রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড়ধসে একই পরিবারের দুজনসহ ৮ শিশু নিহত
কক্সবাজারের উখিয়ার কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড়ধসে একটি মহিলা হেফজখানার দেওয়াল ভেঙে আট শিক্ষার্থী নিহত হয়েছে। এদের মধ্যে একই পরিবারের দুই শিশু রয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও পাঁচজন। বুধবার (৮ জুলাই) বিকেল ৩টার দিকে কুতুপালং ৫ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের এ-৩ ব্লকে অবস্থিত খতিজাতুল মহিলা হেফজখানায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতদের মধ্যে চারজনের নাম পাওয়া গেছে। তারা হলেন কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পের হাসিম উল্লাহর মেয়ে রাশিদা বেগম (১৩), আব্দুস শুক্কুরের দুই মেয়ে উম্মে নেজাতুল (১৩) ও উম্মে সালমা (১২) এবং মোহাম্মদ ইলিয়াসের মেয়ে উমাইসা বিবি (১৩)। বাকি চারজনের নাম-ঠিকানা পাওয়া যায়নি। আরও পড়ুন ভারী বৃষ্টি অব্যাহত, কক্সবাজারে পাহাড়ধসে নিহত বেড়ে ১৯ কক্সবাজার শরণার্থী কমিশনার (অতিরিক্ত সচিব) মিজানুর রহমান জানান, ক্যাম্প-৫-এ সংঘটিত পাহাড় ধসের ঘটনায় মোট ১৩ শিশুকে উদ্ধার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে দুর্ভাগ্যজনকভাবে আট শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এদের মধ্যে চারজন ঘটনাস্থলে এবং বাকি চারজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়। নিহতদের মধ্যে একই পরিবারের দুই শিশু রয়েছে। জাহাঙ্গীর আলম/এসআর
কক্সবাজারের উখিয়ার কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড়ধসে একটি মহিলা হেফজখানার দেওয়াল ভেঙে আট শিক্ষার্থী নিহত হয়েছে। এদের মধ্যে একই পরিবারের দুই শিশু রয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও পাঁচজন।
বুধবার (৮ জুলাই) বিকেল ৩টার দিকে কুতুপালং ৫ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের এ-৩ ব্লকে অবস্থিত খতিজাতুল মহিলা হেফজখানায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতদের মধ্যে চারজনের নাম পাওয়া গেছে। তারা হলেন কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পের হাসিম উল্লাহর মেয়ে রাশিদা বেগম (১৩), আব্দুস শুক্কুরের দুই মেয়ে উম্মে নেজাতুল (১৩) ও উম্মে সালমা (১২) এবং মোহাম্মদ ইলিয়াসের মেয়ে উমাইসা বিবি (১৩)। বাকি চারজনের নাম-ঠিকানা পাওয়া যায়নি।
কক্সবাজার শরণার্থী কমিশনার (অতিরিক্ত সচিব) মিজানুর রহমান জানান, ক্যাম্প-৫-এ সংঘটিত পাহাড় ধসের ঘটনায় মোট ১৩ শিশুকে উদ্ধার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে দুর্ভাগ্যজনকভাবে আট শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এদের মধ্যে চারজন ঘটনাস্থলে এবং বাকি চারজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়। নিহতদের মধ্যে একই পরিবারের দুই শিশু রয়েছে।
জাহাঙ্গীর আলম/এসআর
What's Your Reaction?
