রোহিতের রেকর্ড ভেঙে স্টার্লিংয়ের ইতিহাস

টি–টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলার রেকর্ডে নতুন নাম যুক্ত হলো। আয়ারল্যান্ড অধিনায়ক পল স্টার্লিং ভেঙে দিলেন ভারতের সাবেক অধিনায়ক রোহিত শর্মার দীর্ঘদিনের রেকর্ড। দুবাইয়ে সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষে প্রথম টি–টোয়েন্টিতে নিজের ১৬০তম ম্যাচ খেলেই রেকর্ডের একক মালিক হলেন স্টার্লিং। এর আগে ১৫৯ ম্যাচ নিয়ে শীর্ষে ছিলেন রোহিত শর্মা, যিনি ২০০৭ থেকে শুরু করে ১৭ বছরের টি–টোয়েন্টি ক্যারিয়ারে এই মাইলফলক গড়েছিলেন। ২০২৪ টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়ের পর সংক্ষিপ্ত সংস্করণ থেকে অবসর নেওয়ার মাধ্যমে রোহিতের সেই রেকর্ড দীর্ঘদিন অক্ষত ছিল—অবশেষে সেটিই ভাঙলেন স্টার্লিং। অবশ্য রেকর্ড গড়া ম্যাচে ব্যাট হাতে খুব বেশি অবদান রাখতে পারেননি স্টার্লিং। ওপেনিংয়ে নেমে তিনি করেন মাত্র ৮ রান। তবে ব্যক্তিগত স্কোর যতই ছোট হোক, ম্যাচটি তাকে টি–টোয়েন্টি ইতিহাসের সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলা ক্রিকেটার হিসেবে স্থায়ীভাবে জায়গা করে দিয়েছে। বর্তমানে টি–টোয়েন্টিতে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলার তালিকায় স্টার্লিংয়ের পরেই আছেন তারই সতীর্থ জর্জ ডকরেল (১৫৩ ম্যাচ) ও আফগানিস্তানের মোহাম্মদ নবি (১৪৮ ম্যাচ)। ইংল্যান্ড অধিনায়ক জস বাটল

রোহিতের রেকর্ড ভেঙে স্টার্লিংয়ের ইতিহাস

টি–টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলার রেকর্ডে নতুন নাম যুক্ত হলো। আয়ারল্যান্ড অধিনায়ক পল স্টার্লিং ভেঙে দিলেন ভারতের সাবেক অধিনায়ক রোহিত শর্মার দীর্ঘদিনের রেকর্ড। দুবাইয়ে সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষে প্রথম টি–টোয়েন্টিতে নিজের ১৬০তম ম্যাচ খেলেই রেকর্ডের একক মালিক হলেন স্টার্লিং।

এর আগে ১৫৯ ম্যাচ নিয়ে শীর্ষে ছিলেন রোহিত শর্মা, যিনি ২০০৭ থেকে শুরু করে ১৭ বছরের টি–টোয়েন্টি ক্যারিয়ারে এই মাইলফলক গড়েছিলেন। ২০২৪ টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়ের পর সংক্ষিপ্ত সংস্করণ থেকে অবসর নেওয়ার মাধ্যমে রোহিতের সেই রেকর্ড দীর্ঘদিন অক্ষত ছিল—অবশেষে সেটিই ভাঙলেন স্টার্লিং।

অবশ্য রেকর্ড গড়া ম্যাচে ব্যাট হাতে খুব বেশি অবদান রাখতে পারেননি স্টার্লিং। ওপেনিংয়ে নেমে তিনি করেন মাত্র ৮ রান। তবে ব্যক্তিগত স্কোর যতই ছোট হোক, ম্যাচটি তাকে টি–টোয়েন্টি ইতিহাসের সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলা ক্রিকেটার হিসেবে স্থায়ীভাবে জায়গা করে দিয়েছে।

বর্তমানে টি–টোয়েন্টিতে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলার তালিকায় স্টার্লিংয়ের পরেই আছেন তারই সতীর্থ জর্জ ডকরেল (১৫৩ ম্যাচ) ও আফগানিস্তানের মোহাম্মদ নবি (১৪৮ ম্যাচ)। ইংল্যান্ড অধিনায়ক জস বাটলারও রয়েছেন শীর্ষ পাঁচে।

রেকর্ডের দিনে দলীয় পারফরম্যান্সেও দারুণ ছিল আয়ারল্যান্ড। প্রথমে ব্যাট করে তারা তোলে ১৭৮ রান। রস অ্যাডায়ার করেন ৩৯ রান, লোরকান টাকার যোগ করেন ৩৮। এছাড়া মাঝের ওভারে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন বেঞ্জামিন কালিটজ ও জর্জ ডকরেল।

জবাবে লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই ধুঁকতে থাকে আমিরাত। আয়ারল্যান্ডের বোলিং আক্রমণে ম্যাচের রাশ পুরোপুরি নিজেদের হাতে নেয় সফরকারীরা। ম্যাথিউ হামফ্রিস ও গ্যারেথ ডেলানি তিনটি করে উইকেট শিকার করেন। শেষ পর্যন্ত আমিরাতকে ৫৭ রানে হারিয়ে সিরিজের শুরুতেই শক্ত বার্তা দেয় আয়ারল্যান্ড।

রেকর্ড ভাঙা আর বড় ব্যবধানের জয়—দুই মিলিয়ে এই ম্যাচটি পল স্টার্লিং ও আয়ারল্যান্ড ক্রিকেটের জন্য স্মরণীয় হয়ে থাকল। চাইলে আমি এটাকে আরও সংক্ষিপ্ত ব্রেকিং নিউজ ভার্সন বা হেডলাইন-ফোকাসড কপি করে দিতেও পারি।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow