শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে দ্বিতীয় দিনের মতো সাভারে মহাসড়ক অবরোধ
শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে টানা দ্বিতীয় দিনের মতো ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন সাভারের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা। এতে মহাসড়কের উভয় পাশে যানবাহনের দীর্ঘ সারি সৃষ্টি হয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়েন যাত্রীরা। বুধবার (১৫ জুলাই) দুপুরে সাভারের পাকিজা মোড়ে জড়ো হয়ে মহাসড়কে অবস্থান নেন আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা। এ সময় তারা বিভিন্ন স্লোগান দিয়ে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবি জানান। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ঘটনাস্থলে অবস্থান নেয় পুলিশ। পরে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনা করে সড়ক স্বাভাবিক করার চেষ্টা চালায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। আন্দোলনকারীরা জানান, শিক্ষার্থীদের নিয়ে শিক্ষামন্ত্রীর সাম্প্রতিক মন্তব্য তাদের ক্ষুব্ধ করেছে। ওই বক্তব্য প্রত্যাহার ও শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন তারা। অবস্থান কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থী আসিফ বলেন, ‘শিক্ষামন্ত্রী শিক্ষার্থীদের নিয়ে যে ব্যঙ্গাত্মক মন্তব্য করেছেন, তা পুরো দেশের মানুষ দেখেছে। আমরা এ বক্তব্যের তীব্র নিন্দা জানাই এবং তার পদত্যাগ দাবি করছি।’ আরেক শিক্ষার্থী আমেনা বলেন, একজন শিক্ষামন্ত্রীর কাছ থেকে
শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে টানা দ্বিতীয় দিনের মতো ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন সাভারের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা। এতে মহাসড়কের উভয় পাশে যানবাহনের দীর্ঘ সারি সৃষ্টি হয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়েন যাত্রীরা।
বুধবার (১৫ জুলাই) দুপুরে সাভারের পাকিজা মোড়ে জড়ো হয়ে মহাসড়কে অবস্থান নেন আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা। এ সময় তারা বিভিন্ন স্লোগান দিয়ে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবি জানান। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ঘটনাস্থলে অবস্থান নেয় পুলিশ। পরে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনা করে সড়ক স্বাভাবিক করার চেষ্টা চালায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
আন্দোলনকারীরা জানান, শিক্ষার্থীদের নিয়ে শিক্ষামন্ত্রীর সাম্প্রতিক মন্তব্য তাদের ক্ষুব্ধ করেছে। ওই বক্তব্য প্রত্যাহার ও শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন তারা।
অবস্থান কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থী আসিফ বলেন, ‘শিক্ষামন্ত্রী শিক্ষার্থীদের নিয়ে যে ব্যঙ্গাত্মক মন্তব্য করেছেন, তা পুরো দেশের মানুষ দেখেছে। আমরা এ বক্তব্যের তীব্র নিন্দা জানাই এবং তার পদত্যাগ দাবি করছি।’
আরেক শিক্ষার্থী আমেনা বলেন, একজন শিক্ষামন্ত্রীর কাছ থেকে এমন ভাষা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। শিক্ষার্থীরা তার সন্তানতুল্য। তাই তিনি নৈতিকভাবে দায়িত্ব পালনের যোগ্যতা হারিয়েছেন।
ঢাকা জেলা ট্রাফিক উত্তরের টিআই এডমিন রুহুল আমিন সোহেল কালবেলাকে বলেন, দুপুর ২টার দিকে শিক্ষার্থীরা মহাসড়কে অবস্থান নেন। আমরা তাদের সঙ্গে আলোচনা করে শান্তিপূর্ণভাবে সড়ক ছেড়ে দেওয়ার চেষ্টা করছি। তবে শিক্ষার্থীরা বলছেন দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত তারা সড়ক ছাড়বেন না। যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে আমরা সড়কে অবস্থান নিয়েছি।
What's Your Reaction?