রেফারিং নিয়ে কিছু বলবো না, সবাই দেখেছে
২০২৬ বিশ্বকাপের শেষ ষোলোতে আর্জেন্টিনার কাছে ৩-২ গোলে নাটকীয়ভাবে হেরে বিদায় নিয়েছে মিশর। ম্যাচের একপর্যায়ে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকেও শেষ পর্যন্ত হার মানতে হয়েছে আফ্রিকান দলটিকে। ম্যাচ শেষে রেফারিং নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করলেও সরাসরি সমালোচনা করতে চাননি মিশরের অধিনায়ক মোহাম্মদ সালাহ। মোহাম্মদ সালাহ বলেন, ‘রেফারিং নিয়ে আমি মন্তব্য করতে চাই না। কী হয়েছে, সেটা সবাই দেখেছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘সবার আগে বলবো, এটা আল্লাহর ইচ্ছা। ম্যাচের ভাগ্য এবং ফল এমনই ছিল। প্রথমার্ধে আমরা দুর্দান্ত খেলেছি, দ্বিতীয়ার্ধের বড় একটা সময়ও ভালো ছিলাম। কয়েকটি ছোট ভুল করেছি। রেফারিং নিয়ে আমি কিছু বলতে চাই না, সবাই দেখেছে কী হয়েছে।’ মিশর শিবিরের দাবি, দ্বিতীয়ার্ধে মোস্তাফা জিকোর একটি গোল ভিএআর দেখে বাতিল করা হয়। এছাড়া তাদের পক্ষে একটি পেনাল্টিও দেওয়া হয়নি। সেই প্রসঙ্গে সালাহ বলেন, ‘আমাদের একটি গোল বাতিল হয়েছে, একটি পেনাল্টিও পাইনি। এরপর তারা পাল্টা আক্রমণ থেকে গোল করেছে। কোচ আমাদের পারফরম্যান্সের প্রশংসা করেছেন। তিনি চেয়েছিলেন আমরা আরও অনেক দূর যাই। তবে এটাই আল্লাহর ইচ্ছা। এই বিশ্বকাপে যা অর্জন করেছি,
২০২৬ বিশ্বকাপের শেষ ষোলোতে আর্জেন্টিনার কাছে ৩-২ গোলে নাটকীয়ভাবে হেরে বিদায় নিয়েছে মিশর। ম্যাচের একপর্যায়ে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকেও শেষ পর্যন্ত হার মানতে হয়েছে আফ্রিকান দলটিকে। ম্যাচ শেষে রেফারিং নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করলেও সরাসরি সমালোচনা করতে চাননি মিশরের অধিনায়ক মোহাম্মদ সালাহ।
মোহাম্মদ সালাহ বলেন, ‘রেফারিং নিয়ে আমি মন্তব্য করতে চাই না। কী হয়েছে, সেটা সবাই দেখেছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘সবার আগে বলবো, এটা আল্লাহর ইচ্ছা। ম্যাচের ভাগ্য এবং ফল এমনই ছিল। প্রথমার্ধে আমরা দুর্দান্ত খেলেছি, দ্বিতীয়ার্ধের বড় একটা সময়ও ভালো ছিলাম। কয়েকটি ছোট ভুল করেছি। রেফারিং নিয়ে আমি কিছু বলতে চাই না, সবাই দেখেছে কী হয়েছে।’
মিশর শিবিরের দাবি, দ্বিতীয়ার্ধে মোস্তাফা জিকোর একটি গোল ভিএআর দেখে বাতিল করা হয়। এছাড়া তাদের পক্ষে একটি পেনাল্টিও দেওয়া হয়নি। সেই প্রসঙ্গে সালাহ বলেন, ‘আমাদের একটি গোল বাতিল হয়েছে, একটি পেনাল্টিও পাইনি। এরপর তারা পাল্টা আক্রমণ থেকে গোল করেছে। কোচ আমাদের পারফরম্যান্সের প্রশংসা করেছেন। তিনি চেয়েছিলেন আমরা আরও অনেক দূর যাই। তবে এটাই আল্লাহর ইচ্ছা। এই বিশ্বকাপে যা অর্জন করেছি, সেটার ওপর ভিত্তি করেই ভবিষ্যতের জন্য এগিয়ে যাবো।’
এই বিশ্বকাপে মিশরের পাঁচটি ম্যাচেই খেলেছেন ৩৪ বছর বয়সী সালাহ। দলের হয়ে করেছেন একটি গোল এবং দুটি অ্যাসিস্ট। এটি ছিল বিশ্বকাপে মিশরের ইতিহাসের সেরা অভিযান। তবে ৬৬ গোল নিয়ে দেশের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা সালাহর জন্য এটিই হয়তো শেষ বিশ্বকাপ।
বিদায়বেলায় সালাহ বলেন, ‘আমরা বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের বিপক্ষে খেলেছি এবং জানতাম এটি খুব কঠিন ম্যাচ হবে। আমরা দারুণ প্রস্তুতি নিয়েছিলাম, সেটি ম্যাচের শুরুতেই বোঝা গেছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত আল্লাহ আমাদের জন্য এটাই নির্ধারণ করে রেখেছিলেন।’
আরআর/আইএন
What's Your Reaction?