শত্রুর সঙ্গেও যেন বেইনসাফি না হয় সেই প্রচেষ্টা থাকবে: হাসনাত আবদুল্লাহ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসন থেকে বিজয়ী এনসিপির দক্ষিণ অঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ বলেছেন, এই নির্বাচন ছিল আমার বিরুদ্ধে একটি বৃহৎ রাজনৈতিক ও প্রভাবশালী গোষ্ঠীর লড়াই। কিন্তু আমার সঙ্গে জনগণ ছিল। তাদের আস্থা ছিল। তাই আমি বিজয়ী হয়েছি। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে কুমিল্লা টাউন হল মাঠে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন। হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, আমরা ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করবো। আমার শত্রুর সঙ্গেও যেন কোনো বেইনসাফি না হয়, সে ধরনের সিস্টেম তৈরির জন্য আমাদের প্রচেষ্টা থাকবে। আমাদের ভেঙে পড়া রাষ্ট্র কাঠামো পুনর্গঠনে কাজ করবো। ফ্যাসিবাদের চূড়ান্ত বিলুপ্তিকে মূল লক্ষ্য উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমার রাজনৈতিক দল এনসিপির রাজনীতির মূল অঙ্গীকার হলো জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা, দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স এবং রাষ্ট্র কাঠামো ঢেলে সাজানো। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসনে ১ লাখ ৬৬ হাজার ৫৮৩টি ভোটে পেয়ে বিজয়ী হন এনসিপির এই নেতা। জামায়াত জোটের ১১ দলের পক্ষ থেকে তাকে সমর্থন দেওয়া হয়। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী গণঅধিকারের মো. আ. জসিম উদ্দিন পান ৪৯

শত্রুর সঙ্গেও যেন বেইনসাফি না হয় সেই প্রচেষ্টা থাকবে: হাসনাত আবদুল্লাহ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসন থেকে বিজয়ী এনসিপির দক্ষিণ অঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ বলেছেন, এই নির্বাচন ছিল আমার বিরুদ্ধে একটি বৃহৎ রাজনৈতিক ও প্রভাবশালী গোষ্ঠীর লড়াই। কিন্তু আমার সঙ্গে জনগণ ছিল। তাদের আস্থা ছিল। তাই আমি বিজয়ী হয়েছি।

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে কুমিল্লা টাউন হল মাঠে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।

হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, আমরা ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করবো। আমার শত্রুর সঙ্গেও যেন কোনো বেইনসাফি না হয়, সে ধরনের সিস্টেম তৈরির জন্য আমাদের প্রচেষ্টা থাকবে। আমাদের ভেঙে পড়া রাষ্ট্র কাঠামো পুনর্গঠনে কাজ করবো।

ফ্যাসিবাদের চূড়ান্ত বিলুপ্তিকে মূল লক্ষ্য উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমার রাজনৈতিক দল এনসিপির রাজনীতির মূল অঙ্গীকার হলো জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা, দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স এবং রাষ্ট্র কাঠামো ঢেলে সাজানো।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসনে ১ লাখ ৬৬ হাজার ৫৮৩টি ভোটে পেয়ে বিজয়ী হন এনসিপির এই নেতা। জামায়াত জোটের ১১ দলের পক্ষ থেকে তাকে সমর্থন দেওয়া হয়। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী গণঅধিকারের মো. আ. জসিম উদ্দিন পান ৪৯ হাজার ৮৮৫ ভোট। এই আসেন হ্যাঁ ভোট পড়ে ১ লাখ ৭১ হাজার ২৮৯টি এবং না ভোট পড়ে ৩৯ হাজার ৩৮১টি।

জাহিদ পাটোয়ারী/এফএ/জেআইএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow