রিহ্যাব নির্বাচনে ভোট পড়লো ৮৫%, চলছে গণনা
আবাসন ব্যবসায়ীদের সংগঠন রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (রিহ্যাব) পরিচালনা পর্ষদ নির্বাচনে ভোটগ্রহণ শেষে এখন চলছে গণনা। শনিবার (১৮ এপ্রিল) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল ঢাকায় অনুষ্ঠিত এ নির্বাচনে প্রায় ৮৫ শতাংশ ভোট পড়েছে। সকাল ১০টায় ভোটগ্রহণ শুরু হওয়ার কথা থাকলেও সিসিটিভি ক্যামেরা-সংক্রান্ত ত্রুটির কারণে তা ৪০ মিনিট দেরিতে শুরু হয়। পরে টানা বিকেল ৪টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত চলে। এরপর স্বল্প বিরতি দিয়ে শুরু হয় গণনা। দীর্ঘদিন পর প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ এ নির্বাচন ঘিরে আবাসন খাতে ব্যাপক আগ্রহ ও উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হয়েছে। ২৯টি পদের বিপরীতে ৭৭ প্রার্থীর অংশগ্রহণে নির্বাচন বেশ জমে উঠেছে। এখন সবার নজর ফলাফলের দিকে- কে আসছেন নতুন নেতৃত্বে, সেটিই দেখার অপেক্ষা। নির্বাচনে মোট ভোটার ছিলেন ৬৭৪ জন। এর মধ্যে ঢাকার ৬১৩ ভোটারের মধ্যে ৫১২ জন ভোট দিয়েছেন। অন্যদিকে, চট্টগ্রামের ৬১ ভোটারের মধ্যে ৫৮ জন ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। সব মিলিয়ে ভোটের হার দাঁড়িয়েছে প্রায় ৮৫ শতাংশ। নির্বাচনে সভাপতি, ছয়টি সহ-সভাপতি, ১৯টি পরিচালকসহ মোট ২৯টি পদে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। এতে তিনটি প্যানেলের মধ্যে মূল প্র
আবাসন ব্যবসায়ীদের সংগঠন রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (রিহ্যাব) পরিচালনা পর্ষদ নির্বাচনে ভোটগ্রহণ শেষে এখন চলছে গণনা।
শনিবার (১৮ এপ্রিল) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল ঢাকায় অনুষ্ঠিত এ নির্বাচনে প্রায় ৮৫ শতাংশ ভোট পড়েছে। সকাল ১০টায় ভোটগ্রহণ শুরু হওয়ার কথা থাকলেও সিসিটিভি ক্যামেরা-সংক্রান্ত ত্রুটির কারণে তা ৪০ মিনিট দেরিতে শুরু হয়। পরে টানা বিকেল ৪টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত চলে। এরপর স্বল্প বিরতি দিয়ে শুরু হয় গণনা।
দীর্ঘদিন পর প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ এ নির্বাচন ঘিরে আবাসন খাতে ব্যাপক আগ্রহ ও উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হয়েছে। ২৯টি পদের বিপরীতে ৭৭ প্রার্থীর অংশগ্রহণে নির্বাচন বেশ জমে উঠেছে। এখন সবার নজর ফলাফলের দিকে- কে আসছেন নতুন নেতৃত্বে, সেটিই দেখার অপেক্ষা।
নির্বাচনে মোট ভোটার ছিলেন ৬৭৪ জন। এর মধ্যে ঢাকার ৬১৩ ভোটারের মধ্যে ৫১২ জন ভোট দিয়েছেন। অন্যদিকে, চট্টগ্রামের ৬১ ভোটারের মধ্যে ৫৮ জন ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। সব মিলিয়ে ভোটের হার দাঁড়িয়েছে প্রায় ৮৫ শতাংশ।
নির্বাচনে সভাপতি, ছয়টি সহ-সভাপতি, ১৯টি পরিচালকসহ মোট ২৯টি পদে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। এতে তিনটি প্যানেলের মধ্যে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হচ্ছে। এগুলো হলো- আবাসন ব্যবসায়ী ঐক্য পরিষদ, প্রগতিশীল আবাসন ব্যবসায়ী পরিষদ ও জাগরণ প্যানেল। এর মধ্যে ঐক্য পরিষদ ও প্রগতিশীল পূর্ণাঙ্গ প্যানেল দিলেও জাগরণ প্যানেল আংশিকভাবে অংশ নেয়। পাশাপাশি সভাপতি ও পরিচালক পদে কয়েকজন স্বতন্ত্র প্রার্থীও লড়াইয়ে আছেন, যা প্রতিযোগিতাকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।
সভাপতি পদে আবাসন ব্যবসায়ী ঐক্য পরিষদ থেকে বর্তমান সভাপতি মো. ওয়াহিদুজ্জামান, প্রগতিশীল প্যানেল থেকে গ্লোরিয়াস ল্যান্ডস অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টসের চেয়ারম্যান মো. আলী আফজাল ও জাগরণ প্যানেল থেকে সাবেক সভাপতি মোকাররম হোসেন খান প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
ভোটকেন্দ্রে সকাল থেকেই ভোটারদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। প্রার্থীরাও শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত ভোটারদের সমর্থন পেতে কেন্দ্র এলাকায় সক্রিয় ছিলেন।
সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী লিয়াকত আলী ভূঁইয়া বলেন, নির্মাণসামগ্রীর মূল্যবৃদ্ধি, উচ্চ সুদহার, ড্যাপ নীতিমালা ও ক্রয়ক্ষমতা কমে যাওয়ায় আবাসন খাত স্থবির হয়ে পড়েছে। বিজয়ী হলে এসব সমস্যার দ্রুত সমাধান এবং ড্যাপ সংশোধনে উদ্যোগ নেওয়া হবে।
প্রগতিশীল প্যানেলের প্রার্থী ড. হারুন অর রশিদ বলেন, আবাসন খাতের সমস্যা সমাধানে পাঁচ দফায় ১৫টি কর্মসূচি বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি উত্তরায় ট্রেনিং ইনস্টিটিউট ভবন নির্মাণ, ড্যাপ সংশোধন ও টিডিএস জটিলতা নিরসনে কাজ করা হবে।
খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এবারের নির্বাচন শুধু নেতৃত্ব নির্বাচনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি সংগঠনের ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনা নির্ধারণেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। কার্যকর নেতৃত্ব এলে আবাসন খাতে গতি ফিরবে এবং সদস্যদের স্বার্থ সুরক্ষায় ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।
উল্লেখ, রিহ্যাবে ২০১৪ সালের পর দীর্ঘ সময় সমঝোতার ভিত্তিতে কমিটি গঠন হলেও ২০২৪ সালে ভোটের মাধ্যমে নেতৃত্ব নির্বাচনের প্রক্রিয়া পুনরায় চালু হয়। সেই ধারাবাহিকতায় এবারও ভোটে নেতৃত্ব নির্বাচন করা হচ্ছে।
ইএআর/একিউএফ
What's Your Reaction?