লায়ন্স ক্লাবের উদ্যোগে পহেলা বৈশাখ উদযাপন

লায়ন্স ক্লাব ইন্টার‌ন্যাশনাল জেলা ৩১৫-বি৪ এর উদ্যোগে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপিত হয়েছে। মঙ্গবার সকাল ৯টায় বর্ষবরণ উদযাপন কমিটির চেয়ারম্যান লায়ন আশীষ ভট্টাচার্য সভাপতিত্ব করেন। উদযাপন কমিটির জয়েন্ট সেক্রেটারি লায়ন লুবনা হুমায়ুনের সঞ্চালনায় এতে প্রধান অতিথি ছিলেন লায়ন্স জেলা গভর্নর মোসলেহ উদ্দিন অপু। বিশেষ অতিথি ছিলেন সদ্য সাবেক জেলা গভর্নর লায়ন কোহিনুর কামাল, প্রথম ভাইস জেলা গভর্নর লায়ন কামরুজ্জামান লিটন, দ্বিতীয় ভাইস জেলা গভর্নর লায়ন আবু বক্কর সিদ্দিকী, সাবেক জেলা গভর্নর লায়ন এম এ মালেক, লায়ন রূপাম কিশোর বড়ুয়া, লায়ন সিরাজুল হক আনসারী, ও লায়ন আল সাদাত দোভাষ, কেবিনেট সেক্রেটারি লায়ন আবু মোরশেদ, ট্রেজারার গাজী মো. শহীদুল্লাহ এবং বর্ষবরণ উদযাপন কমিটির সেক্রেটারি লায়ন চন্দন দাশ ও ট্রেজারার লায়ন নুরুল আলম। বর্ষবরণের এই আয়োজনে বৈশাখী সাজ, পিঠা উৎসব, বাউল সংগীত, সাংস্কৃতিক উৎসব, নৃত্য, নাগর দোলা, বায়োস্কোপসহ বাঙালি সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য তুলে ধরা হয়। এতে সর্বস্তরের লায়ন, লিও ও তাদের পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষ অংশ নেন। বৈশাখী শোভাযাত্রা উদ্বোধনের প্রাক্কালে জেল

লায়ন্স ক্লাবের উদ্যোগে পহেলা বৈশাখ উদযাপন

লায়ন্স ক্লাব ইন্টার‌ন্যাশনাল জেলা ৩১৫-বি৪ এর উদ্যোগে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপিত হয়েছে।

মঙ্গবার সকাল ৯টায় বর্ষবরণ উদযাপন কমিটির চেয়ারম্যান লায়ন আশীষ ভট্টাচার্য সভাপতিত্ব করেন। উদযাপন কমিটির জয়েন্ট সেক্রেটারি লায়ন লুবনা হুমায়ুনের সঞ্চালনায় এতে প্রধান অতিথি ছিলেন লায়ন্স জেলা গভর্নর মোসলেহ উদ্দিন অপু। বিশেষ অতিথি ছিলেন সদ্য সাবেক জেলা গভর্নর লায়ন কোহিনুর কামাল, প্রথম ভাইস জেলা গভর্নর লায়ন কামরুজ্জামান লিটন, দ্বিতীয় ভাইস জেলা গভর্নর লায়ন আবু বক্কর সিদ্দিকী, সাবেক জেলা গভর্নর লায়ন এম এ মালেক, লায়ন রূপাম কিশোর বড়ুয়া, লায়ন সিরাজুল হক আনসারী, ও লায়ন আল সাদাত দোভাষ, কেবিনেট সেক্রেটারি লায়ন আবু মোরশেদ, ট্রেজারার গাজী মো. শহীদুল্লাহ এবং বর্ষবরণ উদযাপন কমিটির সেক্রেটারি লায়ন চন্দন দাশ ও ট্রেজারার লায়ন নুরুল আলম।

লায়ন্স ক্লাবের উদ্যোগে পহেলা বৈশাখ উদযাপন

বর্ষবরণের এই আয়োজনে বৈশাখী সাজ, পিঠা উৎসব, বাউল সংগীত, সাংস্কৃতিক উৎসব, নৃত্য, নাগর দোলা, বায়োস্কোপসহ বাঙালি সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য তুলে ধরা হয়। এতে সর্বস্তরের লায়ন, লিও ও তাদের পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষ অংশ নেন।

বৈশাখী শোভাযাত্রা উদ্বোধনের প্রাক্কালে জেলা গভর্নর বলেন, প্রতি বছরের ন্যায় এবারও বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে বাঙালি ইতিহাস ও ঐতিহ্য তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে। বাংলা নববর্ষে সব বাংলা ভাষাভাষী মানুষের হৃদয়ে যে সম্প্রীতি সহমর্মিতার আবেশ তৈরি করে নিঃসন্দেহে তা দেশ ও জাতির জন্য মঙ্গলজনক। আগামীতে আরও বড় পরিসরে এ আয়োজন করা হবে বলে তিনি প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

জেএইচ/জেআইএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow