শান্তিরক্ষা ম্যান্ডেট অক্ষুণ্ন রাখার আহ্বান বাংলাদেশের

জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে চলমান তারল্য সংকটের মধ্যেও শান্তিরক্ষা ম্যান্ডেট অক্ষুণ্ন রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেছে বাংলাদেশ। একই সঙ্গে রোহিঙ্গা সংকটের দীর্ঘমেয়াদি সমাধান হিসেবে মিয়ানমারে বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের নিরাপদ প্রত্যাবাসনের ওপর জোর দিয়েছে সরকার। বৃহস্পতিবার (১৫ মে) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ১৪ মে নিউইয়র্কে জাতিসংঘের রাজনৈতিক, শান্তি প্রতিষ্ঠা ও শান্তিরক্ষা কার্যক্রম বিভাগের মধ্যপ্রাচ্য, এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের সহকারী মহাসচিব খালেদ খিয়ারির সঙ্গে বৈঠক করেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ। বৈঠকে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা, টেকসই উন্নয়ন, শান্তি প্রতিষ্ঠা এবং বহুপাক্ষিক সহযোগিতার প্রতি বাংলাদেশের দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি নবনির্বাচিত সরকারের অগ্রাধিকার তুলে ধরে জনগণের আস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠা, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের সক্ষমতা ও গ্রহণযোগ্যতা বৃদ্ধি, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত এবং মানবাধিকার ও আইনের শাসন সমুন্নত রাখার বিষয়ে সরকারের প্রতিশ্রুতির কথা জানান। এসময় শামা ওবায়েদ বলেন, সামাজিক-অ

শান্তিরক্ষা ম্যান্ডেট অক্ষুণ্ন রাখার আহ্বান বাংলাদেশের

জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে চলমান তারল্য সংকটের মধ্যেও শান্তিরক্ষা ম্যান্ডেট অক্ষুণ্ন রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেছে বাংলাদেশ। একই সঙ্গে রোহিঙ্গা সংকটের দীর্ঘমেয়াদি সমাধান হিসেবে মিয়ানমারে বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের নিরাপদ প্রত্যাবাসনের ওপর জোর দিয়েছে সরকার।

বৃহস্পতিবার (১৫ মে) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ১৪ মে নিউইয়র্কে জাতিসংঘের রাজনৈতিক, শান্তি প্রতিষ্ঠা ও শান্তিরক্ষা কার্যক্রম বিভাগের মধ্যপ্রাচ্য, এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের সহকারী মহাসচিব খালেদ খিয়ারির সঙ্গে বৈঠক করেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ।

বৈঠকে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা, টেকসই উন্নয়ন, শান্তি প্রতিষ্ঠা এবং বহুপাক্ষিক সহযোগিতার প্রতি বাংলাদেশের দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।

তিনি নবনির্বাচিত সরকারের অগ্রাধিকার তুলে ধরে জনগণের আস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠা, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের সক্ষমতা ও গ্রহণযোগ্যতা বৃদ্ধি, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত এবং মানবাধিকার ও আইনের শাসন সমুন্নত রাখার বিষয়ে সরকারের প্রতিশ্রুতির কথা জানান।

এসময় শামা ওবায়েদ বলেন, সামাজিক-অর্থনৈতিক ঝুঁকি মোকাবিলায় সরকার ‌‌‘ফ্যামিলি কার্ড’ ও ‘ফার্মার্স কার্ড’ কর্মসূচিসহ বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে।

তিনি বলেন, সংঘাত-পরবর্তী পরিস্থিতিতে নারী ও তরুণদের অংশগ্রহণ আরও বাড়ানো প্রয়োজন। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশের ভূমিকার কথাও তুলে ধরেন তিনি।

রোহিঙ্গা সংকট প্রসঙ্গে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, মিয়ানমারে বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে প্রত্যাবর্তন নিশ্চিত করাই এ সংকটের একমাত্র কার্যকর দীর্ঘমেয়াদি সমাধান। প্রত্যাবাসন না হওয়া পর্যন্ত আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের অব্যাহত সহযোগিতা ও সমর্থনও কামনা করেন তিনি।

বৈঠকে সহকারী মহাসচিব খালেদ খিয়ারি জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের অবদান এবং শান্তি ও নিরাপত্তা উদ্যোগে নারীদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধিতে বাংলাদেশের ভূমিকার প্রশংসা করেন।

জেপিআই/এসএনআর 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow