রোহিঙ্গা ক্যাম্পে স্ত্রী-সন্তানকে জবাই করলো স্বামী

কক্সবাজারের উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পারিবারিক কলহের জেরে স্ত্রী ও পাঁচ বছর বয়সী শিশুপুত্রকে গলা কেটে হত্যা করেছে এক রোহিঙ্গা ব্যক্তি। এ সময় হামলায় গুরুতর আহত হয়েছে নিহত দম্পতির অপর এক ছেলে। ঘটনার পর অভিযুক্ত স্বামী পালিয়ে গেছে। তাকে গ্রেপ্তারে অভিযান চালাচ্ছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্প-৬-এর বি/৬ ব্লকে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন, মোস্তাক আহমদের মেয়ে শহীদ নূর ওরফে সুফিয়া (৩০) এবং তার পাঁচ বছর বয়সী ছেলে শামীম। গুরুতর আহত হয়েছে তাদের বড় ছেলে মো. আফছার ওরফে বাপ্পী (১৪)। ১৪ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন) সূত্রে জানা গেছে, বুধবার গভীর রাতে পারিবারিক বিষয় নিয়ে স্বামী এহেসামুল হক (৩৭) ও তার স্ত্রী সুফিয়ার মধ্যে কথা কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে ক্ষিপ্ত হয়ে এহেসামুল হক ধারালো দা দিয়ে স্ত্রী ও দুই সন্তানের ওপর হামলা চালায়। এতে ঘটনাস্থলেই সুফিয়া ও তার ছোট ছেলে শামীমের মৃত্যু হয়। বড় ছেলে বাপ্পী গুরুতর আহত অবস্থায় প্রাণে বেঁচে যায়। চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে আহত বাপ্পীকে উদ্ধার করে কুতুপালংয়ে অবস্থিত এমএসএফ হাসপাতালে ভর্

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে স্ত্রী-সন্তানকে জবাই করলো স্বামী

কক্সবাজারের উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পারিবারিক কলহের জেরে স্ত্রী ও পাঁচ বছর বয়সী শিশুপুত্রকে গলা কেটে হত্যা করেছে এক রোহিঙ্গা ব্যক্তি। এ সময় হামলায় গুরুতর আহত হয়েছে নিহত দম্পতির অপর এক ছেলে। ঘটনার পর অভিযুক্ত স্বামী পালিয়ে গেছে। তাকে গ্রেপ্তারে অভিযান চালাচ্ছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্প-৬-এর বি/৬ ব্লকে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন, মোস্তাক আহমদের মেয়ে শহীদ নূর ওরফে সুফিয়া (৩০) এবং তার পাঁচ বছর বয়সী ছেলে শামীম। গুরুতর আহত হয়েছে তাদের বড় ছেলে মো. আফছার ওরফে বাপ্পী (১৪)।

১৪ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন) সূত্রে জানা গেছে, বুধবার গভীর রাতে পারিবারিক বিষয় নিয়ে স্বামী এহেসামুল হক (৩৭) ও তার স্ত্রী সুফিয়ার মধ্যে কথা কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে ক্ষিপ্ত হয়ে এহেসামুল হক ধারালো দা দিয়ে স্ত্রী ও দুই সন্তানের ওপর হামলা চালায়। এতে ঘটনাস্থলেই সুফিয়া ও তার ছোট ছেলে শামীমের মৃত্যু হয়। বড় ছেলে বাপ্পী গুরুতর আহত অবস্থায় প্রাণে বেঁচে যায়।

চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে আহত বাপ্পীকে উদ্ধার করে কুতুপালংয়ে অবস্থিত এমএসএফ হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে তার চিকিৎসা চলছে।

১৪ এপিবিএনের ডিআইজি মোহাম্মদ সিরাজ আমিন জানান, নিহতদের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য উখিয়া থানার পুলিশের মাধ্যমে কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার পরপরই অভিযুক্ত এহেসামুল হক পালিয়ে যায়। তাকে গ্রেপ্তারে এপিবিএন ও থানা পুলিশের একাধিক দল যৌথভাবে অভিযান চালাচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত চলছে। অভিযুক্তকে দ্রুত আইনের আওতায় এনে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow