শীতকালে গাড়ির ইঞ্জিন ভালো রাখতে যেসব ভুল করবেন না

  অনেকেই শুধু কিলোমিটারের হিসাব ধরে ইঞ্জিন অয়েল পরিবর্তন করেন। কিন্তু ঋতু পরিবর্তনের প্রভাব যে এই সিদ্ধান্তে বড় ভূমিকা রাখে, তা অনেক সময়ই উপেক্ষিত থেকে যায়। সঠিক সময়ে ইঞ্জিন অয়েল না বদলালে ইঞ্জিনের ওপর অতিরিক্ত চাপ পড়তে পারে, ফলে এর আয়ুও কমে যেতে পারে। শীত শুরু হতেই ইঞ্জিন অয়েল পরীক্ষা করা অত্যন্ত জরুরি। কারণ তেল পরিবর্তনের সময়সীমা অনেকটাই নির্ভর করে আপনার ড্রাইভিং অভ্যাসের ওপর। সাধারণত ৫,০০০ থেকে ১০,০০০ কিলোমিটার পর তেল পরিবর্তনের পরামর্শ দেওয়া হয়। কেউ কেউ ছয় মাস থেকে এক বছরের মধ্যেও অয়েল বদলানোর কথা বলেন। তবে শীতকালে নিয়মটি একটু বদলে যায়। আপনি যদি স্বল্প দূরত্বে বারবার গাড়ি চালান, তাহলে তেল তুলনামূলক দ্রুত পরিবর্তন করা উচিত। বিশেষজ্ঞদের মতে ঠান্ডা অঞ্চলে বসবাসকারীদের তেলের মান ঘন ঘন পরীক্ষা করা নিরাপদ। প্রয়োজনে ছয় মাস পূর্ণ হওয়ার আগেই তেল পরীক্ষা করা ভালো। শীতকালে সিন্থেটিক বা কৃত্রিম ইঞ্জিন অয়েলকে আরও উপযোগী হিসেবে ধরা হয়। কারণ এটি কম তাপমাত্রাতেও ইঞ্জিনের দহন প্রক্রিয়া স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে। তাই ইঞ্জিন অয়েল বাছাইয়ের সময় অবশ্যই সঠিক ভিসকোসিটি গ্রেড নির্বা

শীতকালে গাড়ির ইঞ্জিন ভালো রাখতে যেসব ভুল করবেন না

 

অনেকেই শুধু কিলোমিটারের হিসাব ধরে ইঞ্জিন অয়েল পরিবর্তন করেন। কিন্তু ঋতু পরিবর্তনের প্রভাব যে এই সিদ্ধান্তে বড় ভূমিকা রাখে, তা অনেক সময়ই উপেক্ষিত থেকে যায়। সঠিক সময়ে ইঞ্জিন অয়েল না বদলালে ইঞ্জিনের ওপর অতিরিক্ত চাপ পড়তে পারে, ফলে এর আয়ুও কমে যেতে পারে।

শীত শুরু হতেই ইঞ্জিন অয়েল পরীক্ষা করা অত্যন্ত জরুরি। কারণ তেল পরিবর্তনের সময়সীমা অনেকটাই নির্ভর করে আপনার ড্রাইভিং অভ্যাসের ওপর। সাধারণত ৫,০০০ থেকে ১০,০০০ কিলোমিটার পর তেল পরিবর্তনের পরামর্শ দেওয়া হয়। কেউ কেউ ছয় মাস থেকে এক বছরের মধ্যেও অয়েল বদলানোর কথা বলেন।

তবে শীতকালে নিয়মটি একটু বদলে যায়। আপনি যদি স্বল্প দূরত্বে বারবার গাড়ি চালান, তাহলে তেল তুলনামূলক দ্রুত পরিবর্তন করা উচিত। বিশেষজ্ঞদের মতে ঠান্ডা অঞ্চলে বসবাসকারীদের তেলের মান ঘন ঘন পরীক্ষা করা নিরাপদ। প্রয়োজনে ছয় মাস পূর্ণ হওয়ার আগেই তেল পরীক্ষা করা ভালো।

শীতকালে সিন্থেটিক বা কৃত্রিম ইঞ্জিন অয়েলকে আরও উপযোগী হিসেবে ধরা হয়। কারণ এটি কম তাপমাত্রাতেও ইঞ্জিনের দহন প্রক্রিয়া স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে। তাই ইঞ্জিন অয়েল বাছাইয়ের সময় অবশ্যই সঠিক ভিসকোসিটি গ্রেড নির্বাচন করতে হবে এবং গাড়ির ম্যানুয়ালে উল্লেখিত গ্রেডই অনুসরণ করা উচিত।

মনে রাখবেন, ‘W’-এর আগে থাকা সংখ্যাটি যত কম হবে, শীতকালে তেল তত বেশি পাতলা থাকবে এবং ঠান্ডা আবহাওয়ায় ইঞ্জিন চালু রাখতে সুবিধা দেবে। ভালো মানের সিন্থেটিক তেল ব্যবহার করলে শুধু ইঞ্জিনের কার্যকারিতাই নয়, এর আয়ুও বৃদ্ধি পায়।

আরও পড়ুন
পুরোনো গাড়ি কিনে জিততে চাইলে খেয়াল রাখুন ৩ বিষয়
কতদিন পর পর গাড়ি পরিষ্কার করানো ভালো

কেএসকে

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow