রাষ্ট্রপতি হওয়ার বাসনা আমার নেই, কালবেলাকে আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাতে দেশের বইপড়া কর্মসূচির বিষয়ে শুধুমাত্র আলাপ হয়েছে বলে কালবেলাকে জানিয়েছেন বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ। সেই সঙ্গে স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন, রাজনীতিতে জড়ানো কিংবা রাষ্ট্রপতি হওয়ার কোনো বাসনাই তার নেই। গত বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও শিক্ষাবিদ অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ। সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। সাক্ষাতের একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর অনেকেই বলতে থাকেন, প্রথিতযশা এই শিক্ষাবিদকে পরবর্তী রাষ্ট্রপতি করতে পারে বিএনপি। কিন্তু এই আলোচনায় রীতিমতো জল ঢেলে দিয়ে কালবেলাকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে ৮৬ বছর বয়সী আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ বললেন, ‘আমি কোনো ব্যক্তিগত আলোচনায় কোথাও যাইনি। সুতরাং এখানে সেটা হবে না। আমার কোনো ব্যক্তিগত বিষয় না। দেশের কালচার কী হতে পারে, পড়াশোনা কী হতে পারে... এসব নিয়ে আলোচনা হয়েছে।’ আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ বলেন, ‘বইপড়া কী করে ছড়িয়ে দেওয়া যায়, আবৃত্তি, নাটক, গান কীভা
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাতে দেশের বইপড়া কর্মসূচির বিষয়ে শুধুমাত্র আলাপ হয়েছে বলে কালবেলাকে জানিয়েছেন বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ। সেই সঙ্গে স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন, রাজনীতিতে জড়ানো কিংবা রাষ্ট্রপতি হওয়ার কোনো বাসনাই তার নেই।
গত বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও শিক্ষাবিদ অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ। সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
সাক্ষাতের একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর অনেকেই বলতে থাকেন, প্রথিতযশা এই শিক্ষাবিদকে পরবর্তী রাষ্ট্রপতি করতে পারে বিএনপি।
কিন্তু এই আলোচনায় রীতিমতো জল ঢেলে দিয়ে কালবেলাকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে ৮৬ বছর বয়সী আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ বললেন, ‘আমি কোনো ব্যক্তিগত আলোচনায় কোথাও যাইনি। সুতরাং এখানে সেটা হবে না। আমার কোনো ব্যক্তিগত বিষয় না। দেশের কালচার কী হতে পারে, পড়াশোনা কী হতে পারে... এসব নিয়ে আলোচনা হয়েছে।’
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ বলেন, ‘বইপড়া কী করে ছড়িয়ে দেওয়া যায়, আবৃত্তি, নাটক, গান কীভাবে ছড়িয়ে দেওয়া যায়। আরও অনেক রকম ব্যাপার আছে, যেগুলো সিলেবাস কাভার করে না। প্রাইমারির ছেলেমেয়েদের কীভাবে বইপড়ার মধ্যে আনা যায়—এসব নিয়ে আলোচনা হয়েছে।’
রাষ্ট্রপতি হওয়ার প্রস্তাব পেলে গ্রহণ করবেন কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে হাসতে হাসতে বলেন, ‘আমরা তো ব্রাহ্মণ, ক্ষত্রিয় হবো কী করে!’
হাসি থামিয়ে এরপর বলেন, ‘আমরা তো এসবের ভেতর যেতে পারি না। জীবনে বড় কিছুকেই সবসময় খুঁজি।’
What's Your Reaction?