শেরপুরে এসএসসি পরীক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগে যুবক গ্রেপ্তার

বগুড়ার শেরপুর উপজেলায় এক এসএসসি পরীক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগে মো. মজনু মিয়া ওরফে বথু (৪০) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রোববার (১২ জুলাই) সকালে উপজেলার সুঘাট ইউনিয়নের বিনোদপুর গ্রাম থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে দুপুরে আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী ওই তরুনী একজন এসএসসি পরীক্ষার্থী, যার মা কিছুদিন আগে মারা গেছেন। অভিযুক্ত মজনু মিয়া ওরফে বথু উপজেলার বিনোদপুর গ্রামের মৃত শাহের আলীর ছেলে। স্থানীয়রা জানান, মজনু মিয়ার দুটি স্ত্রী রয়েছে। ঘটনার সময় তার বড় স্ত্রী এক আত্মীয়ের বাড়িতে বেড়াতে গিয়েছিলেন। এই সুযোগে মজনু মিয়া ওই পরীক্ষার্থীকে নানা প্রলোভন দেখিয়ে নিজের বাড়িতে নিয়ে যান এবং সেখানে তাকে ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগ ওঠে। এই ঘটনায় ভুক্তভোগীর পক্ষে বিনোদপুর গ্রামের বাসিন্দা আলহাজ বাহাদুর মণ্ডলের ছেলে মো. আব্দুল্লাহ বাদী হয়ে শেরপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। গতকাল ১১ জুলাই ২০২৬ তারিখে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ৯(১) ধারায় মামলাটি (মামলা নং-২২) রুজু করা হয়। মামলা দায়েরের পর শেরপুর থানা পুলিশ দ্রুত অভিযানে নামে। রোববার

শেরপুরে এসএসসি পরীক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগে যুবক গ্রেপ্তার

বগুড়ার শেরপুর উপজেলায় এক এসএসসি পরীক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগে মো. মজনু মিয়া ওরফে বথু (৪০) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

রোববার (১২ জুলাই) সকালে উপজেলার সুঘাট ইউনিয়নের বিনোদপুর গ্রাম থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে দুপুরে আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী ওই তরুনী একজন এসএসসি পরীক্ষার্থী, যার মা কিছুদিন আগে মারা গেছেন। অভিযুক্ত মজনু মিয়া ওরফে বথু উপজেলার বিনোদপুর গ্রামের মৃত শাহের আলীর ছেলে। স্থানীয়রা জানান, মজনু মিয়ার দুটি স্ত্রী রয়েছে। ঘটনার সময় তার বড় স্ত্রী এক আত্মীয়ের বাড়িতে বেড়াতে গিয়েছিলেন।

এই সুযোগে মজনু মিয়া ওই পরীক্ষার্থীকে নানা প্রলোভন দেখিয়ে নিজের বাড়িতে নিয়ে যান এবং সেখানে তাকে ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগ ওঠে। এই ঘটনায় ভুক্তভোগীর পক্ষে বিনোদপুর গ্রামের বাসিন্দা আলহাজ বাহাদুর মণ্ডলের ছেলে মো. আব্দুল্লাহ বাদী হয়ে শেরপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

গতকাল ১১ জুলাই ২০২৬ তারিখে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ৯(১) ধারায় মামলাটি (মামলা নং-২২) রুজু করা হয়। মামলা দায়েরের পর শেরপুর থানা পুলিশ দ্রুত অভিযানে নামে। রোববার সকালে আসামিকে তার নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় পুলিশ। এরপর প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাকে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হলে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

শেরপুর থানার ওসি (তদন্ত) জয়নাল আবেদিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, মামলা দায়েরের পরপরই আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বর্তমানে মামলার তদন্ত কাজ চলমান রয়েছে। তদন্তে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow