শাহবাগ থানার দুই মামলা থেকে খালাস পেলেন আখতার হোসেন

রাজধানীর শাহবাগ থানায় দায়ের হওয়া পৃথক দুই মামলায় খালাস পেয়েছেন ডাকসুর সাবেক সমাজসেবা সম্পাদক ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্যসচিব আখতার হোসেন। মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) শুনানি শেষে ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আওলাদ হোসাইন মোহাম্মদ জুনায়েদ এবং অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলাম পৃথকভাবে এই আদেশ দেন। শুনানিতে আখতার হোসেনের পক্ষে আইনজীবী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের অ্যাডভোকেট মো. মুজাহিদুল ইসলাম, ঢাকা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের অ্যাডভোকেট মো. আবদুল্লাহ আল ফারুক ও অ্যাডভোকেট মো. ইকবাল হোসেনসহ অন্যান্য আইনজীবীরা। রাষ্ট্রপক্ষে অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটরসহ একাধিক পাবলিক প্রসিকিউটর শুনানিতে অংশ নেন। আখতার হোসেনের আইনজীবী মো. মুজাহিদুল ইসলাম জানান, সম্প্রতি মামলাগুলো প্রত্যাহারের জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আবেদন করা হয়। পরবর্তীতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় মামলাগুলো প্রত্যাহারের গেজেট প্রকাশ করে। সেই গেজেটের কপি আদালতে উপস্থাপন করে খালাসের আবেদন জানানো হলে শুনানি শেষে আদালত মামলাগুলো প্রত্যাহার করে আখতার হোসেনকে খালাস দেন। এর আগে গত ২৮ ডিসেম্বর এই দ

শাহবাগ থানার দুই মামলা থেকে খালাস পেলেন আখতার হোসেন

রাজধানীর শাহবাগ থানায় দায়ের হওয়া পৃথক দুই মামলায় খালাস পেয়েছেন ডাকসুর সাবেক সমাজসেবা সম্পাদক ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্যসচিব আখতার হোসেন।

মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) শুনানি শেষে ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আওলাদ হোসাইন মোহাম্মদ জুনায়েদ এবং অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলাম পৃথকভাবে এই আদেশ দেন।

শুনানিতে আখতার হোসেনের পক্ষে আইনজীবী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের অ্যাডভোকেট মো. মুজাহিদুল ইসলাম, ঢাকা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের অ্যাডভোকেট মো. আবদুল্লাহ আল ফারুক ও অ্যাডভোকেট মো. ইকবাল হোসেনসহ অন্যান্য আইনজীবীরা।

রাষ্ট্রপক্ষে অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটরসহ একাধিক পাবলিক প্রসিকিউটর শুনানিতে অংশ নেন।

আখতার হোসেনের আইনজীবী মো. মুজাহিদুল ইসলাম জানান, সম্প্রতি মামলাগুলো প্রত্যাহারের জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আবেদন করা হয়। পরবর্তীতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় মামলাগুলো প্রত্যাহারের গেজেট প্রকাশ করে। সেই গেজেটের কপি আদালতে উপস্থাপন করে খালাসের আবেদন জানানো হলে শুনানি শেষে আদালত মামলাগুলো প্রত্যাহার করে আখতার হোসেনকে খালাস দেন।

এর আগে গত ২৮ ডিসেম্বর এই দুই মামলায় আত্মসমর্পণ করে জামিন পান আখতার।

মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ২০২১ সালে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফর কেন্দ্র করে শাহবাগ থানায় তার বিরুদ্ধে পৃথক তিনটি মামলা দায়ের করা হয়। ওই বছরের ১৩ এপ্রিল পবিত্র রমজান উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় দুস্থদের মধ্যে ইফতারসামগ্রী বিতরণকালে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তাকে ওই মামলাগুলোতে গ্রেফতার দেখানো হয়।

আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে আখতার হোসেনের বিরুদ্ধে মোট ছয়টি মামলা দায়ের হয়েছিল। এর মধ্যে চারটি মামলায় তিনি আগেই অব্যাহতি পান। মঙ্গলবার বাকি দুটি মামলা থেকেও খালাস পাওয়ায় বর্তমানে তিনি সব মামলা থেকে মুক্ত হলেন।

এমডিএএ/এমআইএইচএস

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow