লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় বিশ্বজুড়ে নিন্দার ঝড়

লেবাননে ইসরায়েলের ব্যাপক বিমান হামলার ঘটনায় আন্তর্জাতিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। বুধবারের হামলায় অন্তত ১৮২ জন নিহত ও ৮৯০ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে, যা চলমান যুদ্ধবিরতিকে ঝুঁকির মুখে ফেলেছে। পাকিস্তান এই হামলার নিন্দা জানিয়ে বলেছে, তারা যে যুদ্ধবিরতি চুক্তি মধ্যস্থতা করেছে, তাতে লেবাননকেও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। তবে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন ও বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু দাবি করেছে, লেবাননে হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে অভিযান এই যুদ্ধবিরতির আওতায় পড়ে না। ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ ইসরায়েলের হামলাকে নির্বিচার আখ্যা দিয়ে বলেন, এটি যুদ্ধবিরতির স্থায়িত্বের জন্য সরাসরি হুমকি। এদিকে যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইভিটি কুপার বলেছেন, এই হামলা ক্ষতিকর এবং লেবাননকে যুদ্ধবিরতির আওতায় আনার আহ্বান জানান। স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সেনেজ নেতানিয়াহুর সমালোচনা করে বলেন, জীবন ও আন্তর্জাতিক আইনের প্রতি তার অবজ্ঞা অসহনীয়। ইতালির পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্তোনিও টাজানি লেবাননের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে কথা বলে সংহতি জানান এবং ইসরায়েলের রাষ্ট্রদূতকে তলব করেন। তিনি সতর্ক করে বলেন, আমরা আরেকটি গাজা পরিস্থিত

লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় বিশ্বজুড়ে নিন্দার ঝড়

লেবাননে ইসরায়েলের ব্যাপক বিমান হামলার ঘটনায় আন্তর্জাতিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। বুধবারের হামলায় অন্তত ১৮২ জন নিহত ও ৮৯০ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে, যা চলমান যুদ্ধবিরতিকে ঝুঁকির মুখে ফেলেছে।

পাকিস্তান এই হামলার নিন্দা জানিয়ে বলেছে, তারা যে যুদ্ধবিরতি চুক্তি মধ্যস্থতা করেছে, তাতে লেবাননকেও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। তবে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন ও বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু দাবি করেছে, লেবাননে হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে অভিযান এই যুদ্ধবিরতির আওতায় পড়ে না।

ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ ইসরায়েলের হামলাকে নির্বিচার আখ্যা দিয়ে বলেন, এটি যুদ্ধবিরতির স্থায়িত্বের জন্য সরাসরি হুমকি।

এদিকে যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইভিটি কুপার বলেছেন, এই হামলা ক্ষতিকর এবং লেবাননকে যুদ্ধবিরতির আওতায় আনার আহ্বান জানান।

স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সেনেজ নেতানিয়াহুর সমালোচনা করে বলেন, জীবন ও আন্তর্জাতিক আইনের প্রতি তার অবজ্ঞা অসহনীয়।

ইতালির পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্তোনিও টাজানি লেবাননের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে কথা বলে সংহতি জানান এবং ইসরায়েলের রাষ্ট্রদূতকে তলব করেন। তিনি সতর্ক করে বলেন, আমরা আরেকটি গাজা পরিস্থিতি দেখতে চাই না।

কাতার এই হামলাকে ভয়াবহ বলে উল্লেখ করে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে ইসরায়েলকে থামাতে চাপ প্রয়োগের আহ্বান জানিয়েছে। একইভাবে তুরস্কও কঠোর ভাষায় এই হামলার নিন্দা জানিয়েছে।

আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর মধ্যেও উদ্বেগ বাড়ছে। জাতিসংগের মহাসচিব এই হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেছেন, এটি যুদ্ধবিরতির জন্য গুরুতর ঝুঁকি তৈরি করছে।

বিশ্লেষকদের মতে, এই হামলা মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতকে আরও বিস্তৃত করার ঝুঁকি তৈরি করছে এবং শান্তি প্রচেষ্টাকে বড় ধাক্কা দিচ্ছে।

সূত্র: সিএনএন

এমএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow