শিক্ষা আইন-২০২৬ নিয়ে ৯৯৯ শিক্ষকের উদ্বেগ

দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়, কলেজ ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রায় এক হাজার শিক্ষক শিক্ষা আইন ২০২৬-এর খসড়া প্রকাশ ও দ্রুত বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।  তাদের দাবি, নির্বাচনমুখী পরিস্থিতিতে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান দায়িত্ব হওয়া উচিত একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের প্রস্তুতি নেওয়া; এ সময়ে গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা আইন তড়িঘড়ি বাস্তবায়নের উদ্যোগ প্রশ্নের জন্ম দিচ্ছে। বিবৃতিতে বলা হয়, আলোচ্য আইনে অন্তর্ভুক্তিমূলক ও বৈষম্যহীন শিক্ষার কথা বলা হলেও কিছু অস্পষ্ট পরিভাষা এবং উন্মুক্ত ধারা যুক্ত করা হয়েছে, যা ভবিষ্যতে ভিন্ন ব্যাখ্যার সুযোগ সৃষ্টি করতে পারে। শিক্ষকরা মনে করেন, শিক্ষাক্রম প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে অভিভাবকদের ধর্মীয় বিশ্বাস, সামাজিক বাস্তবতা ও নৈতিক মূল্যবোধের প্রতি সম্মান বজায় রাখা জরুরি। তারা বলেন, আন্তর্জাতিক মান অনুসরণ করা হলেও তা দেশের সংবিধান, সংস্কৃতি ও সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণের মূল্যবোধের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হতে হবে। একই সঙ্গে ‘বিশেষ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান’, ‘সুবিধাবঞ্চিত’, ‘বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন’ ইত্যাদি পরিভাষার সুস্পষ্ট সংজ্ঞা নির্ধারণের দাবি জানান তারা। বিবৃতিতে উল্লে

শিক্ষা আইন-২০২৬ নিয়ে ৯৯৯ শিক্ষকের উদ্বেগ
দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়, কলেজ ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রায় এক হাজার শিক্ষক শিক্ষা আইন ২০২৬-এর খসড়া প্রকাশ ও দ্রুত বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।  তাদের দাবি, নির্বাচনমুখী পরিস্থিতিতে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান দায়িত্ব হওয়া উচিত একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের প্রস্তুতি নেওয়া; এ সময়ে গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা আইন তড়িঘড়ি বাস্তবায়নের উদ্যোগ প্রশ্নের জন্ম দিচ্ছে। বিবৃতিতে বলা হয়, আলোচ্য আইনে অন্তর্ভুক্তিমূলক ও বৈষম্যহীন শিক্ষার কথা বলা হলেও কিছু অস্পষ্ট পরিভাষা এবং উন্মুক্ত ধারা যুক্ত করা হয়েছে, যা ভবিষ্যতে ভিন্ন ব্যাখ্যার সুযোগ সৃষ্টি করতে পারে। শিক্ষকরা মনে করেন, শিক্ষাক্রম প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে অভিভাবকদের ধর্মীয় বিশ্বাস, সামাজিক বাস্তবতা ও নৈতিক মূল্যবোধের প্রতি সম্মান বজায় রাখা জরুরি। তারা বলেন, আন্তর্জাতিক মান অনুসরণ করা হলেও তা দেশের সংবিধান, সংস্কৃতি ও সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণের মূল্যবোধের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হতে হবে। একই সঙ্গে ‘বিশেষ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান’, ‘সুবিধাবঞ্চিত’, ‘বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন’ ইত্যাদি পরিভাষার সুস্পষ্ট সংজ্ঞা নির্ধারণের দাবি জানান তারা। বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, শিক্ষা আইন কোনো আন্তর্জাতিক মতাদর্শিক এজেন্ডার বাহক হওয়া উচিত নয়; বরং তা জনগণের বিশ্বাস ও সাংস্কৃতিক বাস্তবতার প্রতিফলন হওয়া প্রয়োজন। এসব বিষয় পরিষ্কার না করে আইন বাস্তবায়নের উদ্যোগ গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও মত দেন শিক্ষকরা। এই বিবৃতিতে দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শতাধিক অধ্যাপক, সহযোগী অধ্যাপক, সহকারী অধ্যাপক, প্রভাষক ও শিক্ষক স্বাক্ষর করেছেন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow