শেরপুরে অর্ধশত গ্রাম ২৪ ঘণ্টা ধরে বিদ্যুৎহীন

শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলায় আকস্মিক টর্নেডোর আঘাতে ভয়াবহ বিদ্যুৎ বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। ঝড়ে বৈদ্যুতিক খুঁটি ভেঙে ও উপড়ে যাওয়ার পাশাপাশি সঞ্চালন লাইনের তার ছিঁড়ে পড়ায় উপজেলার অন্তত ৫০টি গ্রাম প্রায় ২৪ ঘণ্টা ধরে বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন হয়ে আছে। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন প্রায় ৪০ হাজার গ্রাহক। রোববার (২৪ মে) পল্লী বিদ্যুতের কর্মকর্তারা জানান, বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করতে কাজ চলছে। পুরো পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে আরও দুই-এক দিন সময় লাগতে পারে। শনিবার (২৩ মে) সকাল ৯টার দিকে উপজেলার পোড়াগাঁও, নন্নী, রাজনগর ও নয়াবিল ইউনিয়ন এবং পাশের কাংশা ইউনিয়নের ওপর দিয়ে ঝড় বয়ে যায়। এতে অন্তত ৫০টি ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বিদ্যুতের তারের ওপর গাছ উপড়ে পড়ে। অনেক স্থানে খুঁটি ভেঙে পড়ে। শেরপুর জেলা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি সূত্রে জানা গেছে, আকস্মিক টর্নেডোর আঘাতে অন্তত ১৪টি বৈদ্যুতিক খুঁটি ভেঙে গেছে। আরও ৭টি খুঁটি উপড়ে গেছে। ট্রান্সফরমারসহ ৭টি খুঁটি মাটিতে পড়ে গেছে। বিভিন্ন স্থানে প্রায় ৩০০ মিটার সঞ্চালন লাইনের তার ছিঁড়ে গেছে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও এলাকাবাসী জানায়, বিদ্যুৎ না থাকায় সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন গৃহিণী ও দোকানিরা।

শেরপুরে অর্ধশত গ্রাম ২৪ ঘণ্টা ধরে বিদ্যুৎহীন

শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলায় আকস্মিক টর্নেডোর আঘাতে ভয়াবহ বিদ্যুৎ বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। ঝড়ে বৈদ্যুতিক খুঁটি ভেঙে ও উপড়ে যাওয়ার পাশাপাশি সঞ্চালন লাইনের তার ছিঁড়ে পড়ায় উপজেলার অন্তত ৫০টি গ্রাম প্রায় ২৪ ঘণ্টা ধরে বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন হয়ে আছে। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন প্রায় ৪০ হাজার গ্রাহক।

রোববার (২৪ মে) পল্লী বিদ্যুতের কর্মকর্তারা জানান, বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করতে কাজ চলছে। পুরো পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে আরও দুই-এক দিন সময় লাগতে পারে।

শনিবার (২৩ মে) সকাল ৯টার দিকে উপজেলার পোড়াগাঁও, নন্নী, রাজনগর ও নয়াবিল ইউনিয়ন এবং পাশের কাংশা ইউনিয়নের ওপর দিয়ে ঝড় বয়ে যায়। এতে অন্তত ৫০টি ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বিদ্যুতের তারের ওপর গাছ উপড়ে পড়ে। অনেক স্থানে খুঁটি ভেঙে পড়ে।

শেরপুর জেলা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি সূত্রে জানা গেছে, আকস্মিক টর্নেডোর আঘাতে অন্তত ১৪টি বৈদ্যুতিক খুঁটি ভেঙে গেছে। আরও ৭টি খুঁটি উপড়ে গেছে। ট্রান্সফরমারসহ ৭টি খুঁটি মাটিতে পড়ে গেছে। বিভিন্ন স্থানে প্রায় ৩০০ মিটার সঞ্চালন লাইনের তার ছিঁড়ে গেছে।

স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও এলাকাবাসী জানায়, বিদ্যুৎ না থাকায় সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন গৃহিণী ও দোকানিরা। ফ্রিজে রাখা খাবার নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। অনেক এলাকায় পানির পাম্প চালাতে না পারায় বাসাবাড়িতে পানি তোলা যাচ্ছে না। এতে দৈনন্দিন কাজকর্ম ব্যাহত হচ্ছে। ফ্রিজ সচল না থাকায় দোকানের ফ্রিজে রাখা আইসস্ক্রিম নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।

নন্নী ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মো. আবদুল্লাহ বলেন, ঝড়ে গাছ পড়ে বিদ্যুতের তারসহ খুঁটি মাটিতে পড়ে গেছে। শনিবার থেকে মেরামতের জন্য পল্লী বিদ্যুতের লোকজন কাজ করছে। কিন্তু নন্নী ইউনিয়নের প্রায় ৩০টি গ্রাম এখনো বিদ্যুৎহীন। বিদ্যুতের ওপরই এখন সবকিছুর জন্য নির্ভর করতে হয়। এতে মানুষ কষ্টে দিন কাটাচ্ছে।

বিদ্যুৎ সমিতির নন্নী কার্যালয়ের লাইনম্যান আজিজুল হক বলেন, শনিবার সকালের ঝড়-বৃষ্টিতে বিভিন্ন স্থানে গাছ উপড়ে বিদ্যুতের লাইনের ওপর পড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত খুঁটি ও লাইন মেরামতে মাঠপর্যায়ে কাজ চলছে। ৬০ হাজার গ্রাহকের মধ্যে গতকাল রাতে কয়েকটি এলাকায় ২০ হাজার গ্রাহকের বিদ্যুৎ সরবরাহ চালু করা গেলেও ৫০টি গ্রামের ৪০ হাজার গ্রাহকের বিদ্যুৎ সরবরাহ এখনো বন্ধ আছে।

পল্লী বিদ্যুতের নালিতাবাড়ী জোনাল অফিসের উপমহাব্যবস্থাপক আখতারুজ্জামান জাগো নিউজকে বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করতে আমাদের কর্মীরা কাজ করছেন। শনিবার দুপুর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত কাজ করা হয়েছে। রোববার সকাল থেকেও মেরামতকাজ চলছে। কিছু এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ চালু করা সম্ভব হয়েছে। তবে পুরো পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে আরও দুই-এক দিন সময় লাগতে পারে।

মো. নাঈম ইসলাম/এনএইচআর/জেআইএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow