শান্তর পরামর্শেই লিটনের ‘ক্যারিয়ার সেরা’ সেঞ্চুরি!
সিলেট টেস্টে দারুণ এক জয় তুলে নিয়ে পাকিস্তানকে আবারও হোয়াইটওয়াশ করেছে বাংলাদেশ। ঘরের মাঠে সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ৭৮ রানের জয় নিশ্চিত করে নাজমুল হোসেন শান্তর দল। এর মধ্য দিয়ে টানা দ্বিতীয় সিরিজে পাকিস্তানকে ২-০ ব্যবধানে হারালো বাংলাদেশ। শেষ দিনে বোলাররা ম্যাচ শেষ করলেও এই জয়ের ভিত গড়ে দেন লিটন দাস। প্রথম ইনিংসে দলের কঠিন সময়ে ব্যাট হাতে একাই লড়াই করে ১২৬ রান করেন এই উইকেটকিপার ব্যাটার। তার ইনিংসেই বড় সংগ্রহের পথে এগোয় বাংলাদেশ এবং প্রথম ইনিংসে ৪৬ রানের গুরুত্বপূর্ণ লিড নেয়। পরে দ্বিতীয় ইনিংসেও ৬৯ রানের কার্যকর ইনিংস খেলেন তিনি। দুই ইনিংস মিলিয়ে অসাধারণ পারফরম্যান্সের স্বীকৃতি হিসেবে ম্যাচসেরার পুরস্কারও ওঠে তার হাতে। ম্যাচ শেষে লিটন জানান, ব্যাটিংয়ের সময় অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তর একটি পরামর্শ তাকে পরিস্থিতি সামলাতে সাহায্য করেছে। লিটন বলেন, ‘শেষ দুই ইনিংসে রান পাইনি, তাই উইকেটে নামার সময় আমার মধ্যে কোনো চাপ ছিল না। কিন্তু হঠাৎ কয়েকটা উইকেট পড়ে যাওয়ার পর বুঝতে পারছিলাম না কী করা উচিত। তখন অধিনায়কের সঙ্গে কথা বলি, সে আমাকে আক্রমণাত্মক খেলতে বলে। এরপর আমি নিজের শক্তির জায়গাগুলোতেই
সিলেট টেস্টে দারুণ এক জয় তুলে নিয়ে পাকিস্তানকে আবারও হোয়াইটওয়াশ করেছে বাংলাদেশ। ঘরের মাঠে সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ৭৮ রানের জয় নিশ্চিত করে নাজমুল হোসেন শান্তর দল। এর মধ্য দিয়ে টানা দ্বিতীয় সিরিজে পাকিস্তানকে ২-০ ব্যবধানে হারালো বাংলাদেশ।
শেষ দিনে বোলাররা ম্যাচ শেষ করলেও এই জয়ের ভিত গড়ে দেন লিটন দাস। প্রথম ইনিংসে দলের কঠিন সময়ে ব্যাট হাতে একাই লড়াই করে ১২৬ রান করেন এই উইকেটকিপার ব্যাটার। তার ইনিংসেই বড় সংগ্রহের পথে এগোয় বাংলাদেশ এবং প্রথম ইনিংসে ৪৬ রানের গুরুত্বপূর্ণ লিড নেয়। পরে দ্বিতীয় ইনিংসেও ৬৯ রানের কার্যকর ইনিংস খেলেন তিনি। দুই ইনিংস মিলিয়ে অসাধারণ পারফরম্যান্সের স্বীকৃতি হিসেবে ম্যাচসেরার পুরস্কারও ওঠে তার হাতে।
ম্যাচ শেষে লিটন জানান, ব্যাটিংয়ের সময় অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তর একটি পরামর্শ তাকে পরিস্থিতি সামলাতে সাহায্য করেছে।
লিটন বলেন, ‘শেষ দুই ইনিংসে রান পাইনি, তাই উইকেটে নামার সময় আমার মধ্যে কোনো চাপ ছিল না। কিন্তু হঠাৎ কয়েকটা উইকেট পড়ে যাওয়ার পর বুঝতে পারছিলাম না কী করা উচিত। তখন অধিনায়কের সঙ্গে কথা বলি, সে আমাকে আক্রমণাত্মক খেলতে বলে। এরপর আমি নিজের শক্তির জায়গাগুলোতেই ভরসা রাখার চেষ্টা করেছি। দুটো বাউন্ডারি মারার পর মনে হলো, এটা টেস্ট ক্রিকেট—এখানে সময় নিয়ে ব্যাট করতে হবে। মাথায় এটাও ছিল যে সিলেটে বৃষ্টির সম্ভাবনা আছে, তাই ১০-১৫ ওভার টিকে থাকতে পারলে ম্যাচের পরিস্থিতিই বদলে যেতে পারে।’
প্রথম ইনিংসে ১১৬ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে বাংলাদেশ। সেই অবস্থায় টেলএন্ডারদের নিয়ে ইনিংস গড়ে দলকে লড়াইয়ে ফেরান লিটন। তার মতে, এই সেঞ্চুরিটি ক্যারিয়ারের বিশেষ ইনিংসগুলোর একটি।
লিটন বলেন, ‘আমি আসলে নিজেকে উইকেটে ধরে রাখতে চেয়েছি এবং যত বেশি সম্ভব বল খেলতে চেয়েছি। টেইলএন্ডাররা যতক্ষণ নিরাপদ, আমিও ততক্ষণ নিরাপদ। সম্ভবত এটিই আমার ক্যারিয়ারের সেরা সেঞ্চুরি। টেইলএন্ডারদের নিয়ে ব্যাটিং করা সহজ নয়, কারণ তখন সব ফিল্ডারই বাইরে থাকে। প্রথম দিনের উইকেটও খুব সহজ ছিল না, আউটফিল্ডও ছিল ধীর।’
এসকেডি/এমএমআর
What's Your Reaction?