শিগগির আসছে সরকারের বিশেষ সুকুক

ইসলামি অর্থায়নের আওতায় নতুন উদ্যোগ হিসেবে ‘বাংলাদেশ সরকারের বিশেষ সুকুক-১’ ইস্যুর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ইজারাভিত্তিক এই সুকুকের মোট মূল্যমান ১০ হাজার কোটি টাকা। এর মেয়াদ হবে ১০ বছর এবং বার্ষিক মুনাফার হার নির্ধারণ করা হয়েছে ৯ দশমিক ৭৫ শতাংশ। বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর ড. কবির আহাম্মদের সভাপতিত্বে ডেট ম্যানেজমেন্ট ডিপার্টমেন্টের অধীন গঠিত শরিয়াহ্ অ্যাডভাইজরি কমিটির ধারাবাহিক দুটি সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। গত ৭ ও ৮ জানুয়ারি বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সভায় কমিটির সদস্যরা সর্বসম্মতিক্রমে বিশেষ এই সুকুক ইস্যুর অনুমোদন দেন। বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্র জানায়, সুকুকটির বিপরীতে গণপূর্ত অধিদপ্তর কর্তৃক নির্মিত সরকারি কর্মচারীদের সাতটি আবাসন প্রকল্প এবং বাংলাদেশ রেলওয়ের আওতায় পরিচালিত নির্দিষ্ট রেলসেবাকে সম্পদ হিসেবে ব্যবহার করা হবে। বাস্তব সম্পদের ওপর ভিত্তি করে গঠিত এই কাঠামো শরিয়াহ্সম্মত অর্থায়নের সব শর্ত পূরণ করবে। এদিকে, ব্যক্তিগত প্লেসমেন্ট পদ্ধতিতে সুকুকটি সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক পিএলসির অনুকূলে ইস্যু করা হবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ১

শিগগির আসছে সরকারের বিশেষ সুকুক

ইসলামি অর্থায়নের আওতায় নতুন উদ্যোগ হিসেবে ‘বাংলাদেশ সরকারের বিশেষ সুকুক-১’ ইস্যুর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ইজারাভিত্তিক এই সুকুকের মোট মূল্যমান ১০ হাজার কোটি টাকা। এর মেয়াদ হবে ১০ বছর এবং বার্ষিক মুনাফার হার নির্ধারণ করা হয়েছে ৯ দশমিক ৭৫ শতাংশ।

বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর ড. কবির আহাম্মদের সভাপতিত্বে ডেট ম্যানেজমেন্ট ডিপার্টমেন্টের অধীন গঠিত শরিয়াহ্ অ্যাডভাইজরি কমিটির ধারাবাহিক দুটি সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

গত ৭ ও ৮ জানুয়ারি বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সভায় কমিটির সদস্যরা সর্বসম্মতিক্রমে বিশেষ এই সুকুক ইস্যুর অনুমোদন দেন।

বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্র জানায়, সুকুকটির বিপরীতে গণপূর্ত অধিদপ্তর কর্তৃক নির্মিত সরকারি কর্মচারীদের সাতটি আবাসন প্রকল্প এবং বাংলাদেশ রেলওয়ের আওতায় পরিচালিত নির্দিষ্ট রেলসেবাকে সম্পদ হিসেবে ব্যবহার করা হবে। বাস্তব সম্পদের ওপর ভিত্তি করে গঠিত এই কাঠামো শরিয়াহ্সম্মত অর্থায়নের সব শর্ত পূরণ করবে।

এদিকে, ব্যক্তিগত প্লেসমেন্ট পদ্ধতিতে সুকুকটি সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক পিএলসির অনুকূলে ইস্যু করা হবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ১৪ জানুয়ারি আনুষ্ঠানিকভাবে এ বিশেষ সুকুক ইস্যু করা হবে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সুদভিত্তিক ঋণের বিকল্প হিসেবে সরকারি পর্যায়ে সুকুক ইস্যু একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। আবাসন ও রেলসেবার মতো জনসেবামূলক প্রকল্পকে সম্পদ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার মাধ্যমে এই সুকুক ইস্যু সরকারের ইসলামি অর্থায়ন কৌশলকে আরও শক্তিশালী করবে। পাশাপাশি এটি ইসলামী ব্যাংকগুলোর জন্য দীর্ঘমেয়াদি, নিরাপদ ও স্থিতিশীল বিনিয়োগের সুযোগ সৃষ্টি করবে।

ইএআর/এমকেআর/এমএস

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow