শুরুতেই ইরানের জালে গোল দিয়ে এগিয়ে গেলো মিসর
বিশ্বকাপ ২০২৬-এর গ্রুপ ‘জি’-তে নকআউটের ভাগ্য নির্ধারণী লড়াইয়ে দারুণ সূচনা করেছে মিসর। যুক্তরাষ্ট্রের সিয়াটলে অনুষ্ঠিত গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে শুরুতেই ইরানের জালে বল জড়িয়ে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় আফ্রিকার প্রতিনিধিরা।
তবে গোলের চেয়েও হৃদয় ছুঁয়ে যায় উদযাপনের মুহূর্তটি— গোল করার পর মিসরের ফুটবলাররা একসঙ্গে সেজদায় লুটিয়ে পড়ে সৃষ্টিকর্তার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
ইতিহাস গড়ে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের শেষ ষোলো নিশ্চিত করার লক্ষ্যে খেলতে নামা মিসর আত্মবিশ্বাসী ফুটবলে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণও নিজেদের দখলে নিয়েছে।
শুরু থেকেই দুই দল ভিন্ন কৌশলে মাঠে নামে। মিসর আক্রমণাত্মক ৪-২-৩-১ ফর্মেশনে খেলতে নেমে ম্যাচের প্রথম দিকেই কাঙ্ক্ষিত গোলের দেখা পায়। দ্রুত আক্রমণ গড়ে ইরানের রক্ষণভাগ ভেঙে বল জালে পাঠিয়ে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় সালাহরা।
তবে গোলের পর যে দৃশ্যটি সবচেয়ে বেশি নজর কাড়ে, সেটি ছিল মিসরের ফুটবলারদের উদযাপন। গোল করার সঙ্গে সঙ্গেই তারা সবাই একসঙ্গে সেজদায় লুটিয়ে পড়ে মহান আল্লাহর প্রতি শুকরিয়া আদায় করেন। মাঠে উপস্থিত দর্শকদের পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও মুহূর্তটি আলোচনার জন্ম দেয়।
এই ম্যাচে মিস
বিশ্বকাপ ২০২৬-এর গ্রুপ ‘জি’-তে নকআউটের ভাগ্য নির্ধারণী লড়াইয়ে দারুণ সূচনা করেছে মিসর। যুক্তরাষ্ট্রের সিয়াটলে অনুষ্ঠিত গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে শুরুতেই ইরানের জালে বল জড়িয়ে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় আফ্রিকার প্রতিনিধিরা।
তবে গোলের চেয়েও হৃদয় ছুঁয়ে যায় উদযাপনের মুহূর্তটি— গোল করার পর মিসরের ফুটবলাররা একসঙ্গে সেজদায় লুটিয়ে পড়ে সৃষ্টিকর্তার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
ইতিহাস গড়ে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের শেষ ষোলো নিশ্চিত করার লক্ষ্যে খেলতে নামা মিসর আত্মবিশ্বাসী ফুটবলে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণও নিজেদের দখলে নিয়েছে।
শুরু থেকেই দুই দল ভিন্ন কৌশলে মাঠে নামে। মিসর আক্রমণাত্মক ৪-২-৩-১ ফর্মেশনে খেলতে নেমে ম্যাচের প্রথম দিকেই কাঙ্ক্ষিত গোলের দেখা পায়। দ্রুত আক্রমণ গড়ে ইরানের রক্ষণভাগ ভেঙে বল জালে পাঠিয়ে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় সালাহরা।
তবে গোলের পর যে দৃশ্যটি সবচেয়ে বেশি নজর কাড়ে, সেটি ছিল মিসরের ফুটবলারদের উদযাপন। গোল করার সঙ্গে সঙ্গেই তারা সবাই একসঙ্গে সেজদায় লুটিয়ে পড়ে মহান আল্লাহর প্রতি শুকরিয়া আদায় করেন। মাঠে উপস্থিত দর্শকদের পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও মুহূর্তটি আলোচনার জন্ম দেয়।
এই ম্যাচে মিসরের সামনে ছিল ইতিহাস গড়ার হাতছানি। ৯২ বছরের বিশ্বকাপ ইতিহাসে প্রথমবারের মতো শেষ বত্রিশে ওঠার জন্য তাদের প্রয়োজন ছিল অন্তত একটি পয়েন্ট। অন্যদিকে, নকআউটে যাওয়ার আশা বাঁচিয়ে রাখতে ইরানের জন্য জয় ছাড়া কোনো বিকল্প ছিল না।
দল নির্বাচনেও ছিল চমক। মিসরের কোচ শুরুর একাদশে জায়গা দেননি ফর্মে থাকা ফরোয়ার্ড ওমার মারমুশকে। অধিনায়ক মোহামেদ সালাহর নেতৃত্বে ট্রেজেগুয়েটকে মূল আক্রমণভাগে রেখে ম্যাচ শুরু করে আফ্রিকার দলটি। অন্যদিকে ইরান রক্ষণাত্মক ৫-৪-১ ফর্মেশনে নেমে কাউন্টার-অ্যাটাক নির্ভর পরিকল্পনায় খেলছে, যেখানে মেহেদি তারেমির গতির ওপরই তাদের সবচেয়ে বেশি ভরসা।
শুরুতেই পাওয়া গোল মিসরকে যেমন আত্মবিশ্বাসী করেছে, তেমনি ইরানকে ম্যাচে ফিরতে এখন আরও আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে হবে। ফলে বাকি সময়জুড়ে ম্যাচটি আরও জমে ওঠার ইঙ্গিত মিলছে।