শিশু সন্তানসহ মায়ের মরদেহ উদ্ধার, স্বামী পুলিশ হেফাজতে

যশোরের ঝিকরগাছা থেকে মা ও শিশুসন্তানের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় ওই নারীর স্বামীকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (৯ জুন) ঝিকরগাছা উপজেলার নাভারন ইউনিয়নের শরীফপুর গ্রাম থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহতরা হলেন ওই গ্রামের জনি মিয়ার স্ত্রী রেবেকা খাতুন (২৬) ও তাদের দেড় বছর বয়সী শিশুসন্তান সোহরাব হোসেন। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, সন্তানকে হত্যা করে রেবেকা খাতুন নিজেও গলায় ফাঁস নিয়েছেন। তবে রেবেকার স্বজনদের দাবি, মা ও ছেলেকে হত্যা করা হয়েছে। পুলিশ জানায়, ঘরে রেবেকা ও শিশু সোহরাবের মরদেহ ঝুলতে দেখে পুলিশে খবর দেওয়া হয়। পরে পুলিশ মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। একই সঙ্গে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রেবেকার স্বামী জনি মিয়াকে হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ। স্থানীয় সূত্র জানায়, রেবেকার স্বামী জনি ভবঘুরে বেকার ও ইয়াবাসক্ত। তিনি বিভিন্ন সময়ে শ্বশুরবাড়ি থেকে স্ত্রীর প্রাপ্য দেড় বিঘা জমি বিক্রির ৩০ লাখ টাকা নষ্ট করেছেন। আরও জমি বিক্রি করে টাকা দিতে স্ত্রীর ওপর অব্যাহতভাবে চাপ সৃষ্টি করছিলেন। টাকা না পেয়ে স্ত্রী-সন্তানকে হত্যা করে মরদেহ ঝুলিয়ে রাখতে পারেন

শিশু সন্তানসহ মায়ের মরদেহ উদ্ধার, স্বামী পুলিশ হেফাজতে

যশোরের ঝিকরগাছা থেকে মা ও শিশুসন্তানের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় ওই নারীর স্বামীকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (৯ জুন) ঝিকরগাছা উপজেলার নাভারন ইউনিয়নের শরীফপুর গ্রাম থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহতরা হলেন ওই গ্রামের জনি মিয়ার স্ত্রী রেবেকা খাতুন (২৬) ও তাদের দেড় বছর বয়সী শিশুসন্তান সোহরাব হোসেন।

প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, সন্তানকে হত্যা করে রেবেকা খাতুন নিজেও গলায় ফাঁস নিয়েছেন। তবে রেবেকার স্বজনদের দাবি, মা ও ছেলেকে হত্যা করা হয়েছে।

পুলিশ জানায়, ঘরে রেবেকা ও শিশু সোহরাবের মরদেহ ঝুলতে দেখে পুলিশে খবর দেওয়া হয়। পরে পুলিশ মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। একই সঙ্গে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রেবেকার স্বামী জনি মিয়াকে হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ।

স্থানীয় সূত্র জানায়, রেবেকার স্বামী জনি ভবঘুরে বেকার ও ইয়াবাসক্ত। তিনি বিভিন্ন সময়ে শ্বশুরবাড়ি থেকে স্ত্রীর প্রাপ্য দেড় বিঘা জমি বিক্রির ৩০ লাখ টাকা নষ্ট করেছেন। আরও জমি বিক্রি করে টাকা দিতে স্ত্রীর ওপর অব্যাহতভাবে চাপ সৃষ্টি করছিলেন। টাকা না পেয়ে স্ত্রী-সন্তানকে হত্যা করে মরদেহ ঝুলিয়ে রাখতে পারেন তিনি।

ঝিকরগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম কিবরিয়া বলেন, জনি মিয়াকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। এটি হত্যা না আত্মহত্যা তা মরদেহের ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন হাতে পেলে বোঝা যাবে।

মিলন রহমান/এসআর

 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow