রিয়ালের জালে বায়ার্নের এক হালি

উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগে কোয়ার্টার ফাইনাল পর্বের প্রথম লেগে রিয়াল মাদ্রিদের মাঠে ২-১ গোল ব্যবধানে জিতেছিল বায়ার্ন মিউনিখ। তাই দ্বিতীয় লেগে কোনোমতে হার এড়ানোর দরকার ছিল জার্মান জায়ান্টদের। কিন্তু স্প্যানিশ ক্লাবটিকে ৪-৩ গোল ব্যবধানে হারাল তারা। ফলে দুই লেগ মিলিয়ে ৬-৪ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে সেমিফাইনালে উঠলো বায়ার্ন। ম্যাচ শুরুর মাত্র ৩৫ সেকেন্ডের মাথায় বায়ার্ন গোলরক্ষক ম্যানুয়েল নয়্যারের এক মারাত্মক ভুলে গোল করে বসেন রিয়াল মাদ্রিদের আরদা গুলার। এটি চ্যাম্পিয়নস লিগের ইতিহাসে রিয়াল মাদ্রিদের দ্রুততম গোল। তবে এই লিড বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। ম্যাচের ষষ্ঠ মিনিটের মাথায় আলেকজান্ডার পাভলোভিচ গোল করে বায়ার্নকে ম্যাচে ফেরান। ম্যাচের ২৯তম মিনিটে আরদা গুলারের চমৎকার এক ফ্রিকিকে আবারও এগিয়ে যায় সফরকারীরা। আর ম্যাচের ৩৯তম মিনিটে হ্যারি কেনের গোলের মাধ্যমে বায়ার্ন ব্যবধান ২-২ করে। প্রথমার্ধের শেষ দিকে গোল করেন রিয়াল মাদ্রিদের ফরাসি তারকা কিলিয়ান এমবাপে। ফলে ম্যাচটিকে ৪-৪ অ্যাগ্রিগেটে নিয়ে আসে রিয়াল। দ্বিতীয়ার্ধের খেলায় দুদলই আক্রমণ আর পাল্টা আক্রমণ চালায়। কিন্তু সময় গড়ার সঙ্গে সঙ্গে আধিপত্য বিস্তার করত

রিয়ালের জালে বায়ার্নের এক হালি

উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগে কোয়ার্টার ফাইনাল পর্বের প্রথম লেগে রিয়াল মাদ্রিদের মাঠে ২-১ গোল ব্যবধানে জিতেছিল বায়ার্ন মিউনিখ। তাই দ্বিতীয় লেগে কোনোমতে হার এড়ানোর দরকার ছিল জার্মান জায়ান্টদের। কিন্তু স্প্যানিশ ক্লাবটিকে ৪-৩ গোল ব্যবধানে হারাল তারা। ফলে দুই লেগ মিলিয়ে ৬-৪ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে সেমিফাইনালে উঠলো বায়ার্ন।

ম্যাচ শুরুর মাত্র ৩৫ সেকেন্ডের মাথায় বায়ার্ন গোলরক্ষক ম্যানুয়েল নয়্যারের এক মারাত্মক ভুলে গোল করে বসেন রিয়াল মাদ্রিদের আরদা গুলার। এটি চ্যাম্পিয়নস লিগের ইতিহাসে রিয়াল মাদ্রিদের দ্রুততম গোল। তবে এই লিড বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। ম্যাচের ষষ্ঠ মিনিটের মাথায় আলেকজান্ডার পাভলোভিচ গোল করে বায়ার্নকে ম্যাচে ফেরান।

ম্যাচের ২৯তম মিনিটে আরদা গুলারের চমৎকার এক ফ্রিকিকে আবারও এগিয়ে যায় সফরকারীরা। আর ম্যাচের ৩৯তম মিনিটে হ্যারি কেনের গোলের মাধ্যমে বায়ার্ন ব্যবধান ২-২ করে। প্রথমার্ধের শেষ দিকে গোল করেন রিয়াল মাদ্রিদের ফরাসি তারকা কিলিয়ান এমবাপে। ফলে ম্যাচটিকে ৪-৪ অ্যাগ্রিগেটে নিয়ে আসে রিয়াল।

দ্বিতীয়ার্ধের খেলায় দুদলই আক্রমণ আর পাল্টা আক্রমণ চালায়। কিন্তু সময় গড়ার সঙ্গে সঙ্গে আধিপত্য বিস্তার করতে থাকে বায়ার্ন। একসময় মনে হচ্ছিল ৩-২ ব্যবধানে শেষ হবে ম্যাচ। কিন্তু ম্যাচের ৮৭ মিনিটে কামাভিঙ্গার লাল কার্ড রিয়ালকে ১০ জনের দলে পরিণত করে, যা ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয়।

৮৯তম মিনিটে লুইস দিয়াজ বায়ার্নের হয়ে তৃতীয় গোলটি করলে জয় সুনিশ্চিত মনে হচ্ছিল। তবে নাটকের তখনও বাকি ছিল। ইনজুরি টাইমের মাইকেল অলিস এক আরেক গোল করে বায়ার্নের সেমিফাইনাল টিকিট চূড়ান্ত করেন। শেষ পর্যন্ত ৪-৩ ব্যবধানে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে বায়ার্ন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow