লেবানন ইস্যুতে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের জরুরি বৈঠক চাইল ফ্রান্স
দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি বাহিনীর স্থল অভিযান সম্প্রসারণ এবং ঐতিহাসিক বিউফোর্ট দুর্গ দখলের পর জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের জরুরি বৈঠক আহ্বানের দাবি জানিয়েছে ফ্রান্স। ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জঁ-নোয়েল বারো রোববার (৩১ মে) এক টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে জানান, লেবাননের পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করতে তিনি জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের জরুরি বৈঠকের অনুরোধ করেছেন। বিএফএমটিভি চ্যানেলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, আমরা ইসরায়েলের আত্মরক্ষার অধিকারকে স্বীকৃতি দিই, যেমনটি অন্য সব দেশের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। কিন্তু লেবাননে ইসরায়েলের সামরিক অভিযান অব্যাহত রাখা এবং দেশটির ভূখণ্ডে আরও গভীরে প্রবেশ করার কোনো যৌক্তিকতা নেই। ফরাসি পররাষ্ট্রমন্ত্রী সতর্ক করে বলেন, লেবাননের ভূখণ্ডে ইসরায়েলের ক্রমবর্ধমান সামরিক উপস্থিতি আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য নতুন উদ্বেগ তৈরি করছে। এর আগে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী দাবি করে, তারা দক্ষিণ লেবাননের ৯০০ বছরের পুরোনো বিউফোর্ট দুর্গ এবং এর আশপাশের কৌশলগত এলাকা নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে। এ ঘটনাকে লেবাননের ভূখণ্ডে ইসরায়েলের সামরিক উপস্থিতি আরও বিস্তৃত হওয়ার ইঙ্গিত হিসেবে দেখা হচ্ছে। ফ্রান্সের এই প
দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি বাহিনীর স্থল অভিযান সম্প্রসারণ এবং ঐতিহাসিক বিউফোর্ট দুর্গ দখলের পর জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের জরুরি বৈঠক আহ্বানের দাবি জানিয়েছে ফ্রান্স।
ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জঁ-নোয়েল বারো রোববার (৩১ মে) এক টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে জানান, লেবাননের পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করতে তিনি জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের জরুরি বৈঠকের অনুরোধ করেছেন।
বিএফএমটিভি চ্যানেলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, আমরা ইসরায়েলের আত্মরক্ষার অধিকারকে স্বীকৃতি দিই, যেমনটি অন্য সব দেশের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। কিন্তু লেবাননে ইসরায়েলের সামরিক অভিযান অব্যাহত রাখা এবং দেশটির ভূখণ্ডে আরও গভীরে প্রবেশ করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।
ফরাসি পররাষ্ট্রমন্ত্রী সতর্ক করে বলেন, লেবাননের ভূখণ্ডে ইসরায়েলের ক্রমবর্ধমান সামরিক উপস্থিতি আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য নতুন উদ্বেগ তৈরি করছে।
এর আগে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী দাবি করে, তারা দক্ষিণ লেবাননের ৯০০ বছরের পুরোনো বিউফোর্ট দুর্গ এবং এর আশপাশের কৌশলগত এলাকা নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে। এ ঘটনাকে লেবাননের ভূখণ্ডে ইসরায়েলের সামরিক উপস্থিতি আরও বিস্তৃত হওয়ার ইঙ্গিত হিসেবে দেখা হচ্ছে।
ফ্রান্সের এই পদক্ষেপের ফলে লেবানন-ইসরায়েল পরিস্থিতি নিয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নতুন কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সূত্র : আল জাজিরা
What's Your Reaction?