রুয়েটে ক্লাসরুমে সিলিং ফ্যান পড়ে শিক্ষার্থী আহত
রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রুয়েট) ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের একটি ক্লাসরুমে সিলিং ফ্যান পড়ে মুশরাকুল আলম ফারহাদ নামের এক শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন।
শনিবার (২৮ মার্চ) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের (২৩ সিরিজ) ক্লাস চলাকালে এ দুর্ঘটনা ঘটে। পরে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সহায়তায় তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।
দীর্ঘ ছুটির পর ক্লাস শুরু এবং এ অবস্থাতেই ক্লাসরুমের সরঞ্জামগুলো ব্যবহার করা হচ্ছিল। তবে এ সময়ের মধ্যে সরঞ্জামাদি কোনো ধরনের পর্যবেক্ষণ বা তদারকির করা হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ফ্যানের নাটে মরিচা ধরার কারণে এ দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।
এ ঘটনার পর শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। তারা ক্লাসরুমসহ ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থাপনার নিয়মিত পর্যবেক্ষণ নিশ্চিত করার দাবি জানান, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের দুর্ঘটনা এড়ানো যায়।
এক শিক্ষার্থী বলেন, ফ্যানটি তার ঘাড়ে না পড়ে সরাসরি মাথায় পড়লে তার জীবন বিপন্ন হওয়ার আশঙ্কা ছিল। আল্লাহ তাকে বাঁচিয়ে দিয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের মত একটি শ্রেণিকক্ষে যদি এমন ঘটনা ঘটে তাহলে আমরা নির
রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রুয়েট) ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের একটি ক্লাসরুমে সিলিং ফ্যান পড়ে মুশরাকুল আলম ফারহাদ নামের এক শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন।
শনিবার (২৮ মার্চ) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের (২৩ সিরিজ) ক্লাস চলাকালে এ দুর্ঘটনা ঘটে। পরে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সহায়তায় তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।
দীর্ঘ ছুটির পর ক্লাস শুরু এবং এ অবস্থাতেই ক্লাসরুমের সরঞ্জামগুলো ব্যবহার করা হচ্ছিল। তবে এ সময়ের মধ্যে সরঞ্জামাদি কোনো ধরনের পর্যবেক্ষণ বা তদারকির করা হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ফ্যানের নাটে মরিচা ধরার কারণে এ দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।
এ ঘটনার পর শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। তারা ক্লাসরুমসহ ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থাপনার নিয়মিত পর্যবেক্ষণ নিশ্চিত করার দাবি জানান, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের দুর্ঘটনা এড়ানো যায়।
এক শিক্ষার্থী বলেন, ফ্যানটি তার ঘাড়ে না পড়ে সরাসরি মাথায় পড়লে তার জীবন বিপন্ন হওয়ার আশঙ্কা ছিল। আল্লাহ তাকে বাঁচিয়ে দিয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের মত একটি শ্রেণিকক্ষে যদি এমন ঘটনা ঘটে তাহলে আমরা নিরাপদ কোথায়?
ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ার হোসাইন বলেন, আমরা নিয়মিতভাবে ক্লাসরুমের সকল সরঞ্জামাদি পর্যবেক্ষণ করি। ফ্যানগুলো কিছুদিন আগেই স্থাপন করা হয়েছে। সম্ভবত নাটের কোনো সমস্যার কারণেই এমনটি ঘটেছে। ইতোমধ্যে আমরা সব কক্ষ পুনরায় পরীক্ষা করার কাজ শুরু করেছি।