শরীয়তপুরে সরকারি চাল নিয়ে কারসাজি, গুদাম কর্মকর্তা বদলি

শরীয়তপুরে সরকারি চাল পরিবহনকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট বিতর্কের জেরে সদর উপজেলার আংগারিয়া খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহনেওয়াজ আলমকে বদলি করা হয়েছে। তাকে মুন্সীগঞ্জ জেলায় কারিগরি খাদ্য পরিদর্শক হিসেবে বদলির নির্দেশ দিয়েছে আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়। বুধবার (১৫ এপ্রিল) আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রক সুরাইয়া খাতুন স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ আদেশ জারি করা হয়। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার দুপুরে আংগারিয়া খাদ্য গুদাম থেকে একটি ট্রাকে করে সরকারি সিলযুক্ত প্রায় ৪০০ বস্তা চাল কোটাপাড়া এলাকায় নেওয়া হচ্ছিল। ট্রাকটি শহরের পালং মডেল থানা সংলগ্ন সড়কে পৌঁছালে চালগুলো কালোবাজারে বিক্রির উদ্দেশ্যে সরানো হচ্ছে এমন অভিযোগ তুলে স্থানীয়রা ট্রাকটি আটকে দেয়। পরে সন্ধ্যায় পুলিশ ট্রাকসহ চালগুলো থানার সামনে নিয়ে যায়। তবে রাত সাড়ে ১০টার দিকে পুনরায় চালগুলো সরানোর চেষ্টা হলে চৌরঙ্গী এলাকায় আবারও ট্রাকটি আটক করে স্থানীয় জনতা। রাত ১২টার দিকে গুদামে ফেরত নেওয়ার চেষ্টা চালালে গুদাম কর্মকর্তা শাহনেওয়াজ আলমও স্থানীয়দের বাধার মুখে পড়েন। পরে মধ্যরাতে চালগুলো ট্রাকে করে জেলা খাদ্যগুদামে নেওয়া হয়। এ ঘটনায়

শরীয়তপুরে সরকারি চাল নিয়ে কারসাজি, গুদাম কর্মকর্তা বদলি
শরীয়তপুরে সরকারি চাল পরিবহনকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট বিতর্কের জেরে সদর উপজেলার আংগারিয়া খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহনেওয়াজ আলমকে বদলি করা হয়েছে। তাকে মুন্সীগঞ্জ জেলায় কারিগরি খাদ্য পরিদর্শক হিসেবে বদলির নির্দেশ দিয়েছে আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়। বুধবার (১৫ এপ্রিল) আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রক সুরাইয়া খাতুন স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ আদেশ জারি করা হয়। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার দুপুরে আংগারিয়া খাদ্য গুদাম থেকে একটি ট্রাকে করে সরকারি সিলযুক্ত প্রায় ৪০০ বস্তা চাল কোটাপাড়া এলাকায় নেওয়া হচ্ছিল। ট্রাকটি শহরের পালং মডেল থানা সংলগ্ন সড়কে পৌঁছালে চালগুলো কালোবাজারে বিক্রির উদ্দেশ্যে সরানো হচ্ছে এমন অভিযোগ তুলে স্থানীয়রা ট্রাকটি আটকে দেয়। পরে সন্ধ্যায় পুলিশ ট্রাকসহ চালগুলো থানার সামনে নিয়ে যায়। তবে রাত সাড়ে ১০টার দিকে পুনরায় চালগুলো সরানোর চেষ্টা হলে চৌরঙ্গী এলাকায় আবারও ট্রাকটি আটক করে স্থানীয় জনতা। রাত ১২টার দিকে গুদামে ফেরত নেওয়ার চেষ্টা চালালে গুদাম কর্মকর্তা শাহনেওয়াজ আলমও স্থানীয়দের বাধার মুখে পড়েন। পরে মধ্যরাতে চালগুলো ট্রাকে করে জেলা খাদ্যগুদামে নেওয়া হয়। এ ঘটনায় শাহনেওয়াজ আলমের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। ঘটনার পরদিন মঙ্গলবার জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক (ভারপ্রাপ্ত) হুমায়ুন কবির তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেন। কমিটির সদস্যরা হলেন- গোসাইরহাট উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক তারিকুল ইসলাম, জাজিরা উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মোহাম্মদ রাশেদ উজ্জামান এবং জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়ের কারিগরি খাদ্য পরিদর্শক মুহাম্মদ বেলায়েত হোসেন। এদিকে, বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর প্রশাসনের ভেতরেও আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক (ভারপ্রাপ্ত) হুমায়ুন কবির বলেন, প্রশাসনিক কারণে তাকে বদলি করা হয়েছে। তদন্তের পর ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ পরবর্তী ব্যবস্থা নেবে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow