রোজা রেখে ইনজেকশন ও ইনসুলিন নেওয়া যাবে?

প্রশ্ন: রোজা রেখে ইনজেকশন ও ইনসুলিন নেওয়া যাবে? উত্তর: রোজা রেখে ইনজেকশন নেওয়া যাবে। এ কারণে রোজার ক্ষতি হবে না। একইভাবে রোজা রেখে ইনজেকশনের মাধ্যমে ইনসুলিন নিলেও রোজা নষ্ট হয় না। কেউ যদি ‍ইনজেকশন বা ইনসুলিন নেওয়ার পর রোজা ভেঙে গেছে ভেবে অন্য কোনো খাবার খেয়ে ফেলে, তাহলে রোজা ভেঙে যাবে। তবে যেহেতু ভুল জেনে রোজা ভেঙে গেছে ভেবে খেয়েছে, তাই কাফফারা ওয়াজিব হবে না, শুধু কাজা ওয়াজিব হবে। রমজানের রোজা ইসলামের পঞ্চস্তম্ভের অন্যতম এবং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ফরজ ইবাদত। কোরআনে আল্লাহ বলেছেন, হে মুমিনগণ, তোমাদের ওপর সিয়াম ফরজ করা হয়েছে, যেভাবে ফরজ করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তীদের উপর। যাতে তোমরা তাকওয়া অবলম্বন কর। (সুরা বাকারা: ১৮৩) তাই রোজার ব্যাপারে যত্নবান হওয়া, রোজার প্রয়োজনীয় মাসআলা মাসায়েল জানা আমাদের কর্তব্য যেন ভুল ধারণার কারণে আমরা রোজা ভেঙে না ফেলি। যে সব কারণে রোজা ভেঙে যায় ১. কেউ যদি ইচ্ছা করে রমজান মাসের দিনের বেলা যৌনমিলন করে অথবা পানাহার করে, তবে তার রোজা ভেঙে যাবে। কাজা করতে হবে, কাফফারাও দিতে হবে। ২. মেয়েদের মাসিক ও সন্তান প্রসবের পরবর্তী ঋতুস্রাবের সময় রোজা রাখা নিষিদ্ধ। রোজাদার

রোজা রেখে ইনজেকশন ও ইনসুলিন নেওয়া যাবে?

প্রশ্ন: রোজা রেখে ইনজেকশন ও ইনসুলিন নেওয়া যাবে?

উত্তর: রোজা রেখে ইনজেকশন নেওয়া যাবে। এ কারণে রোজার ক্ষতি হবে না। একইভাবে রোজা রেখে ইনজেকশনের মাধ্যমে ইনসুলিন নিলেও রোজা নষ্ট হয় না।

কেউ যদি ‍ইনজেকশন বা ইনসুলিন নেওয়ার পর রোজা ভেঙে গেছে ভেবে অন্য কোনো খাবার খেয়ে ফেলে, তাহলে রোজা ভেঙে যাবে। তবে যেহেতু ভুল জেনে রোজা ভেঙে গেছে ভেবে খেয়েছে, তাই কাফফারা ওয়াজিব হবে না, শুধু কাজা ওয়াজিব হবে।

রমজানের রোজা ইসলামের পঞ্চস্তম্ভের অন্যতম এবং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ফরজ ইবাদত। কোরআনে আল্লাহ বলেছেন, হে মুমিনগণ, তোমাদের ওপর সিয়াম ফরজ করা হয়েছে, যেভাবে ফরজ করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তীদের উপর। যাতে তোমরা তাকওয়া অবলম্বন কর। (সুরা বাকারা: ১৮৩)

তাই রোজার ব্যাপারে যত্নবান হওয়া, রোজার প্রয়োজনীয় মাসআলা মাসায়েল জানা আমাদের কর্তব্য যেন ভুল ধারণার কারণে আমরা রোজা ভেঙে না ফেলি।

যে সব কারণে রোজা ভেঙে যায়

  • ১. কেউ যদি ইচ্ছা করে রমজান মাসের দিনের বেলা যৌনমিলন করে অথবা পানাহার করে, তবে তার রোজা ভেঙে যাবে। কাজা করতে হবে, কাফফারাও দিতে হবে।
  • ২. মেয়েদের মাসিক ও সন্তান প্রসবের পরবর্তী ঋতুস্রাবের সময় রোজা রাখা নিষিদ্ধ। রোজাদার অবস্থায় মাসিক শুরু হলে অথবা সন্তানের জন্ম হলে রোজা ভেঙে যাবে। পরবর্তী সময়ে এই রোজা কাজা করে নিতে হবে।
  • ৩. ইচ্ছা করে বমি করলে রোজা ভেঙে যাবে, বমি মুখে চলে আসর পর ইচ্ছাকৃত তা গিলে ফেললে রোজা ভেঙে যাবে, শুধু কাজা করতে হবে।
  • ৪. রমজান মাসের দিনের বেলা ইসলাম ত্যাগ করলে বা মুরতাদ হয়ে গেলে তার রোজা ভেঙে যাবে। ইসলামে আবার ফিরে আসলে ওই রোজাটি কাজা করে নিতে হবে।
  • ৫. কুলি করার সময় অনিচ্ছায় গলার ভেতর পানি প্রবেশ করলে, রাত অবশিষ্ট আছে মনে করে সুবহে সাদিকের পর পানাহার করলে, ইফতারের সময় হয়েছে ভেবে সূর্যাস্তের আগে ইফতার করলে, রোজা স্মরণ থাকা অবস্থায় অজুতে কুলি বা নাকে পানি দেওয়ার সময় ভেতরে পানি চলে গেলে রোজা ভেঙে যাবে, কাজা করে নিতে হবে।
  • ৬. রোজা থাকার কথা ভুলে গিয়ে কোনো কিছু খেয়ে ফেললে রোজা ভাঙবে না। তবে ভুলবশত খাওয়ার পর রোজা ভেঙে গেছে ভেবে ইচ্ছা করে আরো কিছু খেলে রোজা ভেঙে যাবে।
  • ৬. জিহ্বা দিয়ে দাঁতের ফাঁক থেকে একটি ছোলার সমান বা এর চেয়ে বড় কোনো কিছু বের করে খেয়ে ফেললে রোজা ভেঙে যাবে, পরে কাজা করে নিতে হবে।
  • ৭. প্রস্রাব-পায়খানার রাস্তা দিয়ে ওষুধ বা অন্য কিছু শরীরে প্রবেশ করালে, কান বা নাক দিয়ে ওষুধ প্রবেশ করালে রোজা ভেঙে যাবে, পরবর্তীতে কাজা করে নিতে হবে।

ওএফএফ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow