শিক্ষাবিদ-সাহিত্যিক ড. মঞ্জুশ্রী চৌধুরীর ২০তম মৃত্যুবার্ষিকী কাল
রত্নগর্ভা নারী, শিক্ষাবিদ ও সাহিত্যিক ড. মঞ্জুশ্রী চৌধুরীর ২০তম মৃত্যুবার্ষিকী আগামীকাল বৃহস্পতিবার (১১ জুন)। তিনি ২০০৬ সালের ১১ জুন মৃত্যুবরণ করেন। সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার আকিলপুর গ্রামের এই কৃতী সন্তান শিক্ষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতিতে রেখে গেছেন অনন্য অবদান। শিক্ষাঙ্গনের পরিচিত মুখ ড. মঞ্জুশ্রী চৌধুরী ১৯৪১ সালে সিলেটের এমসি কলেজ থেকে ডিস্টিংশনসহ বিএ ডিগ্রি অর্জন করেন। পরে ১৯৫২-৫৩ শিক্ষাবর্ষে ঢাকা টিচার্স ট্রেনিং কলেজ থেকে প্রথম শ্রেণিতে বিএটি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। ১৯৬০ সালে তিনি প্রধান শিক্ষিকার পদে উন্নীত হন। স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালের জানুয়ারিতে বাংলাদেশ বেতারে সম্প্রচারিত ‘বাংলাদেশ পতাকা’ শীর্ষক প্রতীকী ব্যঞ্জনাময় কথিকার রচয়িতা ছিলেন তিনি। তার পিএইচডি গবেষণার বিষয় ছিল ‘রবীন্দ্রনাথের রূপক-সাংকেতিক নাটক’। স্বাধীন বাংলাদেশে নতুন পাঠ্যপুস্তক প্রণয়নের কাজেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। বাংলা পাঠ্যপুস্তকের অন্যতম প্রণেতা হিসেবে তিনি বিশেষভাবে স্মরণীয়। ১৯৭৮ সালে তিনি বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজে বাংলা বিভাগের প্রধান হিসেবে অধ্যাপক পদে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। ড. মঞ্জুশ্রী চৌধুরীর
রত্নগর্ভা নারী, শিক্ষাবিদ ও সাহিত্যিক ড. মঞ্জুশ্রী চৌধুরীর ২০তম মৃত্যুবার্ষিকী আগামীকাল বৃহস্পতিবার (১১ জুন)। তিনি ২০০৬ সালের ১১ জুন মৃত্যুবরণ করেন। সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার আকিলপুর গ্রামের এই কৃতী সন্তান শিক্ষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতিতে রেখে গেছেন অনন্য অবদান।
শিক্ষাঙ্গনের পরিচিত মুখ ড. মঞ্জুশ্রী চৌধুরী ১৯৪১ সালে সিলেটের এমসি কলেজ থেকে ডিস্টিংশনসহ বিএ ডিগ্রি অর্জন করেন। পরে ১৯৫২-৫৩ শিক্ষাবর্ষে ঢাকা টিচার্স ট্রেনিং কলেজ থেকে প্রথম শ্রেণিতে বিএটি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। ১৯৬০ সালে তিনি প্রধান শিক্ষিকার পদে উন্নীত হন।
স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালের জানুয়ারিতে বাংলাদেশ বেতারে সম্প্রচারিত ‘বাংলাদেশ পতাকা’ শীর্ষক প্রতীকী ব্যঞ্জনাময় কথিকার রচয়িতা ছিলেন তিনি। তার পিএইচডি গবেষণার বিষয় ছিল ‘রবীন্দ্রনাথের রূপক-সাংকেতিক নাটক’। স্বাধীন বাংলাদেশে নতুন পাঠ্যপুস্তক প্রণয়নের কাজেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। বাংলা পাঠ্যপুস্তকের অন্যতম প্রণেতা হিসেবে তিনি বিশেষভাবে স্মরণীয়।
১৯৭৮ সালে তিনি বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজে বাংলা বিভাগের প্রধান হিসেবে অধ্যাপক পদে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
ড. মঞ্জুশ্রী চৌধুরীর জ্যেষ্ঠ পুত্র ড. শুভাগত চৌধুরী চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ, চিকিৎসাবিষয়ক গ্রন্থপ্রণেতা ও কলামিস্ট। কনিষ্ঠ পুত্র ড. অরূপরতন চৌধুরী বারডেম হাসপাতালের ডেন্টাল বিভাগের ভিজিটিং প্রফেসর। তিনি একজন শব্দসৈনিক, রবীন্দ্রসংগীতশিল্পী এবং মাদকদ্রব্য ও নেশা নিরোধী সংস্থার (মানস) প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি। একমাত্র কন্যা ড. মধুশ্রী ভদ্র ঢাকা কলেজের উদ্ভিদবিদ্যা বিভাগের সাবেক অধ্যাপিকা।
১৯৯৫ সালে নিজ গ্রাম আকিলপুরে ‘প্রতিভা পাঠাগার’ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে ড. মঞ্জুশ্রী চৌধুরী ‘মঞ্জুশ্রী একাডেমি’র স্বপ্নের ভিত্তি রচনা করেন। এ পর্যন্ত একাডেমি থেকে ৭০টিরও বেশি গ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে।
তার মৃত্যুবার্ষিকীতে পরিবারের সদস্য, শুভানুধ্যায়ী, শিক্ষার্থী ও গুণগ্রাহীরা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে তার অবদান স্মরণ করছেন।
What's Your Reaction?