রাশিয়ায় শ্রম উইং নিয়ে প্রকাশিত কালবেলার সংবাদের প্রতিবাদ দূতাবাসের

রাশিয়ার মস্কোস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসের শ্রম উইংয়ের প্রথম সচিবকে নিয়ে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছে দূতাবাস। দূতাবাসের পক্ষ থেকে ১৯ জুন জারি করা এক প্রতিবাদলিপিতে বলা হয়, ১৮ জুন দৈনিক কালবেলায় প্রকাশিত ‘ঘুষ বাণিজ্য-ক্ষমতার অপব্যবহার, প্রবাসীদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেন প্রথম সচিব’ শীর্ষক প্রতিবেদনটি একটি কথিত অভিযোগপত্রের ভিত্তিতে প্রকাশ করা হয়েছে, যার বিষয়ে দূতাবাস অবগত নয়। এতে উল্লেখ করা হয়, সংশ্লিষ্ট অভিযোগ মন্ত্রণালয়ে জমা দেওয়া হয়ে থাকলেও তা তদন্ত কিংবা প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত ছাড়াই সংবাদ হিসেবে প্রকাশ করা হয়েছে, যা সকল নীতিমালার পরিপন্থী। প্রথম সচিবের বিরুদ্ধে কোনো সুনির্দিষ্ট প্রমাণ দূতাবাসের কাছে উপস্থাপন করা হয়নি বলেও দাবি করা হয়। এতে আরও বলা হয়, প্রথম সচিবের পদায়নের ক্ষেত্রে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা আসিফ নজরুলকে উৎকোচ প্রদান করার যে অভিযোগ আনা হয়েছে তা ‘হাস্যকর’। অতীতেও তার সরকারি চাকরিতে নিয়োগ নিয়ে একই নাম ও ব্যাচের অন্য এক কর্মকর্তাকে ব্যবহার করে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোর চেষ্টা হয়েছিল বলে দাবি করা হয়েছে। দূতাবাসের ভাষ্য অনুযায়ী, দূতাবাসে কোনো ধরনের আবেদন বা চাহিদাপত্

রাশিয়ায় শ্রম উইং নিয়ে প্রকাশিত কালবেলার সংবাদের প্রতিবাদ দূতাবাসের

রাশিয়ার মস্কোস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসের শ্রম উইংয়ের প্রথম সচিবকে নিয়ে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছে দূতাবাস।

দূতাবাসের পক্ষ থেকে ১৯ জুন জারি করা এক প্রতিবাদলিপিতে বলা হয়, ১৮ জুন দৈনিক কালবেলায় প্রকাশিত ‘ঘুষ বাণিজ্য-ক্ষমতার অপব্যবহার, প্রবাসীদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেন প্রথম সচিব’ শীর্ষক প্রতিবেদনটি একটি কথিত অভিযোগপত্রের ভিত্তিতে প্রকাশ করা হয়েছে, যার বিষয়ে দূতাবাস অবগত নয়।

এতে উল্লেখ করা হয়, সংশ্লিষ্ট অভিযোগ মন্ত্রণালয়ে জমা দেওয়া হয়ে থাকলেও তা তদন্ত কিংবা প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত ছাড়াই সংবাদ হিসেবে প্রকাশ করা হয়েছে, যা সকল নীতিমালার পরিপন্থী। প্রথম সচিবের বিরুদ্ধে কোনো সুনির্দিষ্ট প্রমাণ দূতাবাসের কাছে উপস্থাপন করা হয়নি বলেও দাবি করা হয়।

এতে আরও বলা হয়, প্রথম সচিবের পদায়নের ক্ষেত্রে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা আসিফ নজরুলকে উৎকোচ প্রদান করার যে অভিযোগ আনা হয়েছে তা ‘হাস্যকর’। অতীতেও তার সরকারি চাকরিতে নিয়োগ নিয়ে একই নাম ও ব্যাচের অন্য এক কর্মকর্তাকে ব্যবহার করে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোর চেষ্টা হয়েছিল বলে দাবি করা হয়েছে।

দূতাবাসের ভাষ্য অনুযায়ী, দূতাবাসে কোনো ধরনের আবেদন বা চাহিদাপত্র অনুমোদনের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রদূতের আনুষ্ঠানিক অনুমোদন প্রয়োজন হয়। ফলে ঘুষ বা দামী উপহারের বিনিময়ে আবেদন অনুমোদনের অভিযোগের কোনো ভিত্তি নেই।

দূতাবাসের দাবি, রাষ্ট্রদূতের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা সততা ও দক্ষতার সঙ্গে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সেবা দিয়ে আসছেন। মন্ত্রণালয়ের কোনো দাপ্তরিক সিদ্ধান্ত বা আনুষ্ঠানিক বার্তা ছাড়াই শুধুমাত্র একটি অভিযোগপত্রের ভিত্তিতে সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে, যা অনাকাঙ্ক্ষিত।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow