে।
উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার সকালে মিরপুরের পল্লবীতে একটি ফ্ল্যাট বাসার খাটের নিচ থেকে রামিসার মস্তকবিহীন দেহ এবং পরে বাথরুম থেকে খণ্ডিত মাথা উদ্ধার করে পুলিশ। এই ঘটনায় পল্লবী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়।
পুলিশ প্রথমে প্রধান আসামি সোহেল রানার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আটক করে। পরবর্তীকালে মূল অভিযুক্ত সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারের পর রামিসাকে ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার কথা স্বীকার করে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে সোহেল রানা।
What's Your Reaction?