লুকানো মাইনে ঘেরা হরমুজ, নির্দেশ না মানলেই ডুববে জাহাজ

সমুদ্রের তলদেশে পেতে রাখা সম্ভাব্য মাইন এড়িয়ে জাহাজ চলাচল নিরাপদ রাখতে হরমুজ প্রণালীতে নতুন ও বিকল্প রুট ঘোষণা করেছে ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান। একই সঙ্গে জাহাজ চলাচলের সুবিধার্থে একটি মানচিত্রও প্রকাশ করেছে ইরানের ইসলামিক রেভ্যুলুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) নৌ শাখা। যেখানে একটি বৃত্তাকার অংশকে ‘বিপজ্জনক অঞ্চল’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) আইআরজিসির পক্ষ থেকে জানানো হয়, নৌ-মাইন এড়াতে জাহাজগুলোকে অবশ্যই তাদের সঙ্গে সমন্বয় করে চলাচল করতে হবে। সেখানে বলা হয়েছে, আগে যেসব তেলবাহী ট্যাঙ্কার প্রণালীর দক্ষিণ দিক দিয়ে ওমান উপকূলের কাছাকাছি দিয়ে চলাচল করতো। এখন সেগুলোকে আরও উত্তর দিকে, অর্থাৎ ইরানের উপকূলসংলগ্ন পথ অনুসরণ করতে হবে। ঘোষিত নতুন রুটগুলো হলো— প্রবেশ পথ: ওমান সাগর থেকে লারাক দ্বীপর উত্তর দিক দিয়ে পারস্য উপসাগরে প্রবেশ করতে হবে। বহির্গমন পথ: পারস্য উপসাগর থেকে লারাক দ্বীপের দক্ষিণ দিক দিয়ে ওমান সাগরের দিকে যাত্রা করতে হবে। উল্লেখ্য, ইরানের ওপর গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে যৌথভাবে আক্রমণ চালায় ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র। মূলত ওই দিন থেকেই পাল্টা প্রতিক্রিয়া শুরু করে তেহরান।

লুকানো মাইনে ঘেরা হরমুজ, নির্দেশ না মানলেই ডুববে জাহাজ

সমুদ্রের তলদেশে পেতে রাখা সম্ভাব্য মাইন এড়িয়ে জাহাজ চলাচল নিরাপদ রাখতে হরমুজ প্রণালীতে নতুন ও বিকল্প রুট ঘোষণা করেছে ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান।

একই সঙ্গে জাহাজ চলাচলের সুবিধার্থে একটি মানচিত্রও প্রকাশ করেছে ইরানের ইসলামিক রেভ্যুলুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) নৌ শাখা। যেখানে একটি বৃত্তাকার অংশকে ‘বিপজ্জনক অঞ্চল’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) আইআরজিসির পক্ষ থেকে জানানো হয়, নৌ-মাইন এড়াতে জাহাজগুলোকে অবশ্যই তাদের সঙ্গে সমন্বয় করে চলাচল করতে হবে।

সেখানে বলা হয়েছে, আগে যেসব তেলবাহী ট্যাঙ্কার প্রণালীর দক্ষিণ দিক দিয়ে ওমান উপকূলের কাছাকাছি দিয়ে চলাচল করতো। এখন সেগুলোকে আরও উত্তর দিকে, অর্থাৎ ইরানের উপকূলসংলগ্ন পথ অনুসরণ করতে হবে।

ঘোষিত নতুন রুটগুলো হলো—

প্রবেশ পথ: ওমান সাগর থেকে লারাক দ্বীপর উত্তর দিক দিয়ে পারস্য উপসাগরে প্রবেশ করতে হবে।

বহির্গমন পথ: পারস্য উপসাগর থেকে লারাক দ্বীপের দক্ষিণ দিক দিয়ে ওমান সাগরের দিকে যাত্রা করতে হবে।

উল্লেখ্য, ইরানের ওপর গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে যৌথভাবে আক্রমণ চালায় ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র। মূলত ওই দিন থেকেই পাল্টা প্রতিক্রিয়া শুরু করে তেহরান।  শুধু ইসরায়েলই নয়, মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে থাকা মার্কিন সামরিক ও বেসামরিক স্থাপনাতেও হামলা চালানো হয়, যার ফলে পুরো অঞ্চলজুড়ে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। যদিও দীর্ঘ সংঘাতের ৪০তম দিনে এসে গতকাল বুধবার (৮ এপ্রিল) দুই সপ্তাহের জন্য যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল এবং ইরান।

সূত্র: আল-জাজিরা, নিউজ এজেড

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow