শার্শায় ইয়াবাসহ স্বামী-স্ত্রী আটক, অধরা শতাধিক কারবারি

যশোরের শার্শায় পুলিশের অভিযানে ৫৩ পিস ইয়াবাসহ স্বামী-স্ত্রী আটক হয়েছেন। উক্ত এলাকায় শতাধিক মাদক কারবারি এখনো অধরা রয়েছে।আটককৃতরা হলেন উপজেলার দক্ষিণ বুরুজবাগান গ্রামের মৃত শেখ জোহর আলীর ছেলে শেখ আবুল হোসেন (৫৫) এবং তার স্ত্রী মাছুরা খাতুন (৪৫)।রবিবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শার্শা থানা পুলিশের একটি দল দক্ষিণ বুরুজবাগান গ্রামের মাদকপল্লী হিসেবে পরিচিত পূর্ব মহল্লায় অভিযান চালায়। এ সময় শেখ আবুল হোসেনের বাড়ির উঠান থেকে তাদের আটক করা হয়।পুলিশ জানায়, অভিযানের সময় শেখ আবুল হোসেনের কাছ থেকে ৩৬ পিস এবং তার স্ত্রী মাছুরা খাতুনের কাছ থেকে ১৭ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট জব্দ করা হয়। উদ্ধার করা ইয়াবা জব্দ তালিকার মাধ্যমে জব্দ করা হয়েছে।উল্লেখ্য, এ পরিবারের সদস্য পিন্টু একটি মাদক মামলায় ৩০ বছরের সাজাপ্রাপ্ত হয়ে যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে রয়েছেন।এলাকাবাসী জানান, যশোরের শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ীদের নিরাপদ আস্তানা হিসেবে পরিচিত উক্ত মহল্লা। প্রায় তিন যুগ ধরে এ মহল্লার কুখ্যাতি রয়েছে। শতাধিক মাদক ব্যবসায়ী এখানে বসবাস করেন। অসংখ্য মামলাও রয়েছে তাদের নামে। পুলিশ অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করলেও জামিনে এসে আ

শার্শায় ইয়াবাসহ স্বামী-স্ত্রী আটক, অধরা শতাধিক কারবারি

যশোরের শার্শায় পুলিশের অভিযানে ৫৩ পিস ইয়াবাসহ স্বামী-স্ত্রী আটক হয়েছেন। উক্ত এলাকায় শতাধিক মাদক কারবারি এখনো অধরা রয়েছে।

আটককৃতরা হলেন উপজেলার দক্ষিণ বুরুজবাগান গ্রামের মৃত শেখ জোহর আলীর ছেলে শেখ আবুল হোসেন (৫৫) এবং তার স্ত্রী মাছুরা খাতুন (৪৫)।

রবিবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শার্শা থানা পুলিশের একটি দল দক্ষিণ বুরুজবাগান গ্রামের মাদকপল্লী হিসেবে পরিচিত পূর্ব মহল্লায় অভিযান চালায়। এ সময় শেখ আবুল হোসেনের বাড়ির উঠান থেকে তাদের আটক করা হয়।

পুলিশ জানায়, অভিযানের সময় শেখ আবুল হোসেনের কাছ থেকে ৩৬ পিস এবং তার স্ত্রী মাছুরা খাতুনের কাছ থেকে ১৭ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট জব্দ করা হয়। উদ্ধার করা ইয়াবা জব্দ তালিকার মাধ্যমে জব্দ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, এ পরিবারের সদস্য পিন্টু একটি মাদক মামলায় ৩০ বছরের সাজাপ্রাপ্ত হয়ে যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে রয়েছেন।

এলাকাবাসী জানান, যশোরের শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ীদের নিরাপদ আস্তানা হিসেবে পরিচিত উক্ত মহল্লা। প্রায় তিন যুগ ধরে এ মহল্লার কুখ্যাতি রয়েছে। শতাধিক মাদক ব্যবসায়ী এখানে বসবাস করেন। অসংখ্য মামলাও রয়েছে তাদের নামে। পুলিশ অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করলেও জামিনে এসে আবারও পূর্বের ব্যবসায় ফিরে আসে। এমনও ব্যক্তি আছেন যাদের নামে রয়েছে ডজন ডজন মামলা। অনেকে সাজাপ্রাপ্ত হলেও উচ্চ আদালত হতে জামিনে এসে আবারও কারবারে জড়িয়ে পড়ছেন।

শার্শা থানার ওসি শামিনুল হক জানান, এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে। আটক দুই আসামিকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। মাদক নির্মূলে অভিযান অব্যাহত থাকবে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow