শিশু ধর্ষণচেষ্টা: মসজিদের ইমামকে গণপিটুনির পর গলায় জুতার মালা দিল জনতা

ময়মনসিংহের ত্রিশালে শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মসজিদের এক ইমামকে গণপিটুনি ও গলায় জুতার মালা পরিয়ে দিয়েছে উত্তেজিত জনতা। পরে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোনকল পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে উদ্ধার করে থানা হেফাজতে নেয়। শুক্রবার (৩ জুলাই) বিকেলে উপজেলার মোক্ষপুর ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে। আটক ইমামের নাম সাইফুল ইসলাম খোকা। তার বাড়ি একই ইউনিয়নের সাপখালী গ্রামে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত ইমাম সাইফুল ইসলাম ওই মসজিদেই থাকতেন। ভুক্তভোগী শিশুটির বাড়িও ওই মসজিদের পাশেই। বিকেলের দিকে শিশুটিকে ডেকে মসজিদ আঙিনায় নিয়ে যাওয়ার পর শিশুটির পরিবারের সদস্যদের সন্দেহ হয়। পরে বিষয়টি জানাজানি হয়। মোক্ষপুর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য গোলাম মোস্তফা বলেন, দুপুরের পর শিশুটিকে সেখানে নিয়ে যাওয়া হয়। তিনি নিজে শিশুটিকে উলঙ্গ অবস্থায় দেখতে পান। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় লোকজন জড়ো হয়ে অভিযুক্ত ইমামকে আটক করে গণপিটুনি দেন এবং গলায় জুতার মালা পরিয়ে দেন। পরে পুলিশ এসে তাকে হেফাজতে নেয়। ত্রিশাল থানা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) বাবুল বলেন, প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, অভিযুক্ত ইমাম মসজিদের পাশের একটি বাড়ির এক শিশুকে ডেকে নিয়ে

শিশু ধর্ষণচেষ্টা: মসজিদের ইমামকে গণপিটুনির পর গলায় জুতার মালা দিল জনতা

ময়মনসিংহের ত্রিশালে শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মসজিদের এক ইমামকে গণপিটুনি ও গলায় জুতার মালা পরিয়ে দিয়েছে উত্তেজিত জনতা। পরে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোনকল পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে উদ্ধার করে থানা হেফাজতে নেয়।

শুক্রবার (৩ জুলাই) বিকেলে উপজেলার মোক্ষপুর ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে। আটক ইমামের নাম সাইফুল ইসলাম খোকা। তার বাড়ি একই ইউনিয়নের সাপখালী গ্রামে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত ইমাম সাইফুল ইসলাম ওই মসজিদেই থাকতেন। ভুক্তভোগী শিশুটির বাড়িও ওই মসজিদের পাশেই। বিকেলের দিকে শিশুটিকে ডেকে মসজিদ আঙিনায় নিয়ে যাওয়ার পর শিশুটির পরিবারের সদস্যদের সন্দেহ হয়। পরে বিষয়টি জানাজানি হয়।

মোক্ষপুর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য গোলাম মোস্তফা বলেন, দুপুরের পর শিশুটিকে সেখানে নিয়ে যাওয়া হয়। তিনি নিজে শিশুটিকে উলঙ্গ অবস্থায় দেখতে পান। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় লোকজন জড়ো হয়ে অভিযুক্ত ইমামকে আটক করে গণপিটুনি দেন এবং গলায় জুতার মালা পরিয়ে দেন। পরে পুলিশ এসে তাকে হেফাজতে নেয়।

ত্রিশাল থানা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) বাবুল বলেন, প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, অভিযুক্ত ইমাম মসজিদের পাশের একটি বাড়ির এক শিশুকে ডেকে নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করেছে। তাকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। ভুক্তভোগী শিশুর বাবা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এর আগে গত ২০ ও ২২ জুন ত্রিশাল উপজেলার চিকনা মনোহর ও বালিপাড়া এলাকার দুটি পৃথক মসজিদে দুই শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে আরও দুই ইমামকে আটক করা হয়েছিল।

হোসাইন সুলভ/এমকেআর

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow