রিকশাচালককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগে ভবন ঘেরাও
রাজধানীর উত্তরায় এক রিকশাচালককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগে চরম উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। ঘটনাস্থলে বিক্ষুব্ধ রিকশা ও অটো রিকশা চালকরা সড়ক অবরোধ করে হট্টগোল শুরু করে। শনিবার (১৫ মার্চ) রাত সাড়ে ১২টার দিকে উত্তরায় স্কয়ার গ্রুপের একটি বাণিজ্যিক ভবনের সামনে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে জানা গেছে, শনিবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে ভবনের নিরাপত্তা প্রহরীর সঙ্গে এক রিকশাচালকের বাকবিতণ্ডা মারামারিতে রূপ নেয়। বিষয়টি দ্রুত অন্যান্য রিকশাচালকদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়লে উত্তেজিত জনতা সড়ক অবরোধের পাশাপাশি ভবনে ভাঙচুরের চেষ্টা করে। পরে নিরাপত্তা ও ব্যবসায়িক কার্যক্রম ব্যাহত না করার জন্য পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, নিহত রিকশাচালককে ভবনের ভেতরে লুকিয়ে রাখা হয়েছে বলে গুজব ছড়ায়। এতে উপস্থিত জনতা আরও বিক্ষুব্ধ হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে। রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত সড়ক অবরোধ প্রত্যাহার করা যায়নি। পুলিশ জানায়, ঘটনার সত্যতা যাচাই ও জড়িতদের শনাক্তের জন্য তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। এছাড়াও পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত আইনশৃঙ্খ
রাজধানীর উত্তরায় এক রিকশাচালককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগে চরম উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। ঘটনাস্থলে বিক্ষুব্ধ রিকশা ও অটো রিকশা চালকরা সড়ক অবরোধ করে হট্টগোল শুরু করে।
শনিবার (১৫ মার্চ) রাত সাড়ে ১২টার দিকে উত্তরায় স্কয়ার গ্রুপের একটি বাণিজ্যিক ভবনের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে জানা গেছে, শনিবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে ভবনের নিরাপত্তা প্রহরীর সঙ্গে এক রিকশাচালকের বাকবিতণ্ডা মারামারিতে রূপ নেয়। বিষয়টি দ্রুত অন্যান্য রিকশাচালকদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়লে উত্তেজিত জনতা সড়ক অবরোধের পাশাপাশি ভবনে ভাঙচুরের চেষ্টা করে। পরে নিরাপত্তা ও ব্যবসায়িক কার্যক্রম ব্যাহত না করার জন্য পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, নিহত রিকশাচালককে ভবনের ভেতরে লুকিয়ে রাখা হয়েছে বলে গুজব ছড়ায়। এতে উপস্থিত জনতা আরও বিক্ষুব্ধ হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে। রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত সড়ক অবরোধ প্রত্যাহার করা যায়নি।
পুলিশ জানায়, ঘটনার সত্যতা যাচাই ও জড়িতদের শনাক্তের জন্য তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। এছাড়াও পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এলাকায় সতর্ক অবস্থানে থাকবে।
What's Your Reaction?