লোডশেডিংয়ে অতিষ্ঠ চাঁদপুরবাসী, খোলা চিঠি প্রকৌশলীর
চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলায় ঘন ঘন লোডশেডিং ও দীর্ঘসময় বিদ্যুৎ বিভ্রাটে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন সাধারণ মানুষ। দিনের পর দিন বিদ্যুৎ সমস্যার স্থায়ী সমাধান না হওয়ায় এবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন উপজেলার সন্তান ও প্রকৌশলী ফয়েজ আহাম্মেদ মাহিন। বুধবার (১৩ মে) রাত ৯টায় নিজের ব্যক্তিগত ফেইসবুক আইডিতে চাঁদপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এর ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) বরাবর একটি খোলা আবেদনপত্র প্রকাশ করেন তিনি। পোস্টটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক আলোচনা ও প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। খোলা চিঠিতে প্রকৌশলী মাহিন উল্লেখ করেন, জীবিকার তাগিদে ঢাকায় অবস্থান করলেও প্রতিনিয়ত পরিবারের সদস্যদের কাছ থেকে মতলব উত্তরের বিদ্যুৎ পরিস্থিতির ভয়াবহতার কথা শুনতে হয়। সামান্য বৃষ্টি বা আকাশে মেঘ দেখা দিলেই ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকে না বলে অভিযোগ করেন তিনি। তিনি আরও লেখেন, প্রায়ই উন্নয়ন কাজের অজুহাতে সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত বিদ্যুৎ বন্ধ রাখা হয়। তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর বর্তমান সময়ে এমন পরিস্থিতিতে শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী, চাকরিজীবীসহ সব শ্রেণি-পেশার মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়ছেন। মোবাইল ফোন, কম্পিউটার ও
চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলায় ঘন ঘন লোডশেডিং ও দীর্ঘসময় বিদ্যুৎ বিভ্রাটে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন সাধারণ মানুষ। দিনের পর দিন বিদ্যুৎ সমস্যার স্থায়ী সমাধান না হওয়ায় এবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন উপজেলার সন্তান ও প্রকৌশলী ফয়েজ আহাম্মেদ মাহিন।
বুধবার (১৩ মে) রাত ৯টায় নিজের ব্যক্তিগত ফেইসবুক আইডিতে চাঁদপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এর ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) বরাবর একটি খোলা আবেদনপত্র প্রকাশ করেন তিনি। পোস্টটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক আলোচনা ও প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়।
খোলা চিঠিতে প্রকৌশলী মাহিন উল্লেখ করেন, জীবিকার তাগিদে ঢাকায় অবস্থান করলেও প্রতিনিয়ত পরিবারের সদস্যদের কাছ থেকে মতলব উত্তরের বিদ্যুৎ পরিস্থিতির ভয়াবহতার কথা শুনতে হয়। সামান্য বৃষ্টি বা আকাশে মেঘ দেখা দিলেই ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকে না বলে অভিযোগ করেন তিনি।
তিনি আরও লেখেন, প্রায়ই উন্নয়ন কাজের অজুহাতে সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত বিদ্যুৎ বন্ধ রাখা হয়। তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর বর্তমান সময়ে এমন পরিস্থিতিতে শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী, চাকরিজীবীসহ সব শ্রেণি-পেশার মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়ছেন। মোবাইল ফোন, কম্পিউটার ও ইন্টারনেটভিত্তিক কাজ ব্যাহত হওয়ায় মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রাও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
প্রকৌশলী মাহিন তার পোস্টে সতর্ক করে বলেন, এভাবে চলতে থাকলে মানুষের মনে বিদ্যুৎ বিভাগের প্রতি ক্ষোভ ও ঘৃণা তৈরি হবে। তিনি মতলব উত্তরবাসীকে চিন্তামুক্ত করতে কার্যকর ও দীর্ঘমেয়াদী উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান।
তার এই পোস্টে স্থানীয়দের অসংখ্য মন্তব্য দেখা গেছে মানিক কাজী নামে এক নেটিজেন লেখেন, মতলব উত্তরের সব মানুষের মনের কথা তুলে ধরার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।
বিল্লাল হুসাইন নামে আরেকজন মন্তব্য করেন, যথাযথ কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি ও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ প্রত্যাশা করছি।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মতলব উত্তর উপজেলায় প্রায় ১ লাখ বিদ্যুৎ গ্রাহক নিয়মিত লোডশেডিং ও বিদ্যুৎ বিভ্রাটে ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। বিশেষ করে গ্রীষ্ম মৌসুমে পরিস্থিতি আরও খারাপ আকার ধারণ করে।
চাঁদপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এর আওতাধীন মতলব উত্তর জোনাল অফিস সূত্রে জানা যায়, উপজেলায় প্রায় ৯০ হাজার আবাসিক, ২০ হাজার বাণিজ্যিক এবং প্রায় ৪০০ শিল্প গ্রাহক রয়েছে। এছাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, অন্তত ১৪টি ডায়াগনস্টিক সেন্টার, উপজেলা প্রশাসন, থানা, নৌ-পুলিশ ফাঁড়িসহ গুরুত্বপূর্ণ সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বিদ্যুতের ওপর নির্ভরশীল।
তবে এ বিষয়ে চাঁদপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই মতলব উত্তরে বিদ্যুৎ সমস্যার স্থায়ী সমাধান হচ্ছে না। দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে জনদুর্ভোগ আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।
What's Your Reaction?