শাশুড়ি হত্যায় ডাকাতির নাটক : পুত্রবধূসহ গ্রেপ্তার ৩
গাজীপুরের সদরে পিরুজালী মধ্যপাড়া এলাকায় শাশুড়িকে হত্যার পর ডাকাতির নাটক সাজানোর অভিযোগে পুত্রবধূসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। বুধবার (৮ এপ্রিল) রাত ১১টার দিকে তাদের গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এ ঘটনায় গ্রেপ্তার অন্য দুই আসামি হলো- উজ্জ্বল হোসেন (৪৬) ও শাহনাজ বেগম (৪৫)। পুলিশ জানায়, নিহত আছমা আক্তারকে হত্যার ঘটনাটি প্রথমে ডাকাতি বলে প্রচার করা হলেও তদন্তে ভিন্ন চিত্র উঠে আসে। গাজীপুর জেলা পুলিশ সুপার মো. শরিফ উদ্দিনের দিকনির্দেশনায় একটি চৌকস টিম তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তদন্ত শুরু করে। পরে নিশ্চিত হওয়া যায়, এটি কোনো ডাকাতির ঘটনা নয়, বরং পরিকল্পিত হত্যা। তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, নিহতের পুত্রবধূ আরিফা আক্তার উর্মী (২২) ও তার সহযোগীরা রাতে আছমা আক্তার ঘুমিয়ে পড়ার পর তার কক্ষে প্রবেশ করে। ঘরে রাখা প্রায় সাড়ে তিন লাখ টাকা ও স্বর্ণালংকার চুরির সময় আছমা আক্তার দেখে ফেললে, তাকে গলায় গামছা পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়। এরপর ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে ডাকাতির গল্প তৈরি করা হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই সুজন রঞ্জন তালুকদার জানান, গত মঙ্গলবার
গাজীপুরের সদরে পিরুজালী মধ্যপাড়া এলাকায় শাশুড়িকে হত্যার পর ডাকাতির নাটক সাজানোর অভিযোগে পুত্রবধূসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।
বুধবার (৮ এপ্রিল) রাত ১১টার দিকে তাদের গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এ ঘটনায় গ্রেপ্তার অন্য দুই আসামি হলো- উজ্জ্বল হোসেন (৪৬) ও শাহনাজ বেগম (৪৫)।
পুলিশ জানায়, নিহত আছমা আক্তারকে হত্যার ঘটনাটি প্রথমে ডাকাতি বলে প্রচার করা হলেও তদন্তে ভিন্ন চিত্র উঠে আসে। গাজীপুর জেলা পুলিশ সুপার মো. শরিফ উদ্দিনের দিকনির্দেশনায় একটি চৌকস টিম তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তদন্ত শুরু করে। পরে নিশ্চিত হওয়া যায়, এটি কোনো ডাকাতির ঘটনা নয়, বরং পরিকল্পিত হত্যা।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, নিহতের পুত্রবধূ আরিফা আক্তার উর্মী (২২) ও তার সহযোগীরা রাতে আছমা আক্তার ঘুমিয়ে পড়ার পর তার কক্ষে প্রবেশ করে। ঘরে রাখা প্রায় সাড়ে তিন লাখ টাকা ও স্বর্ণালংকার চুরির সময় আছমা আক্তার দেখে ফেললে, তাকে গলায় গামছা পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়। এরপর ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে ডাকাতির গল্প তৈরি করা হয়।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই সুজন রঞ্জন তালুকদার জানান, গত মঙ্গলবার দিবাগত রাতে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে। প্রাথমিকভাবে পুত্রবধূ ডাকাতির দাবি করলেও জিজ্ঞাসাবাদে তার বক্তব্যে অসঙ্গতি ধরা পড়ে। একপর্যায়ে তিনি হত্যার বিষয়টি স্বীকার করেন।
জয়দেবপুর থানার কর্মকর্তা (ওসি) নয়ন কুমার কর জানান, তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় আসামিদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তার করা হয়। এ ঘটনায় থানায় একটি হত্যা মামলা (নং-১২) দায়ের হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সকালে আসামিদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।
এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ ও ক্ষোভ বিরাজ করছে। দ্রুত বিচার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
What's Your Reaction?