শেরপুরে আদিবাসী শিশু ধর্ষণ-হত্যা: আসামির মৃত্যুদণ্ড হাইকোর্টে বহাল
২০১৩ সালে শেরপুরে আদিবাসী শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় করা মামলায় ভুক্তভোগীর দুঃসম্পর্কের মামা কান্তি মারাককে বিচারিক আদালতের দেওয়া মৃত্যুদণ্ডাদেশ বহাল রেখেছেন হাইকোর্ট। ডেথ রেফারেন্স গ্রহণ করে বুধবার (১ জুলাই) বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামানের সমন্বয়ে হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন। আদালতে আসামিপক্ষে ছিলেন রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী হাফিজুর রহমান খান। মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, ২০১৩ সালে বিকেলে খেলতে গেলে ওই শিশুকে কৌশলে ঘরে ডেকে নেন কান্তি মারাক। এরপর ধর্ষণের পর শিশুটিকে শ্বাসরোধে হত্যা করেন তিনি। এ ঘটনায় করা মামলায় শেরপুরের আদালত ২০১৯ সালে আসামি কান্তিকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেন। পরে ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্টে পাঠানো হয়। পাশাপাশি আসামি জেল আপিল করেন। সেটির শুনানি নিয়ে হাইকোর্ট এ রায় ঘোষণা করেন। এফএইচ/এমকেআর
২০১৩ সালে শেরপুরে আদিবাসী শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় করা মামলায় ভুক্তভোগীর দুঃসম্পর্কের মামা কান্তি মারাককে বিচারিক আদালতের দেওয়া মৃত্যুদণ্ডাদেশ বহাল রেখেছেন হাইকোর্ট।
ডেথ রেফারেন্স গ্রহণ করে বুধবার (১ জুলাই) বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামানের সমন্বয়ে হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন। আদালতে আসামিপক্ষে ছিলেন রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী হাফিজুর রহমান খান।
মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, ২০১৩ সালে বিকেলে খেলতে গেলে ওই শিশুকে কৌশলে ঘরে ডেকে নেন কান্তি মারাক। এরপর ধর্ষণের পর শিশুটিকে শ্বাসরোধে হত্যা করেন তিনি।
এ ঘটনায় করা মামলায় শেরপুরের আদালত ২০১৯ সালে আসামি কান্তিকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেন। পরে ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্টে পাঠানো হয়। পাশাপাশি আসামি জেল আপিল করেন। সেটির শুনানি নিয়ে হাইকোর্ট এ রায় ঘোষণা করেন।
এফএইচ/এমকেআর
What's Your Reaction?