রিয়ালের নতুন তারকাকেই ‘রদ্রি’ বানাচ্ছেন মরিনহো
দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে সবচেয়ে বড় নীতিগত সংকটে পড়েছেন হোসে মরিনহো। দীর্ঘদিন ধরে একজন সৃজনশীল মিডফিল্ডারের জন্য আবেদন জানিয়েও শেষ পর্যন্ত ফাঁকা হাতেই থাকতে হচ্ছে তাকে। পরিস্থিতি বাধ্য করছে দলের ভেতরের ফুটবলারদের দিয়েই ছক কষতে। স্প্যানিশ দৈনিক ‘মুন্দো দেপোর্তিভো’ বরাত ক্রীড়াভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গোলডটকম জানিয়েছে, আর্সেনাল ও ম্যানচেস্টার সিটির সাবেক তারকা রদ্রি ছিলেন দ্য স্পেশাল ওয়ানের প্রথম পছন্দ। সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে রদ্রির আসার সম্ভাবনাও জেগেছিল বেশ ভালোভাবেই। তবে মাদ্রিদে জন্ম নেওয়া এই স্প্যানিশ তারকা রিয়ালকে না বলে যোগ দেন চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী বার্সেলোনায়। ফলে দল গঠনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সেই খেলোয়াড়কে ছাড়াই পরিকল্পনা সাজাতে হচ্ছে মরিনহোকে। রদ্রি পর্বের চ্যাপ্টার ক্লোজ হওয়ার পর ক্লাব কর্তৃপক্ষ পর্তুগিজ কোচকে পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছে, দল থেকে নতুন কেউ বাদ না পড়লে নতুন কোনো চুক্তি সম্ভব নয়। মাঝমাঠে পর্যাপ্ত মানসম্পন্ন ফুটবলার রয়েছে বলেও মনে করছে রিয়াল বোর্ড। বাস্তবতার মুখোমুখি হয়ে প্রাক-মৌসুম প্রস্তুতিতেই পরীক্ষা-নিরীক্ষা শুরু করেছেন মরিনহো। চার রক্ষণের সামনে জোড়া ড
দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে সবচেয়ে বড় নীতিগত সংকটে পড়েছেন হোসে মরিনহো। দীর্ঘদিন ধরে একজন সৃজনশীল মিডফিল্ডারের জন্য আবেদন জানিয়েও শেষ পর্যন্ত ফাঁকা হাতেই থাকতে হচ্ছে তাকে। পরিস্থিতি বাধ্য করছে দলের ভেতরের ফুটবলারদের দিয়েই ছক কষতে।
স্প্যানিশ দৈনিক ‘মুন্দো দেপোর্তিভো’ বরাত ক্রীড়াভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গোলডটকম জানিয়েছে, আর্সেনাল ও ম্যানচেস্টার সিটির সাবেক তারকা রদ্রি ছিলেন দ্য স্পেশাল ওয়ানের প্রথম পছন্দ। সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে রদ্রির আসার সম্ভাবনাও জেগেছিল বেশ ভালোভাবেই। তবে মাদ্রিদে জন্ম নেওয়া এই স্প্যানিশ তারকা রিয়ালকে না বলে যোগ দেন চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী বার্সেলোনায়। ফলে দল গঠনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সেই খেলোয়াড়কে ছাড়াই পরিকল্পনা সাজাতে হচ্ছে মরিনহোকে।
রদ্রি পর্বের চ্যাপ্টার ক্লোজ হওয়ার পর ক্লাব কর্তৃপক্ষ পর্তুগিজ কোচকে পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছে, দল থেকে নতুন কেউ বাদ না পড়লে নতুন কোনো চুক্তি সম্ভব নয়। মাঝমাঠে পর্যাপ্ত মানসম্পন্ন ফুটবলার রয়েছে বলেও মনে করছে রিয়াল বোর্ড।
বাস্তবতার মুখোমুখি হয়ে প্রাক-মৌসুম প্রস্তুতিতেই পরীক্ষা-নিরীক্ষা শুরু করেছেন মরিনহো। চার রক্ষণের সামনে জোড়া ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার রেখে ৪-২-৩-১ ফরমেশনে ছক সাজাচ্ছেন তিনি। শালকের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচে ফেদেরিকো ভালভার্দেকে রক্ষণের আস্থার প্রতীক হিসেবে পরখ করে নেওয়া হয়েছে। আর এই ডিফেন্সিভ দায়িত্বে অরেলিয়েন চুয়েমেনি বা এদুয়ার্দো কামাভিঙ্গার উপস্থিতি একপ্রকার নিশ্চিত।
কিন্তু মূল ধোঁয়াশা দ্বিতীয় পজিশনটি নিয়ে। রক্ষণের নিচ থেকে আক্রমণের সূচনা করতে পারেন—এমন একজন কুশলী মিডফিল্ডারই চাইছেন রিয়াল বস।
তরুণ আর্দা গুলেরকে এই পজিশনে কয়েকবার সুযোগ দেওয়া হলেও সবচেয়ে বেশি এগিয়ে আছেন ম্যানচেস্টার সিটি থেকে সদ্য দলে যোগ দেওয়া বার্নার্ডো সিলভা। প্রাক-মৌসুম ম্যাচগুলোতে তিনি দেখিয়ে দিয়েছেন, রক্ষণের চাপ সামলে কীভাবে আক্রমণ ভাগকে সচল রাখতে হয়।
কেবল সেন্ট্রাল মিডফিল্ডেই সীমাবদ্ধ ছিলেন না সিলভা। রাইট উইং ও ‘নাম্বার টেন’ পজিশনেও সমান দক্ষতা দেখিয়েছেন তিনি। দলবদলের শেষ মুহূর্তে বড় কোনো অঘটন না ঘটলে, এসপানিওলের বিপক্ষে লা লিগার প্রথম ম্যাচে মাঝমাঠ সামলানোর ভার সিলভার ওপরই পড়তে যাচ্ছে।
What's Your Reaction?