শিশু অপহরণ রোধে হেগ কনভেনশনে পক্ষবদ্ধ হচ্ছে বাংলাদেশ

আন্তর্জাতিক শিশু অপহরণ সংক্রান্ত জটিলতা নিরসনে কনভেনশন অন দ্য সিভিল অ্যাসপেক্টস অব ইন্টারন্যাশনাল চাইল্ড অ্যাবডাকশন–১৯৮০ (হেগ কনভেনশন)-এ বাংলাদেশের পক্ষবদ্ধ হওয়ার প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়। এদিন বিকেলে রাজধানীর বেইলি রোডে ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত সংবাদ ব্রিফিংয়ে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশির সংখ্যা এক কোটি ২০ লাখ থেকে দেড় কোটি। প্রবাসজীবনে অনেক বাংলাদেশি ভিন্ন দেশের নাগরিকদের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। পরবর্তীতে দাম্পত্য বিচ্ছেদ হলে সন্তানদের অভিভাবকত্ব ও হেফাজত নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়। শফিকুল আলম বলেন, অনেক ক্ষেত্রে একজন অভিভাবক সন্তানকে অন্য দেশে নিয়ে যান, যা আন্তর্জাতিক আইনের দৃষ্টিতে শিশু অপহরণ হিসেবে বিবেচিত হয়। ফলে সন্তানের কাস্টডি, অপর অভিভাবকের সাক্ষাৎ অধিকার এবং আইনি প্রক্রিয়া দীর্ঘ ও জটিল হয়ে পড়ে। তিনি বলেন, হেগ কনভেনশনে পক্ষবদ্ধ হলে এস

শিশু অপহরণ রোধে হেগ কনভেনশনে পক্ষবদ্ধ হচ্ছে বাংলাদেশ

আন্তর্জাতিক শিশু অপহরণ সংক্রান্ত জটিলতা নিরসনে কনভেনশন অন দ্য সিভিল অ্যাসপেক্টস অব ইন্টারন্যাশনাল চাইল্ড অ্যাবডাকশন–১৯৮০ (হেগ কনভেনশন)-এ বাংলাদেশের পক্ষবদ্ধ হওয়ার প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার।

বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়।

এদিন বিকেলে রাজধানীর বেইলি রোডে ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত সংবাদ ব্রিফিংয়ে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশির সংখ্যা এক কোটি ২০ লাখ থেকে দেড় কোটি। প্রবাসজীবনে অনেক বাংলাদেশি ভিন্ন দেশের নাগরিকদের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। পরবর্তীতে দাম্পত্য বিচ্ছেদ হলে সন্তানদের অভিভাবকত্ব ও হেফাজত নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়।

শফিকুল আলম বলেন, অনেক ক্ষেত্রে একজন অভিভাবক সন্তানকে অন্য দেশে নিয়ে যান, যা আন্তর্জাতিক আইনের দৃষ্টিতে শিশু অপহরণ হিসেবে বিবেচিত হয়। ফলে সন্তানের কাস্টডি, অপর অভিভাবকের সাক্ষাৎ অধিকার এবং আইনি প্রক্রিয়া দীর্ঘ ও জটিল হয়ে পড়ে।

তিনি বলেন, হেগ কনভেনশনে পক্ষবদ্ধ হলে এসব বিষয়ে দ্রুত আইনি সমাধান সম্ভব হবে। এর মাধ্যমে সন্তানের সর্বোত্তম স্বার্থ রক্ষা, উভয় অভিভাবকের সাক্ষাৎ ও যোগাযোগের অধিকার নিশ্চিত করা সহজ হবে বলে সরকার মনে করছে।

প্রেস সচিব বলেন, এই কনভেনশনে যোগদানের ফলে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী শিশু অধিকার সুরক্ষা জোরদার হবে এবং প্রবাসী পরিবারগুলোর দীর্ঘদিনের একটি বড় আইনি সংকট কার্যকরভাবে সমাধান করা যাবে।

এমইউ/বিএ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow