লন্ডনে ফিলিস্তিনের পক্ষে হাজারো মানুষের সমাবেশ
যুক্তরাজ্যের রাজধানী লন্ডনে ফিলিস্তিনপন্থি কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছেন কয়েক হাজার মানুষ। নাকবা দিবস উপলক্ষে ফিলিস্তিনপন্থি এ সমাবেশ আয়োজিত হয় বলে জানা গেছে। পুলিশ ধারণা করছে, নাকবা দিবসের এ কর্মসূচিতে প্রায় ৩০ হাজার মানুষ অংশ নিয়েছেন। খবর আল জাজিরার। এদিন ডানপন্থি নেতা টমি রবিনসনের ডাকে ‘ইউনাইট দ্য কিংডম’ শীর্ষক সমাবেশও অনুষ্ঠিত হয়। দুই পক্ষের সমর্থকদের মুখোমুখি সংঘর্ষ এড়াতে বিক্ষোভের সময় ও রুট নিয়ে বিশেষ শর্ত আরোপ করে কর্তৃপক্ষ। একই সঙ্গে ঘৃণামূলক বক্তব্য বা উসকানিমূলক স্লোগানের বিষয়ে কড়া নজরদারির নির্দেশ দেওয়া হয়। পুলিশ জানিয়েছে, পুরো নিরাপত্তা অভিযানে প্রায় ৪৫ লাখ পাউন্ড ব্যয় হতে পারে। এবার প্রথমবারের মতো বক্তারা ঘৃণামূলক বক্তব্য দিলে আয়োজকদেরও আইনগতভাবে দায়ী করা হবে। এর আগে ‘ইউনাইট দ্য কিংডম’ সমাবেশে যোগ দিতে আসা ১১ বিদেশি নাগরিককে যুক্তরাজ্যে প্রবেশে বাধা দেয় ব্রিটিশ সরকার। নিষিদ্ধ হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন পোল্যান্ডের রাজনীতিক ডমিনিক তারচিনস্কি, বেলজিয়ামের ফিলিপ ডেওইন্টার এবং ডাচ কর্মী ইভা ভ্লার্ডিঙ্গারব্রুক। বিক্ষোভের আগের দিন প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার সতর্ক করে বলেন, ‘
যুক্তরাজ্যের রাজধানী লন্ডনে ফিলিস্তিনপন্থি কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছেন কয়েক হাজার মানুষ। নাকবা দিবস উপলক্ষে ফিলিস্তিনপন্থি এ সমাবেশ আয়োজিত হয় বলে জানা গেছে।
পুলিশ ধারণা করছে, নাকবা দিবসের এ কর্মসূচিতে প্রায় ৩০ হাজার মানুষ অংশ নিয়েছেন। খবর আল জাজিরার।
এদিন ডানপন্থি নেতা টমি রবিনসনের ডাকে ‘ইউনাইট দ্য কিংডম’ শীর্ষক সমাবেশও অনুষ্ঠিত হয়। দুই পক্ষের সমর্থকদের মুখোমুখি সংঘর্ষ এড়াতে বিক্ষোভের সময় ও রুট নিয়ে বিশেষ শর্ত আরোপ করে কর্তৃপক্ষ। একই সঙ্গে ঘৃণামূলক বক্তব্য বা উসকানিমূলক স্লোগানের বিষয়ে কড়া নজরদারির নির্দেশ দেওয়া হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, পুরো নিরাপত্তা অভিযানে প্রায় ৪৫ লাখ পাউন্ড ব্যয় হতে পারে। এবার প্রথমবারের মতো বক্তারা ঘৃণামূলক বক্তব্য দিলে আয়োজকদেরও আইনগতভাবে দায়ী করা হবে।
এর আগে ‘ইউনাইট দ্য কিংডম’ সমাবেশে যোগ দিতে আসা ১১ বিদেশি নাগরিককে যুক্তরাজ্যে প্রবেশে বাধা দেয় ব্রিটিশ সরকার। নিষিদ্ধ হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন পোল্যান্ডের রাজনীতিক ডমিনিক তারচিনস্কি, বেলজিয়ামের ফিলিপ ডেওইন্টার এবং ডাচ কর্মী ইভা ভ্লার্ডিঙ্গারব্রুক।
বিক্ষোভের আগের দিন প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার সতর্ক করে বলেন, ‘যারা রাস্তায় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি, ভয়ভীতি বা হুমকি দেওয়ার চেষ্টা করবে, তারা আইনের কঠোর মুখোমুখি হবে।’
গত সেপ্টেম্বরে টমি রবিনসনের ডাকে একই ধরনের আরেকটি সমাবেশে প্রায় ১ লাখ ১০ হাজার মানুষ অংশ নেয়। সেখানে জাতীয় ঐক্য, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও খ্রিষ্টীয় মূল্যবোধের পক্ষে স্লোগান দেওয়া হয়। ওই সমাবেশে ভিডিও বার্তার মাধ্যমে বক্তব্য দেন এক্সের মালিক ইলন মাস্কও।
অন্যদিকে বর্ণবাদবিরোধী সংগঠন ‘স্ট্যান্ড আপ টু রেসিজম’ তাদের মিছিলকে নাকবা দিবসের কর্মসূচির সঙ্গে যুক্ত করেছে। নাকবা দিবস ফিলিস্তিনিদের ১৯৪৮ সালের বাস্তুচ্যুতি স্মরণে পালন করা হয়।
What's Your Reaction?