শিক্ষিকার অডিও রেকর্ড ফাঁস
চলমান এসএসসি পরীক্ষায় ব্যবহারিক পরীক্ষার নম্বর দেওয়ার ঘটনায় সম্প্রতি কুড়িগ্রামের চিলমারীতে এক শিক্ষিকার অডিও রেকর্ড ফাঁস হয়েছে। এতে শোনা যায়, যে টাকা আনবে সে নম্বর পাবে, আর যে টাকা আনবে না সে নম্বর পাবে না। এখানে টাকার বিষয়ে যেসব কথা হলো, সেটা যদি কোনো অভিভাবক বা অন্য কেউ জানে, তাহলে তোমাদের খবর আছে। এখন তোমরা গুলি করো, হাইকোর্ট করো, ঢাকা যাও। রেকর্ড ফাঁস হওয়ার পর এ নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা চলছে। বুধবার (২০ মে) উপজেলার থানাহাট এইউ পাইলট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের পরীক্ষা কেন্দ্রের শিক্ষিকার এ অডিও ফাঁস হয়। রেকর্ড ফাঁস হওয়া ওই শিক্ষিকার নাম মোর্শেদা বেগম। তিনি থানাহাট পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ট্রেড ইন্সট্রাক্টর। ফাঁস হওয়া অডিওতে শোনা যায়, ব্যবহারিক পরীক্ষায় দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষিকা মোর্শেদা বেগম শিক্ষার্থীদেরকে স্পষ্ট ভাষায় বলেন, যে টাকা আনবে সে নম্বর পাবে, আর যে টাকা আনবে না সে নম্বর পাবে না। এখন তোমরা গুল্লি (গুলি) করো, হাইকোর্ট করো, ঢাকা যাও। এখানে ৫শ টাকার কথা হলো সেটা বাইরে যদি যায়, যদি কোনো অভিভাবক, কোনো স্যার অভিযোগ দেয় তাহলে অবস্থা খারাপ আছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক
চলমান এসএসসি পরীক্ষায় ব্যবহারিক পরীক্ষার নম্বর দেওয়ার ঘটনায় সম্প্রতি কুড়িগ্রামের চিলমারীতে এক শিক্ষিকার অডিও রেকর্ড ফাঁস হয়েছে। এতে শোনা যায়, যে টাকা আনবে সে নম্বর পাবে, আর যে টাকা আনবে না সে নম্বর পাবে না। এখানে টাকার বিষয়ে যেসব কথা হলো, সেটা যদি কোনো অভিভাবক বা অন্য কেউ জানে, তাহলে তোমাদের খবর আছে। এখন তোমরা গুলি করো, হাইকোর্ট করো, ঢাকা যাও। রেকর্ড ফাঁস হওয়ার পর এ নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা চলছে।
বুধবার (২০ মে) উপজেলার থানাহাট এইউ পাইলট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের পরীক্ষা কেন্দ্রের শিক্ষিকার এ অডিও ফাঁস হয়।
রেকর্ড ফাঁস হওয়া ওই শিক্ষিকার নাম মোর্শেদা বেগম। তিনি থানাহাট পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ট্রেড ইন্সট্রাক্টর।
ফাঁস হওয়া অডিওতে শোনা যায়, ব্যবহারিক পরীক্ষায় দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষিকা মোর্শেদা বেগম শিক্ষার্থীদেরকে স্পষ্ট ভাষায় বলেন, যে টাকা আনবে সে নম্বর পাবে, আর যে টাকা আনবে না সে নম্বর পাবে না। এখন তোমরা গুল্লি (গুলি) করো, হাইকোর্ট করো, ঢাকা যাও। এখানে ৫শ টাকার কথা হলো সেটা বাইরে যদি যায়, যদি কোনো অভিভাবক, কোনো স্যার অভিযোগ দেয় তাহলে অবস্থা খারাপ আছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক শিক্ষার্থীরা জানায়, ব্যবহারিক পরীক্ষার প্রথমদিন টাকা দিতে হবে বললেও দ্বিতীয়দিন ওই আপা সবাইকে বলেন, ৫শ টাকা করে দিতে হবে। যদি না দাও তাহলে তোমরা নম্বর পাবে না। এ কথা বাইরে যায়, তাহলে তোমাদের অবস্থা খারাপ আছে। তাই আমরা বাধ্য হয়ে টাকা দিয়েছি।
অভিভাবক আনিছুর রহমান বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষকরা যদি এভাবে প্রকাশ্য দিবালোকে শিক্ষার্থীদের নৈতিকতা বিসর্জন দিয়ে ঘুষের পাঠ শেখান এবং ব্ল্যাকমেইল করেন, তবে সন্তানরা কার কাছে নিরাপদ?
আমিনুল ইসলাম নামের অন্য অভিভাবক বলেন, এই কেন্দ্রটিতে পরীক্ষা আসলে ব্যবহারিক পরীক্ষার সময় শিক্ষার্থীদের কাছে টাকা আদায় করা হয়। আমার ছেলে বাড়িতে এসে পরীক্ষার জন্য ৫শ টাকা চেয়েছে। টাকা না দিলে নম্বর নাকি দেবে না। তাই দিয়েছি।
এ বিষয়ে শিক্ষিকা মোর্শেদা বেগম বলেন, ‘আমি ব্যস্ত আছি, এ ব্যাপারে আমি কোনো কথা বলব না, আমার প্রতিষ্ঠান আমাকে পাঠিয়েছে আমি গেছি। প্রতিষ্ঠান প্রধানের সঙ্গে আপনি কথা বলেন।
এ বিষয়ে থানাহাট পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. তৈয়ব আলী বলেন, বিষয়টি আপনার কাছে শুনলাম। ঘটনাটি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পরীক্ষার কেন্দ্র সচিব রেজাউল করিম বলেন, কেন্দ্রে ব্যবহারিক পরীক্ষার জন্য টাকা নেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। যদি কেউ ব্যক্তিগতভাবে টাকা দাবি করে থাকে, তবে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মাহমুদুল হাসান জানান, পরীক্ষার্থীদের কাছ থেকে ব্যবহারিক পরীক্ষায় টাকা আদায় সম্পূর্ণ অবৈধ। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
What's Your Reaction?