শক্তিশালী প্রতিপক্ষদের পেছনে ফেলে অস্কার জিতলেন জর্ডান 

ডলবি থিয়েটারের নিস্তব্ধতা ভেঙে যখন তার নামটি উচ্চারিত হলো, তখন যেন হলিউডের ইতিহাসের এক নতুন অধ্যায় রচিত হলো। সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে ৯৮তম একাডেমি অ্যাওয়ার্ডসে ‘সেরা অভিনেতা’র মুকুট ছিনিয়ে নিলেন মাইকেল বি জর্ডান। লিওনার্দো ডিক্যাপ্রিও কিংবা টিমোথি শ্যালামের মতো শক্তিশালী প্রতিপক্ষদের ভিড়ে অনেকেই হয়তো তাকে আন্ডারডগ ভেবেছিলেন, কিন্তু রায়ান কুগলারের ‘সিনার্স’ ছবিতে জর্ডানের সেই বিধ্বংসী ও প্রাণবন্ত অভিনয় আজ তাকে পৌঁছে দিল সাফল্যের সর্বোচ্চ শিখরে। সোমবারের সেই আলোকোজ্জ্বল সকালে সোনালি ট্রফিটি হাতে নিয়ে যখন তিনি মঞ্চে দাঁড়ালেন, তখন তার চোখে ছিল জল আর কণ্ঠে ছিল জয়ের তৃপ্তি। এবারের আসরে সেরা অভিনেতার লড়াইটি ছিল সাম্প্রতিক সময়ের মধ্যে সবচেয়ে কঠিন। তবে ‘সিনার্স’ সিনেমায় স্মোক এবং স্ট্যাক নামের দুই যমজ ভাইয়ের চরিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে ইতিহাস গড়েছেন জর্ডান। অস্কারের ইতিহাসে তিনি মাত্র দ্বিতীয় ব্যক্তি, যিনি দ্বৈত চরিত্রে অভিনয়ের জন্য সেরা অভিনেতার পুরস্কার পেলেন। এর আগে ১৯৬৫ সালে লি মার্ভিন এই গৌরব অর্জন করেছিলেন। পরিচালক রায়াইন কুগলারের সঙ্গে জর্ডানের এটি তৃতীয় কাজ, যেখানে তিনি দ

শক্তিশালী প্রতিপক্ষদের পেছনে ফেলে অস্কার জিতলেন জর্ডান 
ডলবি থিয়েটারের নিস্তব্ধতা ভেঙে যখন তার নামটি উচ্চারিত হলো, তখন যেন হলিউডের ইতিহাসের এক নতুন অধ্যায় রচিত হলো। সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে ৯৮তম একাডেমি অ্যাওয়ার্ডসে ‘সেরা অভিনেতা’র মুকুট ছিনিয়ে নিলেন মাইকেল বি জর্ডান। লিওনার্দো ডিক্যাপ্রিও কিংবা টিমোথি শ্যালামের মতো শক্তিশালী প্রতিপক্ষদের ভিড়ে অনেকেই হয়তো তাকে আন্ডারডগ ভেবেছিলেন, কিন্তু রায়ান কুগলারের ‘সিনার্স’ ছবিতে জর্ডানের সেই বিধ্বংসী ও প্রাণবন্ত অভিনয় আজ তাকে পৌঁছে দিল সাফল্যের সর্বোচ্চ শিখরে। সোমবারের সেই আলোকোজ্জ্বল সকালে সোনালি ট্রফিটি হাতে নিয়ে যখন তিনি মঞ্চে দাঁড়ালেন, তখন তার চোখে ছিল জল আর কণ্ঠে ছিল জয়ের তৃপ্তি। এবারের আসরে সেরা অভিনেতার লড়াইটি ছিল সাম্প্রতিক সময়ের মধ্যে সবচেয়ে কঠিন। তবে ‘সিনার্স’ সিনেমায় স্মোক এবং স্ট্যাক নামের দুই যমজ ভাইয়ের চরিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে ইতিহাস গড়েছেন জর্ডান। অস্কারের ইতিহাসে তিনি মাত্র দ্বিতীয় ব্যক্তি, যিনি দ্বৈত চরিত্রে অভিনয়ের জন্য সেরা অভিনেতার পুরস্কার পেলেন। এর আগে ১৯৬৫ সালে লি মার্ভিন এই গৌরব অর্জন করেছিলেন। পরিচালক রায়াইন কুগলারের সঙ্গে জর্ডানের এটি তৃতীয় কাজ, যেখানে তিনি দুই ভাইয়ের চরিত্রে ভিন্ন ভিন্ন ব্যক্তিত্ব, কণ্ঠস্বর ও শারীরিক ভাষা ফুটিয়ে তুলে সমালোচকদের প্রশংসা কুড়িয়েছেন। সিনেমাটির গল্প আবর্তিত হয়েছে দুই ভাইকে কেন্দ্র করে, যারা শিকাগোতে আল কাপোনের হয়ে কাজ শেষে মিসিসিপিতে ফিরে এসে একটি ক্লাব খোলার পরিকল্পনা করে। সেখানে গিয়ে তারা এক অপার্থিব অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে জড়িয়ে পড়ে। জর্ডান তার চরিত্রে সূক্ষ্ম সব পরিবর্তন এনে দুই ভাইকে আলাদাভাবে পর্দায় তুলে ধরেছেন, যা তাকে এবারের পুরস্কার মৌসুমে সবচাইতে এগিয়ে রেখেছিল। এর আগে তিনি এই সিনেমার জন্য স্যাগ অ্যাওয়ার্ডেও সেরা অভিনেতার খেতাব জিতেছিলেন। সেরা অভিনেতার এই ক্যাটাগরিতে জর্ডানের সঙ্গে মনোনয়ন তালিকায় ছিলেন টিমোথি শ্যালামে (মার্টি সুপ্রিম), লিওনার্দো ডিক্যাপ্রিও (ওয়ান ব্যাটল আফটার অ্যানাদার), ইথান হক (ব্লু মুন) এবং ওয়াগনার মৌরা (দ্য সিক্রেট এজেন্ট)। চলচ্চিত্র বিশ্লেষকরা মনে করছেন, জর্ডানের এই জয় ‘সিনার্স’ সিনেমার সাফল্যের মুকুটে অন্যতম বড় একটি পালক যোগ করল।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow