রাষ্ট্রের প্রতিটি স্তরে জবাবদিহিতার সংস্কৃতি গড়ার প্রতিশ্রুতি জামায়াত আমিরের
ক্ষমতায় গেলে রাষ্ট্রের প্রতিটি স্তরে জবাবদিহিতার সংস্কৃতি গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। এ সময় দেশের সরকার ডিজিটাল রেকর্ড ব্যবস্থার মাধ্যমে চালানোরও ঘোষণা দেন তিনি। বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ২টা ৫০ মিনিটে নিজের ভেরিফায়েড পেজে দেওয়া এক পোস্টে এমন প্রতিশ্রুতি দেন জামায়াত আমির। ফেসবুক পোস্টে তিনি বলেন, আমাদের সরকার হবে জনগণের নিকট দায়বদ্ধ। যুগ যুগ ধরে এ দেশে জবাবদিহিতা ছাড়াই দেশ শাসন করা হয়েছে। দেশের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত হয়েছে পর্দার আড়াল থেকে। ক্ষমতাসীনদের দুর্নীতির পাহাড়কে গোপন করা হয়েছে চুপিসারে। আল্লাহর ইচ্ছায় ও জনগণের ভালোবাসায় আমরা যদি সেবা করার সুযোগ পাই, আমাদের মন্ত্রী, সংসদ সদস্য এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা তাদের সম্পদের হিসাব জনসম্মুখে প্রকাশ করতে বাধ্য থাকবেন। তাদেরকে নিয়মিত জনগণের মুখোমুখি হতে হবে এবং প্রতিটি সিদ্ধান্তের জন্য জবাবদিহি করতে হবে। প্রতিটি স্তরে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করে তিনি বলেন, আমাদের সরকার চলবে স্বচ্ছতা এবং ডিজিটাল রেকর্ড ব্যবস্থার মাধ্যমে, যেখানে প্রতিটি স্তরে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা
ক্ষমতায় গেলে রাষ্ট্রের প্রতিটি স্তরে জবাবদিহিতার সংস্কৃতি গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। এ সময় দেশের সরকার ডিজিটাল রেকর্ড ব্যবস্থার মাধ্যমে চালানোরও ঘোষণা দেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ২টা ৫০ মিনিটে নিজের ভেরিফায়েড পেজে দেওয়া এক পোস্টে এমন প্রতিশ্রুতি দেন জামায়াত আমির।
ফেসবুক পোস্টে তিনি বলেন, আমাদের সরকার হবে জনগণের নিকট দায়বদ্ধ। যুগ যুগ ধরে এ দেশে জবাবদিহিতা ছাড়াই দেশ শাসন করা হয়েছে। দেশের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত হয়েছে পর্দার আড়াল থেকে। ক্ষমতাসীনদের দুর্নীতির পাহাড়কে গোপন করা হয়েছে চুপিসারে। আল্লাহর ইচ্ছায় ও জনগণের ভালোবাসায় আমরা যদি সেবা করার সুযোগ পাই, আমাদের মন্ত্রী, সংসদ সদস্য এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা তাদের সম্পদের হিসাব জনসম্মুখে প্রকাশ করতে বাধ্য থাকবেন। তাদেরকে নিয়মিত জনগণের মুখোমুখি হতে হবে এবং প্রতিটি সিদ্ধান্তের জন্য জবাবদিহি করতে হবে।
প্রতিটি স্তরে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করে তিনি বলেন, আমাদের সরকার চলবে স্বচ্ছতা এবং ডিজিটাল রেকর্ড ব্যবস্থার মাধ্যমে, যেখানে প্রতিটি স্তরে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা হবে। সরকারি কাজ, ব্যয় এবং সেবা প্রদানের প্রতিটি ধাপ নাগরিকরা সরাসরি (রিয়েল-টাইম) পর্যবেক্ষণ করতে পারবেন। জনগণের থেকে লুকিয়ে রাখার এই সংস্কৃতির চিরস্থায়ী অবসান ঘটবে। ইনশাআল্লাহ।
What's Your Reaction?