শাহজালালে ‘শেয়ালের খপ্পড়ে’ ইন্ডিগো এয়ারলাইন্স, ভিডিও ভাইরাল

ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের পর অপ্রত্যাশিতভাবে শেয়ালের ‘খপ্পড়ে’ পড়ে ভারতের ইন্ডিগো এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইট। ট্যাক্সিওয়ে দিয়ে টার্মিনালের দিকে যাওয়ার সময় রানওয়ে এলাকায় একটি শেয়াল দেখতে পেয়ে উড়োজাহাজ থামিয়ে দেন পাইলট। পরে কন্ট্রোল টাওয়ারের কাছে সহায়তা চান তিনি। তবে টাওয়ার থেকে লোক পাঠানো হলেও শেয়ালটি খুঁজে পাওয়া যায়নি। কয়েক মিনিট অপেক্ষার পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে ফ্লাইটটি আবার টার্মিনালের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে। ঘটনার পুরো দৃশ্য ক্যামেরাবন্দি করেন এক প্লেন স্পটার। পরে রাতে ‘রয়েল বেঙ্গল এভিয়েশন’ নামের একটি ফেসবুক পেজে ইন্ডিগোর ওই ফ্লাইটের ভিডিও প্রকাশ করা হয়। হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সূত্র জানায়, ওই ঘটনাটি বুধবারের (১৩ মে)। সব মিলিয়ে মিনিটখানেক আটকে ছিল ফ্লাইটটি। রয়েল বেঙ্গল এভিয়েশনের পেজে আপলোড করা শাহজালাল বিমানবন্দরের কন্ট্রোল টাওয়ারের সঙ্গে ইন্ডিগোর ককপিটের কথোপকথনও ওই ভিডিওতে শোনা যায়। ককপিট: স্যার উড়োজাহাজের ডান পাশে ৩০ ফুট দূরে ঘাসের মধ্যে একটি শিয়াল দেখতে পাচ্ছি। আমরা হোল্ড (অপেক্ষা) করছি। সেটাকে সরিয়ে দিলে আমরা ট্যাক্সি (ভূমিতে গড়িয়ে চলা)

শাহজালালে ‘শেয়ালের খপ্পড়ে’ ইন্ডিগো এয়ারলাইন্স, ভিডিও ভাইরাল

ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের পর অপ্রত্যাশিতভাবে শেয়ালের ‘খপ্পড়ে’ পড়ে ভারতের ইন্ডিগো এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইট। ট্যাক্সিওয়ে দিয়ে টার্মিনালের দিকে যাওয়ার সময় রানওয়ে এলাকায় একটি শেয়াল দেখতে পেয়ে উড়োজাহাজ থামিয়ে দেন পাইলট। পরে কন্ট্রোল টাওয়ারের কাছে সহায়তা চান তিনি।

তবে টাওয়ার থেকে লোক পাঠানো হলেও শেয়ালটি খুঁজে পাওয়া যায়নি। কয়েক মিনিট অপেক্ষার পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে ফ্লাইটটি আবার টার্মিনালের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে। ঘটনার পুরো দৃশ্য ক্যামেরাবন্দি করেন এক প্লেন স্পটার। পরে রাতে ‘রয়েল বেঙ্গল এভিয়েশন’ নামের একটি ফেসবুক পেজে ইন্ডিগোর ওই ফ্লাইটের ভিডিও প্রকাশ করা হয়।

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সূত্র জানায়, ওই ঘটনাটি বুধবারের (১৩ মে)। সব মিলিয়ে মিনিটখানেক আটকে ছিল ফ্লাইটটি।

রয়েল বেঙ্গল এভিয়েশনের পেজে আপলোড করা শাহজালাল বিমানবন্দরের কন্ট্রোল টাওয়ারের সঙ্গে ইন্ডিগোর ককপিটের কথোপকথনও ওই ভিডিওতে শোনা যায়।

ককপিট: স্যার উড়োজাহাজের ডান পাশে ৩০ ফুট দূরে ঘাসের মধ্যে একটি শিয়াল দেখতে পাচ্ছি। আমরা হোল্ড (অপেক্ষা) করছি। সেটাকে সরিয়ে দিলে আমরা ট্যাক্সি (ভূমিতে গড়িয়ে চলা) করবো।

টাওয়ার: এই পরিস্থিতিতে আমরা কাউকে পাঠাচ্ছি, আপনারা অপেক্ষমাণ থাকুন।

কিছুক্ষণ পরে ককপিট: আরেকটি শিয়াল বাম থেকে ডানে গেল। এখন দুটো শিয়াল উড়োজাহাজের ১০০ ফিট সামনে অবস্থান করছে।

টাওয়ার: আমরা এর মধ্যেই দুজন লোককে একটি গাড়িসহ পাঠিয়েছি। তারা যে কোনো মুহূর্তে সেখানে পৌঁছে যাবে।

এর কিছুক্ষণ পরেই একটি কালো পিকআপ সেখানে যেতে দেখা যায়। এরপর টাওয়ার থেকে সাহায্যের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে বলা হয়।

তখন ককপিট থেকে বলা হয়, ‌‘শিয়ালগুলো ওই গাড়িটা থেকে থ্রিও ক্লক (৯০ ডিগ্রি কৌনিক দুরত্ব) অবস্থানে আনুমানিক ৫০ ফিট দূরত্বে ঘাসের মধ্যে লুকিয়ে আছে। আমার মনে হয় সেখানে একটা গর্ত আছে।’

এরপর গাড়িতে আসা লোকেরা উড়োজাহাজটির সামনে থেকে একটি সবুজ রঙের পলিথিন কুড়িয়ে হাতে নিয়ে সেটি দেখিয়ে ককপিটের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

এসময় টাওয়ার থেকে বলা হয়, ‘সাহায্যে যাওয়া ব্যক্তিরা বলছেন তারা উড়োজাহাজের ডান পাশে কেবল একটি পলিথিন পেয়েছেন। এখন কী আপনারা ট্যাক্সি করতে প্রস্তুত।

তারপর ককপিট থেকে সম্মতিসূচক বার্তা দেওয়া হয়।

এমএমএ/এমএএইচ/

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow