রিজার্ভ চুরির প্রতিবেদন জমার তারিখ পেছালো ৯২ বার

বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির বহুল আলোচিত মামলার তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করা হয়নি। তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে ব্যর্থ হওয়ায় মামলাটির শুনানির তারিখ ফের পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। এ নিয়ে ৯২ বারের মতো তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের সময় বাড়ানো হলো। মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আজ দিন ধার্য ছিল। তবে মামলাটির তদন্তকারী সংস্থা পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) নির্ধারিত সময়ে প্রতিবেদন আদালতে জমা দিতে পারেনি। এ কারণে ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলাম আগামী ১৮ ফেব্রুয়ারি নতুন তারিখ নির্ধারণ করেন। সংশ্লিষ্ট আদালত ও ঢাকা মহানগর পুলিশের প্রসিকিউশন বিভাগের সূত্রে এ তথ্য জানা যায়। ২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ থেকে ১০ কোটি ১০ লাখ মার্কিন ডলার চুরি হয়। প্রতারণার মাধ্যমে সুইফট পেমেন্ট ব্যবস্থায় ভুয়া বার্তা পাঠিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক অব নিউইয়র্কে থাকা বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাবে রক্ষিত এই অর্থ হাতিয়ে নেওয়া হয়। ঘটনার ৩৯ দিন পর বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে রাজধানীর মতিঝিল থানায় মামলা করা হয়। মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে দায়ের কর

রিজার্ভ চুরির প্রতিবেদন জমার তারিখ পেছালো ৯২ বার

বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির বহুল আলোচিত মামলার তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করা হয়নি। তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে ব্যর্থ হওয়ায় মামলাটির শুনানির তারিখ ফের পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। এ নিয়ে ৯২ বারের মতো তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের সময় বাড়ানো হলো।

মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আজ দিন ধার্য ছিল। তবে মামলাটির তদন্তকারী সংস্থা পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) নির্ধারিত সময়ে প্রতিবেদন আদালতে জমা দিতে পারেনি। এ কারণে ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলাম আগামী ১৮ ফেব্রুয়ারি নতুন তারিখ নির্ধারণ করেন।

সংশ্লিষ্ট আদালত ও ঢাকা মহানগর পুলিশের প্রসিকিউশন বিভাগের সূত্রে এ তথ্য জানা যায়।

২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ থেকে ১০ কোটি ১০ লাখ মার্কিন ডলার চুরি হয়। প্রতারণার মাধ্যমে সুইফট পেমেন্ট ব্যবস্থায় ভুয়া বার্তা পাঠিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক অব নিউইয়র্কে থাকা বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাবে রক্ষিত এই অর্থ হাতিয়ে নেওয়া হয়।

ঘটনার ৩৯ দিন পর বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে রাজধানীর মতিঝিল থানায় মামলা করা হয়। মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে দায়ের করা এ মামলার তদন্তের দায়িত্ব শুরু থেকেই সিআইডির ওপর ন্যস্ত রয়েছে।

সিআইডির তথ্য অনুযায়ী, চুরি হওয়া অর্থের একটি অংশ ইতোমধ্যে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। শ্রীলঙ্কা থেকে ফেরত এসেছে ২ কোটি ডলার।

ফিলিপাইনের রিজাল কমার্শিয়াল ব্যাংকিং করপোরেশন (আরসিবিসি) থেকে পাওয়া গেছে মাত্র ৬৮ হাজার ডলার। পাশাপাশি অন্যান্য উদ্যোগের মাধ্যমে প্রায় ১ কোটি ৪০ লাখ ডলার উদ্ধার করা হয়। এ ছাড়া আরসিবিসিতে থাকা ৮ কোটি ১০ লাখ ডলার বাজেয়াপ্ত করে ফেরত আনার বিষয়ে সম্প্রতি ঢাকার একটি আদালত আদেশ দিয়েছেন।

এমডিএএ/এসএনআর/জেআইএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow